অষ্টম শ্রেণী: ভূগোল, অধ্যায় – 6 জলবায়ু অঞ্চল, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর মান ২
অধ্যায় 6: জলবায়ু অঞ্চল
(সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর – মান: 2) – পর্ব 1
নিচের প্রশ্নগুলির দু-তিনটি বাক্যে উত্তর দাও:
1. জলবায়ু অঞ্চল বলতে কী বোঝো?
উত্তর দেখো
উত্তর: পৃথিবীর যে বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে বায়ুর উষ্ণতা, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ, স্বাভাবিক উদ্ভিদ এবং বন্যপ্রাণীর মধ্যে একটি সুস্পষ্ট সমতা বা মিল দেখা যায়, তাকে জলবায়ু অঞ্চল বলে। অক্ষাংশ, সমুদ্র থেকে দূরত্ব ইত্যাদির ওপর নির্ভর করে পৃথিবীতে আলাদা আলাদা জলবায়ু অঞ্চল গড়ে ওঠে।
2. নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের অবস্থান উল্লেখ করো।
উত্তর দেখো
উত্তর: নিরক্ষরেখার উভয় পাশে 0° থেকে 10° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল অবস্থিত। দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন অববাহিকা, আফ্রিকার কঙ্গো অববাহিকা এবং এশিয়ার ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় এই জলবায়ু সবচেয়ে ভালো দেখা যায়।
3. সেলভা অরণ্য কাকে বলে?
উত্তর দেখো
উত্তর: দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন নদীর অববাহিকায় সারা বছর প্রচুর উষ্ণতা ও প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে যে গভীর, অন্ধকার ও দুর্ভেদ্য চিরসবুজ অরণ্য গড়ে উঠেছে, তাকে সেলভা বলা হয়। এখানকার গাছগুলি লতাপাতায় এত ঘনভাবে জড়িয়ে থাকে যে সূর্যের আলো মাটিতে পৌঁছাতে পারে না।
4. আমাজন অববাহিকার অরণ্যকে ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ বলা হয় কেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন অববাহিকার গভীর সেলভা অরণ্যে অসংখ্য বিশাল গাছপালা রয়েছে। এই বিশাল অরণ্য সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের প্রায় 20 শতাংশ একাই তৈরি করে এবং প্রচুর কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে। তাই একে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।
5. নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারা বছর চিরসবুজ বা চিরহরিৎ অরণ্য দেখা যায় কেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারা বছর ধরে প্রচণ্ড উত্তাপ থাকে এবং প্রায় প্রতিদিনই প্রবল বৃষ্টিপাত হয়। জলের কোনো অভাব না থাকায় এখানকার গাছগুলির পাতা কখনোই একসাথে ঝরে যায় না। তাই সারা বছর ধরে গাছগুলি সবুজ পাতা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে বলে একে চিরসবুজ অরণ্য বলে।
6. ‘4 টার বৃষ্টি’ বলতে কী বোঝো?
উত্তর দেখো
উত্তর: নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারা বছর প্রবল উত্তাপের কারণে প্রতিদিন প্রচুর জল বাষ্পীভূত হয়ে ওপরে ওঠে। এরপর তা ঘনীভূত হয়ে প্রায় প্রতিদিন বিকেল 4 টে বা সন্ধ্যার দিকে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল পরিচলন বৃষ্টিপাত ঘটায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে এই বৃষ্টি হয় বলে একে 4 টার বৃষ্টি বলা হয়।
7. পিগমি কাদের বলা হয়? তারা কোথায় বসবাস করে?
উত্তর দেখো
উত্তর: আফ্রিকার জাইরে বা কঙ্গো নদীর অববাহিকায় গভীর ও দুর্ভেদ্য নিরক্ষীয় অরণ্যে বসবাসকারী বিশেষ এক আদিবাসী সম্প্রদায়কে পিগমি বলা হয়। এরা মূলত শিকার এবং বন থেকে ফলমূল সংগ্রহ করে জীবন ধারণ করে।
8. মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চলের অবস্থান লেখো।
উত্তর দেখো
উত্তর: মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চল মূলত উত্তর ও দক্ষিণ উভয় গোলার্ধে 10° থেকে 30° অক্ষাংশের মধ্যে মহাদেশগুলির পূর্ব ভাগে অবস্থিত। আমাদের দেশ ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার, থাইল্যান্ড এবং দক্ষিণ চিনে এই জলবায়ু সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
9. মৌসুমী জলবায়ুর দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তর দেখো
উত্তর: 1) ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে বৃষ্টিপাত ও উষ্ণতার সুস্পষ্ট পরিবর্তন দেখা যায়। 2) এই জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো আর্দ্র গ্রীষ্মকাল (বৃষ্টিপাত যুক্ত) এবং শুষ্ক শীতকাল।
10. পর্ণমোচী অরণ্য কাকে বলে? এই অরণ্যের দুটি গাছের নাম লেখো।
উত্তর দেখো
উত্তর: শীতকালে বা শুষ্ক মরশুমে জলের অভাব থেকে বাঁচার জন্য যে অরণ্যের গাছগুলি তাদের পাতা সম্পূর্ণ ঝরিয়ে ফেলে, তাকে পর্ণমোচী অরণ্য বলে। এই অরণ্যের দুটি প্রধান গাছ হলো শাল এবং সেগুন।
11. মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চলে পর্ণমোচী অরণ্য সৃষ্টি হয়েছে কেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চলে বছরে একটি নির্দিষ্ট সময়ে (বর্ষাকালে) বৃষ্টি হয়, কিন্তু শীতকাল ও গ্রীষ্মের শুরুটা খুব শুষ্ক থাকে। শুষ্ক ঋতুতে বাষ্পমোচন প্রক্রিয়া রোধ করে গাছের ভেতরের জল ধরে রাখার জন্যই এখানকার গাছগুলি তাদের পাতা ঝরিয়ে ফেলে।
12. মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চলে কৃষিকাজ খুব ভালো হয় কেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: এই অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে পর্যাপ্ত উত্তাপ থাকে এবং বর্ষাকালে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টিপাত হয়। তাছাড়া এখানকার নদী উপত্যকাগুলির মাটি অত্যন্ত উর্বর, যা কৃষিকাজের জন্য খুবই আদর্শ। তাই এখানে ধান, পাট, গম, তুলো ইত্যাদি ফসল খুব ভালো হয়।
13. মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চলে জনবসতি অত্যন্ত ঘন বা পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মানুষ এখানে বাস করে কেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: উর্বর নদী উপত্যকা, অনুকূল জলবায়ু এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারণে এই অঞ্চলে কৃষিকাজ অত্যন্ত ভালো হয়। মানুষের জীবনধারণ, খাদ্য এবং জীবিকার সহজলভ্যতার জন্যই পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মানুষ এই জলবায়ু অঞ্চলে বসবাস করে।
14. নিরক্ষীয় অঞ্চলে কাঠ চেরাই শিল্প বা কাষ্ঠ শিল্প সেভাবে গড়ে ওঠেনি কেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: নিরক্ষীয় গভীর অরণ্যের গাছগুলির কাঠ অত্যন্ত শক্ত এবং ভারী হয়, যা কাটা খুব কঠিন। এছাড়া একই জায়গায় অনেক রকমের গাছ মিশে থাকে এবং অরণ্য এত দুর্ভেদ্য যে সেখান থেকে কাঠ কেটে বাইরে নিয়ে আসা প্রায় অসম্ভব। তাই এখানে কাষ্ঠ শিল্প গড়ে ওঠেনি।
15. ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে শীতকালে বৃষ্টিপাত হয় কেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: শীতকালে সূর্যের দক্ষিণায়নের ফলে বায়ুচাপ বলয়গুলি কিছুটা দক্ষিণে সরে যায়। এর ফলে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল শুষ্ক আয়ন বায়ুর পরিবর্তে সমুদ্রের দিক থেকে আসা আর্দ্র পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে চলে আসে। সমুদ্রের ওপর দিয়ে আসার কারণে এই বায়ুতে প্রচুর জলীয় বাষ্প থাকে, তাই এখানে শীতকালে বৃষ্টিপাত হয়।
16. ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলকে ‘ফলের বাগান’ বলা হয় কেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: এই অঞ্চলের জলবায়ু, বিশেষ করে আর্দ্র শীতকাল এবং শুষ্ক, রৌদ্রোজ্জ্বল গ্রীষ্মকাল রসালো ফল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। তাই এখানে বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে প্রচুর পরিমাণে আঙুর, কমলালেবু, আপেল, নাশপাতি, জলপাই ইত্যাদি উৎপন্ন হয় বলে একে পৃথিবীর ফলের বাগান বলা হয়।
17. ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে গ্রীষ্মকালের শুষ্কতা থেকে বাঁচতে গাছের পাতায় কী কী বৈশিষ্ট্য দেখা যায়?
উত্তর দেখো
উত্তর: গ্রীষ্মকালের শুষ্কতার হাত থেকে বাঁচতে এবং বাষ্পমোচন প্রক্রিয়া কমানোর জন্য এই অঞ্চলের গাছের (যেমন- জলপাই) পাতা খুব পুরু হয়। এছাড়া পাতার ওপর মোম জাতীয় পদার্থের আস্তরণ থাকে এবং গাছের ছালও অত্যন্ত পুরু হয়, যাতে গাছের ভেতরের জল শুকিয়ে না যায়।
18. ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে মদ শিল্প বা ওয়াইন শিল্প ব্যাপকভাবে গড়ে উঠেছে কেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: এই অঞ্চলে আবহাওয়া অনুকূল হওয়ায় প্রচুর পরিমাণে উন্নত মানের মিষ্টি আঙুর চাষ হয়। এই আঙুর থেকে উৎকৃষ্ট মানের মদ বা ওয়াইন তৈরি করা খুব সহজ। আঙুরের বিপুল ফলন ও সহজলভ্যতার কারণেই ফ্রান্স, ইতালির মতো ভূমধ্যসাগরীয় দেশগুলিতে ওয়াইন শিল্প ব্যাপকভাবে গড়ে উঠেছে।
19. তুন্দ্রা জলবায়ু অঞ্চলের অবস্থান লেখো।
উত্তর দেখো
উত্তর: উত্তর ও দক্ষিণ উভয় গোলার্ধে 65° থেকে 90° অক্ষাংশের মধ্যে, অর্থাৎ সুমেরু ও কুমেরু বৃত্তের কাছাকাছি অঞ্চলে তুন্দ্রা জলবায়ু দেখা যায়। উত্তর আমেরিকার কানাডা ও আলাস্কার উত্তরাংশ এবং ইউরোপ ও এশিয়ার (ইউরেশিয়ার) উত্তরাংশে এটি সবচেয়ে ভালো দেখা যায়।
20. তুন্দ্রা অঞ্চলে বড়ো গাছ জন্মায় না কেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: তুন্দ্রা অঞ্চলে সারা বছর প্রচণ্ড ঠান্ডা থাকে এবং বছরের 8 থেকে 9 মাস মাটি পুরোপুরি বরফে ঢাকা থাকে। তাছাড়া এখানে বৃষ্টিপাত প্রায় হয় না বললেই চলে। এই প্রতিকূল পরিবেশের জন্যই এখানে কোনো বড়ো গাছ জন্মায় না, কেবল গ্রীষ্মকালে বরফ গললে কিছু মস ও লাইকেন জন্মায়।
21. এস্কিমো কাদের বলা হয়? তারা কোথায় বাস করে?
উত্তর দেখো
উত্তর: উত্তর আমেরিকার কানাডা, আলাস্কা এবং গ্রিনল্যান্ডের তীব্র শীতযুক্ত ও বরফাবৃত তুন্দ্রা অঞ্চলে বসবাসকারী আদিবাসীদের এস্কিমো বলা হয়। ‘এস্কিমো’ কথার অর্থ হলো যারা কাঁচা মাংস খায়। এরা মূলত শিকার করে জীবনধারণ করে।
22. ইগলু ও টিউপিক কী?
উত্তর দেখো
উত্তর: তুন্দ্রা অঞ্চলে শীতকালে প্রচণ্ড ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচার জন্য এস্কিমোরা বরফের চাঁই দিয়ে যে গম্বুজাকৃতির বাড়ি তৈরি করে, তাকে ইগলু বলে। অন্যদিকে, গ্রীষ্মকালে বরফ গলতে শুরু করলে তারা বল্গা হরিণ বা সিলমাছের চামড়া দিয়ে যে অস্থায়ী তাঁবু তৈরি করে, তাকে টিউপিক বলে।
23. এস্কিমোদের জীবনে কুকুর ও বল্গা হরিণের গুরুত্ব কী?
উত্তর দেখো
উত্তর: তুন্দ্রা অঞ্চলে বরফের ওপর যাতায়াত করা এবং শিকার করা ভারী প্রাণী বহনের জন্য এস্কিমোরা চাকা বিহীন স্লেজ গাড়ি ব্যবহার করে। এই স্লেজ গাড়ি টানার জন্য এবং শিকারের কাজে সাহায্য করার জন্য কুকুর (হাস্কি কুকুর) ও বল্গা হরিণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
24. হারপুন কী? এটি কী কাজে লাগে?
উত্তর দেখো
উত্তর: হারপুন হলো এস্কিমোদের ব্যবহৃত দড়ি বাঁধা বর্শা জাতীয় একটি বিশেষ ধরনের হাতিয়ার। বরফ ঢাকা সমুদ্রে সিলমাছ, সিন্ধুঘোটক বা তিমি মাছের মতো বড়ো বড়ো সামুদ্রিক প্রাণী শিকার করার জন্য তারা প্রধানত এই অস্ত্রটি দূর থেকে ছুঁড়ে ব্যবহার করে।
25. কায়াক এবং উমিয়াক কী?
উত্তর দেখো
উত্তর: বরফ ঢাকা সমুদ্রে শিকার করার জন্য এস্কিমোরা পশুর চামড়া দিয়ে তৈরি যে ছোটো ও সরু নৌকা ব্যবহার করে, তাকে কায়াক বলে। আর যাতায়াত বা বেশি মালপত্র বহনের জন্য তারা চামড়া দিয়ে তৈরি যে বড়ো নৌকা ব্যবহার করে, তার নাম উমিয়াক।
26. পারকা কী? এটি কী দিয়ে তৈরি হয়?
উত্তর দেখো
উত্তর: তুন্দ্রা অঞ্চলের তীব্র শীত এবং কনকনে ঠান্ডা হাওয়ার হাত থেকে বাঁচার জন্য এস্কিমোরা এক ধরনের বিশেষ হুডযুক্ত বা মাথা-ঢাকা পোশাক পরে। একেই পারকা বলা হয়। এই পোশাক মূলত সিলমাছ বা বল্গা হরিণের চামড়া ও লোম দিয়ে তৈরি হয়, যা শরীরকে অত্যন্ত গরম রাখে।
27. মেরুজ্যোতি বা অরোরা বলতে কী বোঝো?
উত্তর দেখো
উত্তর: তুন্দ্রা বা মেরু অঞ্চলে শীতকালে টানা 6 মাস যখন রাত থাকে, তখন অনেক সময় রাতের আকাশে রামধনুর মতো সবুজ, লাল ও নীল রঙের বিচিত্র আলোর ছটা বা জ্যোতি দেখা যায়। একেই মেরুজ্যোতি বা অরোরা বলে। উত্তর গোলার্ধে একে সুমেরুপ্রভা এবং দক্ষিণ গোলার্ধে কুমেরুপ্রভা বলে।
28. তুন্দ্রা অঞ্চলকে ‘নিশীথ সূর্যের দেশ’ বলা হয় কেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: মেরু বা তুন্দ্রা অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে (যেমন- নরওয়ের হ্যামারফেস্ট বন্দরে) টানা 6 মাস দিন থাকে। এই সময়ে রাতের বেলাতেও দিগন্ত রেখার কাছে সূর্যকে জ্বলজ্বল করতে দেখা যায়। গভীর রাতেও সূর্য দেখা যায় বলে এই অঞ্চলকে নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয়।