অষ্টম শ্রেণী: পরিবেশ ও বিজ্ঞান, অধ্যায় – 2.3: রাসায়নিক বিক্রিয়া, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর মান ২

অধ্যায় 2.3: রাসায়নিক বিক্রিয়া
(সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর – 2 নম্বর)

1. তাপদায়ী (Exothermic) ও তাপগ্রাহী (Endothermic) বিক্রিয়ার মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো।

উত্তর দেখো

উত্তর:
1. তাপের পরিবর্তন: তাপদায়ী বিক্রিয়ায় তাপ উৎপন্ন হয়, ফলে চারপাশের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে, তাপগ্রাহী বিক্রিয়ায় তাপ শোষিত হয়, ফলে চারপাশের তাপমাত্রা কমে যায়।
2. উদাহরণ: পোড়াচুনে ($\mathrm{CaO}$) জল মেশালে তাপ উৎপন্ন হয় (তাপদায়ী)। কিন্তু জলে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ($\mathrm{NH_4NO_3}$) মেশালে দ্রবণ ঠান্ডা হয়ে যায় (তাপগ্রাহী)।

2. অনুঘটক (Catalyst) কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর দেখো

উত্তর: যে সমস্ত পদার্থ কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উপস্থিত থেকে বিক্রিয়ার বেগ বাড়ায় বা কমায়, কিন্তু বিক্রিয়া শেষে নিজের ভর ও রাসায়নিক ধর্মে অপরিবর্তিত থাকে, তাদের অনুঘটক বলে।
উদাহরণ: হাইড্রোজেন পারক্সাইড ($\mathrm{H_2O_2}$) থেকে অক্সিজেন প্রস্তুতির সময় ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইড ($\mathrm{MnO_2}$) ধনাত্মক অনুঘটক হিসেবে কাজ করে বিক্রিয়ার বেগ বাড়ায়।

3. এনজাইম বা উৎসেচক (Enzyme) কী? এর একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর দেখো

উত্তর: জীবদেহে উৎপন্ন যেসব প্রোটিনজাতীয় পদার্থ জীবদেহের বিভিন্ন জৈব-রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অনুঘটকের মতো কাজ করে বিক্রিয়ার বেগকে নিয়ন্ত্রিত করে, তাদের এনজাইম বা উৎসেচক বলে (এদের জৈব অনুঘটকও বলা হয়)।
উদাহরণ: আলুর রসে বা প্রাণীর যকৃতে (Liver) ‘ক্যাটালেজ’ (Catalase) নামক একটি এনজাইম থাকে।

4. রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটার প্রধান দুটি শর্ত (Conditions) উল্লেখ করো।

উত্তর দেখো

উত্তর: রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটার দুটি শর্ত হলো:
1. তাপ (Heat): অনেক বিক্রিয়া সাধারণ উষ্ণতায় ঘটে না, তাপ প্রয়োগ করলে তবেই ঘটে। (যেমন: লোহা ও সালফারের মিশ্রণকে উত্তপ্ত করলে তবেই $\mathrm{FeS}$ তৈরি হয়)।
2. দ্রাবক (Solvent): অনেক ক্ষেত্রে কঠিন অবস্থায় বিক্রিয়কগুলি মেশালে বিক্রিয়া হয় না, কিন্তু জলে বা অন্য দ্রাবকে দ্রবীভূত করলে বিক্রিয়া শুরু হয়। (যেমন: বেকিং সোডা ও টারটারিক অ্যাসিডের মিশ্রণে জল দিলে বিক্রিয়া হয়)।

5. প্রত্যক্ষ সংযোগ বিক্রিয়া (Combination Reaction) কাকে বলে? রাসায়নিক সমীকরণসহ একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর দেখো

উত্তর: যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক পদার্থ (মৌল বা যৌগ) সরাসরি নিজেদের মধ্যে যুক্ত হয়ে একটিমাত্র নতুন যৌগ গঠন করে, তাকে প্রত্যক্ষ সংযোগ বিক্রিয়া বলে।
উদাহরণ: কার্বনকে (কয়লা) বাতাসে পোড়ালে অক্সিজেনের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে কার্বন ডাইঅক্সাইড উৎপন্ন হয়।
সমীকরণ: $\mathrm{C} + \mathrm{O_2} \rightarrow \mathrm{CO_2}$

6. বিয়োজন বিক্রিয়া (Decomposition Reaction) কাকে বলে? সমীকরণসহ উদাহরণ দাও।

উত্তর দেখো

উত্তর: যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় একটি যৌগিক পদার্থ ভেঙে গিয়ে একাধিক সরল পদার্থ (মৌল বা যৌগ) উৎপন্ন করে, তাকে বিয়োজন বিক্রিয়া বলে।
উদাহরণ: চুনাপাথরকে উত্তপ্ত করলে তা ভেঙে পোড়াচুন এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড তৈরি করে।
সমীকরণ: $\mathrm{CaCO_3} \xrightarrow{\Delta} \mathrm{CaO} + \mathrm{CO_2}$

7. প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া (Displacement Reaction) কাকে বলে? সমীকরণসহ উদাহরণ দাও।

উত্তর দেখো

উত্তর: যে বিক্রিয়ায় কোনো মৌল অন্য কোনো যৌগের অণু থেকে একটি মৌলকে সরিয়ে নিজে তার জায়গা দখল করে নতুন যৌগ তৈরি করে, তাকে প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া বলে।
উদাহরণ: কপার সালফেট দ্রবণে লোহার পেরেক ডোবালে লোহা কপারকে প্রতিস্থাপিত করে আয়রন সালফেট তৈরি করে।
সমীকরণ: $\mathrm{Fe} + \mathrm{CuSO_4} \rightarrow \mathrm{FeSO_4} + \mathrm{Cu} \downarrow$

8. বিনিময় বিক্রিয়া (Double Displacement Reaction) কাকে বলে? সমীকরণসহ উদাহরণ দাও।

উত্তর দেখো

উত্তর: যে বিক্রিয়ায় দুটি যৌগের উপাদান বা আয়নগুলি নিজেদের মধ্যে স্থান বিনিময় করে দুটি সম্পূর্ণ নতুন যৌগ তৈরি করে, তাকে বিনিময় বিক্রিয়া বলে।
উদাহরণ: সোডিয়াম ক্লোরাইড এবং সিলভার নাইট্রেটের জলীয় দ্রবণ মেশালে তারা স্থান বিনিময় করে সিলভার ক্লোরাইড ও সোডিয়াম নাইট্রেট গঠন করে।
সমীকরণ: $\mathrm{NaCl} + \mathrm{AgNO_3} \rightarrow \mathrm{AgCl} \downarrow + \mathrm{NaNO_3}$

9. আধুনিক ইলেকট্রনীয় তত্ত্ব অনুযায়ী জারণ (Oxidation) এবং বিজারণ (Reduction) বলতে কী বোঝো?

উত্তর দেখো

উত্তর:
জারণ: কোনো পরমাণু, অণু বা আয়ন যখন এক বা একাধিক ইলেকট্রন বর্জন করে (ছেড়ে দেয়), তখন সেই প্রক্রিয়াকে জারণ বলে। (যেমন: $\mathrm{Fe^{2+}} \rightarrow \mathrm{Fe^{3+}} + \mathrm{e^-}$)
বিজারণ: কোনো পরমাণু, অণু বা আয়ন যখন এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ করে, তখন সেই প্রক্রিয়াকে বিজারণ বলে। (যেমন: $\mathrm{Cl} + \mathrm{e^-} \rightarrow \mathrm{Cl^-}$)

10. জারক দ্রব্য (Oxidizing Agent) এবং বিজারক দ্রব্য (Reducing Agent) কাকে বলে?

উত্তর দেখো

উত্তর:
জারক দ্রব্য: যে পদার্থ অন্য পদার্থকে জারিত করে কিন্তু বিক্রিয়ার সময় নিজে ইলেকট্রন গ্রহণ করে বিজারিত হয়, তাকে জারক দ্রব্য বলে।
বিজারক দ্রব্য: যে পদার্থ অন্য পদার্থকে বিজারিত করে কিন্তু বিক্রিয়ার সময় নিজে ইলেকট্রন বর্জন করে জারিত হয়, তাকে বিজারক দ্রব্য বলে।

11. $\mathrm{CuO} + \mathrm{H_2} \rightarrow \mathrm{Cu} + \mathrm{H_2O}$ — এই বিক্রিয়াটিতে কোনটি জারিত এবং কোনটি বিজারিত হয়েছে তা লেখো।

উত্তর দেখো

উত্তর: এই বিক্রিয়ায়:
1. হাইড্রোজেনের ($\mathrm{H_2}$) সাথে অক্সিজেন যুক্ত হয়ে জল ($\mathrm{H_2O}$) উৎপন্ন হয়েছে। তাই $\mathrm{H_2}$ জারিত হয়েছে
2. কিউপ্রিক অক্সাইড ($\mathrm{CuO}$) থেকে অক্সিজেন অপসারিত হয়ে কপার ($\mathrm{Cu}$) উৎপন্ন হয়েছে। তাই $\mathrm{CuO}$ বিজারিত হয়েছে

12. “জারণ ও বিজারণ সর্বদা একই সাথে ঘটে” — কথাটি সংক্ষেপে বুঝিয়ে দাও।

উত্তর দেখো

উত্তর: ইলেকট্রনীয় তত্ত্ব অনুযায়ী, জারণ মানে ইলেকট্রন বর্জন এবং বিজারণ মানে ইলেকট্রন গ্রহণ। কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় একটি পদার্থ ইলেকট্রন বর্জন করলে (জারণ), সেই বর্জিত ইলেকট্রনগুলি অন্য একটি পদার্থকে অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে (বিজারণ)। যেহেতু ইলেকট্রন আদান-প্রদান ছাড়া এই বিক্রিয়া সম্ভব নয়, তাই জারণ ও বিজারণ সর্বদা একই সাথে ঘটে।

13. সদ্য কাটা আলুর টুকরোতে হাইড্রোজেন পারক্সাইড ($\mathrm{H_2O_2}$) ঢাললে কী দেখা যায় এবং কেন?

উত্তর দেখো

উত্তর: আলুর রসে ‘ক্যাটালেজ’ (Catalase) নামক একটি উৎসেচক বা এনজাইম থাকে। আলুর টুকরোর ওপর $\mathrm{H_2O_2}$ ঢাললে, এই ক্যাটালেজ এনজাইমটি অনুঘটক হিসেবে কাজ করে $\mathrm{H_2O_2}$ কে খুব দ্রুত ভেঙে জল ও অক্সিজেন গ্যাস তৈরি করে। ফলে অক্সিজেনের বুদবুদ তীব্র বেগে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়।

14. সিলভার নাইট্রেট ($\mathrm{AgNO_3}$) দ্রবণকে কেন কালো বা রঙিন কাঁচের বোতলে সংরক্ষণ করা হয়?

উত্তর দেখো

উত্তর: সিলভার নাইট্রেট হলো একটি আলোক-সংবেদনশীল (Light-sensitive) পদার্থ। সাধারণ আলো এর ওপর পড়লে এটি আলোক-রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে ভেঙে গিয়ে ধাতব রুপো ($\mathrm{Ag}$) উৎপন্ন করে এবং নষ্ট হয়ে যায়। তাই আলোর প্রবেশ আটকাতে একে রঙিন বা কালো কাঁচের বোতলে রাখা হয়।

15. $\mathrm{Fe^{2+}} \rightarrow \mathrm{Fe^{3+}} + \mathrm{e^-}$ এবং $\mathrm{Cu^{2+}} + 2\mathrm{e^-} \rightarrow \mathrm{Cu}$ ; এই দুটি বিক্রিয়ার মধ্যে কোনটি জারণ এবং কোনটি বিজারণ তা শনাক্ত করো।

উত্তর দেখো

উত্তর:
প্রথম বিক্রিয়ায় ($\mathrm{Fe^{2+}} \rightarrow \mathrm{Fe^{3+}} + \mathrm{e^-}$) আয়রন আয়ন ইলেকট্রন বর্জন করেছে। ইলেকট্রন বর্জন হলো জারণ
দ্বিতীয় বিক্রিয়ায় ($\mathrm{Cu^{2+}} + 2\mathrm{e^-} \rightarrow \mathrm{Cu}$) কপার আয়ন 2 টি ইলেকট্রন গ্রহণ করেছে। ইলেকট্রন গ্রহণ হলো বিজারণ


অধ্যায় 2.3: রাসায়নিক বিক্রিয়া
(আরও 5টি গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন)

16. পরীক্ষাগারে অক্সিজেন প্রস্তুতির সময় পটাশিয়াম ক্লোরেটের ($\mathrm{KClO_3}$) সাথে ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইড ($\mathrm{MnO_2}$) মেশানো হয় কেন?

উত্তর দেখো

উত্তর: শুধুমাত্র পটাশিয়াম ক্লোরেটকে ($\mathrm{KClO_3}$) উত্তপ্ত করে অক্সিজেন পেতে গেলে প্রচুর তাপের (প্রায় $600^\circ\mathrm{C}$) প্রয়োজন হয়। কিন্তু এর সাথে সামান্য ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইড ($\mathrm{MnO_2}$) মিশিয়ে উত্তপ্ত করলে অনেক কম উষ্ণতায় (প্রায় $200^\circ\mathrm{C}$ – $250^\circ\mathrm{C}$) এবং খুব দ্রুত অক্সিজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়। এখানে $\mathrm{MnO_2}$ একটি ধনাত্মক অনুঘটক হিসেবে কাজ করে বিক্রিয়ার বেগ বাড়িয়ে দেয়।

17. কাটা আপেল বা বেগুন কিছুক্ষণ খোলা বাতাসে রাখলে তার কাটা অংশে বাদামি ছোপ পড়ে যায় কেন?

উত্তর দেখো

উত্তর: আপেল বা বেগুনের কোশে এক ধরনের বিশেষ উৎসেচক বা এনজাইম থাকে। ফল কাটার পর সেই ভেতরের অংশ খোলা বাতাসের সংস্পর্শে এলে, ওই এনজাইমগুলি বাতাসের অক্সিজেনের সাথে ফলের উপাদানগুলির জারণ বিক্রিয়া (Oxidation) ঘটাতে সাহায্য করে। এই জারণের ফলেই কাটা অংশে মেটালো-প্রোটিন নামক বাদামি রঙের যৌগের ছোপ তৈরি হয়।

18. জীবদেহের শ্বসন (Respiration) প্রক্রিয়াটি তাপদায়ী নাকি তাপগ্রাহী বিক্রিয়া? যুক্তি দাও।

উত্তর দেখো

উত্তর: শ্বসন হলো একটি তাপদায়ী (Exothermic) বিক্রিয়া
যুক্তি: আমরা যে খাবার খাই, তা হজম হয়ে গ্লুকোজে ($\mathrm{C_6H_{12}O_6}$) পরিণত হয়। শ্বসনের সময় আমাদের কোশের ভেতরে থাকা গ্লুকোজ বাতাসের অক্সিজেনের সাহায্যে জারিত হয়ে ভেঙে যায় এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড, জল ও প্রচুর পরিমাণ তাপশক্তি উৎপন্ন করে। এই শক্তির সাহায্যেই আমাদের শরীর সচল থাকে।

19. অনুঘটক (Catalyst) এবং উৎসেচকের (Enzyme) মধ্যে দুটি প্রধান পার্থক্য লেখো।

উত্তর দেখো

উত্তর:
1. উৎস ও প্রকৃতি: অনুঘটকগুলি সাধারণত অজৈব রাসায়নিক পদার্থ (যেমন: $\mathrm{MnO_2}$, $\mathrm{Fe}$ গুঁড়ো) এবং এগুলি পরীক্ষাগারে বা কারখানায় ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, উৎসেচক হলো জীবদেহের সজীব কোশে উৎপন্ন জটিল প্রোটিনজাতীয় জৈব অণু।
2. কাজের ক্ষেত্র: অনুঘটক সাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়ার বেগ নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু উৎসেচক জীবদেহের ভেতরে ঘটা বিভিন্ন জৈব-রাসায়নিক বিক্রিয়া (যেমন হজম, শ্বসন) নিয়ন্ত্রণ করে।

20. ইলেকট্রনীয় তত্ত্বের সাহায্যে ব্যাখ্যা করো: $\mathrm{Zn} + \mathrm{CuSO_4} \rightarrow \mathrm{ZnSO_4} + \mathrm{Cu}$ বিক্রিয়াটিতে কার জারণ এবং কার বিজারণ ঘটেছে?

উত্তর দেখো

উত্তর: এই বিক্রিয়াটিকে আয়নীয় রূপে লিখলে হয়: $\mathrm{Zn} + \mathrm{Cu^{2+}} \rightarrow \mathrm{Zn^{2+}} + \mathrm{Cu}$
1. জারণ: নিস্তরিৎ জিংক ($\mathrm{Zn}$) পরমাণু 2 টি ইলেকট্রন বর্জন করে $\mathrm{Zn^{2+}}$ আয়নে পরিণত হয়েছে। ইলেকট্রন বর্জন মানেই জারণ, তাই $\mathrm{Zn}$ জারিত হয়েছে
2. বিজারণ: কিউপ্রিক আয়ন ($\mathrm{Cu^{2+}}$) ওই 2 টি ইলেকট্রন গ্রহণ করে নিস্তরিৎ কপার ($\mathrm{Cu}$) পরমাণুতে পরিণত হয়েছে। ইলেকট্রন গ্রহণ মানেই বিজারণ, তাই $\mathrm{Cu^{2+}}$ বিজারিত হয়েছে

Leave A Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
শেয়ার