নবম শ্রেণি: ইতিহাস, অধ্যায় – 7 জাতিসংঘ ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর মান ২

অধ্যায় ৭: সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

1. লিগ অফ নেশনস বা জাতিপুঞ্জ কেন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?

উত্তর দেখো

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহ ধ্বংসলীলা দেখার পর বিশ্বনেতারা ভবিষ্যতে যুদ্ধ এড়াতে এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে ১৯২০ সালে ‘লিগ অফ নেশনস’ প্রতিষ্ঠা করেন। মার্কিন রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন এর প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন।


2. লিগ অফ নেশনস বা জাতিপুঞ্জের দুটি উদ্দেশ্য লেখো।

উত্তর দেখো

১. আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা এবং ভবিষ্যতে যুদ্ধ প্রতিরোধ করা।
২. সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখা।


3. লিগ অফ নেশনস বা জাতিপুঞ্জ কেন ব্যর্থ হয়েছিল? (দুটি কারণ)

উত্তর দেখো

১. আমেরিকার অনুপস্থিতি: লিগের প্রধান উদ্যোক্তা আমেরিকা নিজেই এর সদস্য হয়নি।
২. নিজস্ব বাহিনীর অভাব: লিগের নিজস্ব কোনো সেনাবাহিনী ছিল না, ফলে আক্রমণকারী দেশকে শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা তার ছিল না।


4. সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ বা UNO কেন প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর দেখো

লিগ অফ নেশনস দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ আটকাতে ব্যর্থ হয়। তাই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি সুনিশ্চিত করতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যুদ্ধের অভিশাপ থেকে বাঁচাতে ১৯৪৫ সালে আরও শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠিত হয়।


5. আটলান্টিক চার্টার (Atlantic Charter) কী?

উত্তর দেখো

১৯৪১ সালের আগস্ট মাসে আটলান্টিক মহাসাগরে এক যুদ্ধজাহাজে মার্কিন রাষ্ট্রপতি রুজভেল্ট এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চার্চিল বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তার জন্য যে ৮ দফা যৌথ ইস্তাহার প্রকাশ করেন, তাকে আটলান্টিক চার্টার বলে। এটিই জাতিপুঞ্জ গঠনের ভিত্তি ছিল।


6. সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের সনদের ১নং ধারাটি কী?

উত্তর দেখো

জাতিপুঞ্জের সনদের ১নং ধারায় এর প্রধান উদ্দেশ্যগুলি বর্ণনা করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রধান হলো—আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে আন্তর্জাতিক বিবাদের মীমাংসা করা।


7. ডামবার্টন ওকস সম্মেলন (১৯৪৪) কেন গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর দেখো

১৯৪৪ সালে আমেরিকার ওয়াশিংটনের ডামবার্টন ওকস ভবনে এক সম্মেলনে জাতিপুঞ্জের প্রস্তাবিত সনদের খসড়া তৈরি করা হয়। এখানে নিরাপত্তা পরিষদের গঠন ও ভেটো ক্ষমতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।


8. সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন (১৯৪৫) কেন বিখ্যাত?

উত্তর দেখো

১৯৪৫ সালের এপ্রিল-জুন মাসে সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা জাতিপুঞ্জের সনদে স্বাক্ষর করেন। এর মাধ্যমেই আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের জন্ম হয়।


9. জাতিপুঞ্জের প্রধান ৬টি অঙ্গের নাম লেখো।

উত্তর দেখো

১. সাধারণ সভা (General Assembly)
২. নিরাপত্তা পরিষদ (Security Council)
৩. অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ECOSOC)
৪. অছি পরিষদ (Trusteeship Council)
৫. আন্তর্জাতিক বিচারালয় (ICJ)
৬. কর্মদপ্তর বা সচিবালয় (Secretariat)


10. সাধারণ সভার দুটি কাজ উল্লেখ করো।

উত্তর দেখো

১. আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত যেকোনো বিষয় আলোচনা করা।
২. নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে নতুন সদস্য গ্রহণ করা বা মহাসচিব নিয়োগ করা।


11. সাধারণ সভাকে ‘বিশ্বের বিতর্ক সভা’ বলা হয় কেন?

উত্তর দেখো

সাধারণ সভায় জাতিপুঞ্জের সব সদস্য রাষ্ট্র (ছোট-বড় নির্বিশেষে) তাদের প্রতিনিধি পাঠাতে পারে এবং যেকোনো আন্তর্জাতিক সমস্যা নিয়ে স্বাধীনভাবে আলোচনা ও বিতর্ক করতে পারে। তাই একে ‘বিশ্বের বিতর্ক সভা’ বা ‘বিশ্ব পার্লামেন্ট’ বলা হয়।


12. নিরাপত্তা পরিষদের গঠন কীরূপ?

উত্তর দেখো

নিরাপত্তা পরিষদ মোট ১৫টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য (ভেটো ক্ষমতাযুক্ত) এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য। অস্থায়ী সদস্যরা সাধারণ সভা দ্বারা ২ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়।


13. ‘ভেটো’ (Veto) বলতে কী বোঝো?

উত্তর দেখো

‘ভেটো’ একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ ‘আমি মানি না’ বা ‘নিষেধ করা’। নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি স্থায়ী সদস্যের (আমেরিকা, রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, চিন) যেকোনো প্রস্তাব এককভাবে বাতিল করার বিশেষ ক্ষমতা আছে, একেই ভেটো বলে।


14. অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ECOSOC) কাজ কী?

উত্তর দেখো

এই পরিষদের কাজ হলো বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন ঘটানো, মানবাধিকার রক্ষা করা, বেকারত্ব দূর করা এবং জাতিপুঞ্জের বিভিন্ন বিশেষ সংস্থার (যেমন WHO, UNESCO) কাজের সমন্বয় করা।


15. অছি পরিষদ (Trusteeship Council) কেন গঠিত হয়েছিল?

উত্তর দেখো

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যেসব অঞ্চল কোনো দেশের অধীনে ছিল না বা পরাধীন ছিল, তাদের দেখাশোনা করা এবং তাদের স্বাধীনতা অর্জনের যোগ্য করে তোলাই ছিল অছি পরিষদের কাজ। বর্তমানে এর কাজ নেই বললেই চলে।


16. আন্তর্জাতিক বিচারালয় (ICJ) সম্পর্কে টীকা লেখো।

উত্তর দেখো

আন্তর্জাতিক বিচারালয় হলো জাতিপুঞ্জের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গ, যা নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। ১৫ জন বিচারক নিয়ে এটি গঠিত। এর কাজ হলো বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিরোধ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা।


17. জাতিপুঞ্জের মহাসচিবের (Secretary General) ক্ষমতা বা কাজ কী?

উত্তর দেখো

মহাসচিব হলেন জাতিপুঞ্জের প্রধান প্রশাসক। তিনি সাধারণ সভা ও নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক আহ্বান করেন, বিশ্বশান্তি বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকলে নিরাপত্তা পরিষদকে সতর্ক করেন এবং আন্তর্জাতিক বিবাদে মধ্যস্থতা করেন।


18. WHO বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাজ কী?

উত্তর দেখো

বিশ্বের মানুষের স্বাস্থ্যের মান উন্নয়ন করাই এর প্রধান কাজ। মহামারী (যেমন ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মা, কোভিড) প্রতিরোধ, স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দরিদ্র দেশগুলোতে ওষুধ ও চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া এর কাজ।


19. UNESCO বা ইউনেস্কোর উদ্দেশ্য কী?

উত্তর দেখো

শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারের মাধ্যমে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা করা এর উদ্দেশ্য। নিরক্ষরতা দূর করা, ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণ (World Heritage Site) এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় এর প্রধান কাজ।


20. UNICEF বা ইউনিসেফের কাজ কী?

উত্তর দেখো

বিশ্বের শিশুদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও শিক্ষার উন্নতি করাই এর কাজ। বিশেষ করে যুদ্ধবিধ্বস্ত ও অনুন্নত দেশের শিশুদের জরুরি খাদ্য, ওষুধ ও শিক্ষা সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া এর প্রধান দায়িত্ব।


21. ILO বা আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কাজ কী?

উত্তর দেখো

শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা, কাজের সময় ও মজুরি নির্ধারণ, শিশুশ্রম বন্ধ করা এবং শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা এর প্রধান কাজ।


22. বিশ্ব মানবাধিকার দিবস (১০ ডিসেম্বর) কেন পালন করা হয়?

উত্তর দেখো

১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিপুঞ্জের সাধারণ সভায় ‘মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা’ (Universal Declaration of Human Rights) গৃহীত হয়। এই ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণ করতেই প্রতি বছর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়।


23. ‘শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব’ (Uniting for Peace Resolution) কী?

উত্তর দেখো

কোরিয়া যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদ ভেটোর কারণে অচল হয়ে পড়লে, ১৯৫০ সালে এই প্রস্তাব গৃহীত হয়। এতে বলা হয়, নিরাপত্তা পরিষদ ব্যর্থ হলে সাধারণ সভা বিশ্বশান্তি রক্ষার জন্য ব্যবস্থা নিতে পারবে।


24. জাতিপুঞ্জের দুটি সাফল্য উল্লেখ করো।

উত্তর দেখো

১. তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ রোধ করা এবং সুয়েজ সংকট, কোরিয়া সংকট প্রভৃতি ক্ষেত্রে মধ্যস্থতা করে শান্তি বজায় রাখা।
২. এশিয়া ও আফ্রিকার বহু দেশকে স্বাধীনতা অর্জনে (বি-ঔপনিবেশায়ন) সাহায্য করা।


25. জাতিপুঞ্জের দুটি ব্যর্থতা উল্লেখ করো।

উত্তর দেখো

১. নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যদের ভেটো ক্ষমতার অপব্যবহার অনেক সময় ন্যায়বিচারকে বাধাগ্রস্ত করেছে।
২. নিজস্ব সেনাবাহিনী না থাকায় আগ্রাসী দেশকে দমন করতে সবসময় সফল হতে পারেনি (যেমন—প্যালেস্টাইন সমস্যা)।


26. জাতিপুঞ্জের বিশেষায়িত সংস্থা (Specialized Agencies) বলতে কী বোঝো?

উত্তর দেখো

জাতিপুঞ্জের মূল অঙ্গগুলি ছাড়াও বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের জন্য কিছু স্বাধীন সংস্থা কাজ করে, যা জাতিপুঞ্জের সাথে যুক্ত। এদের বিশেষায়িত সংস্থা বলে। যেমন—WHO, ILO, FAO।


27. লিগ অফ নেশনস ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের মধ্যে একটি প্রধান পার্থক্য লেখো।

উত্তর দেখো

লিগ অফ নেশনস-এর উদ্যোক্তা হয়েও আমেরিকা এর সদস্য ছিল না, যা লিগ-কে দুর্বল করেছিল। অন্যদিকে, সম্মিলিত জাতিপুঞ্জে আমেরিকা শুরু থেকেই সক্রিয় সদস্য এবং এটি লিগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।


28. FAO (Food and Agriculture Organization)-এর গুরুত্ব কী?

উত্তর দেখো

বিশ্ব থেকে ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূর করা, কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করাই এর গুরুত্ব।


29. ট্রিগভি লি ও উ থান্ট কে ছিলেন?

উত্তর দেখো

ট্রিগভি লি ছিলেন জাতিপুঞ্জের প্রথম মহাসচিব (নরওয়ে থেকে)। আর উ থান্ট ছিলেন জাতিপুঞ্জের তৃতীয় এবং এশিয়ার প্রথম মহাসচিব (মায়ানমার থেকে)।


30. বর্তমানে জাতিপুঞ্জের প্রাসঙ্গিকতা আছে কি?

উত্তর দেখো

হ্যাঁ, অবশ্যই। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ রোধ, সন্ত্রাসবাদ দমন, পরিবেশ রক্ষা এবং মহামারী মোকাবিলায় জাতিপুঞ্জ আজও অপরিহার্য। এটি মানবজাতির শান্তির শেষ আশা।


31. লিগ অফ নেশনস ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের সনদের মধ্যে মূল পার্থক্য কী?

উত্তর দেখো

লিগ অফ নেশনস-এর সংবিধানকে বলা হতো ‘কোভেন্যান্ট’ (Covenant), যাতে ২৬টি ধারা ছিল। অন্যদিকে, সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের সংবিধানকে বলা হয় ‘সনদ’ বা ‘চার্টার’ (Charter), যাতে ১১১টি ধারা আছে। সনদে মানবাধিকার ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে।


32. ‘ভেটো’ ব্যবস্থার দুটি সমালোচনা উল্লেখ করো।

উত্তর দেখো

১. গণতন্ত্র বিরোধী: এটি সকল সদস্য রাষ্ট্রের সমানাধিকারের নীতি লঙ্ঘন করে, কারণ মাত্র ৫টি দেশের হাতে চূড়ান্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
২. নিষ্ক্রিয়তা: অনেক সময় স্থায়ী সদস্যরা নিজেদের স্বার্থে ভেটো দিয়ে ভালো প্রস্তাবও বাতিল করে দেয়, ফলে জাতিপুঞ্জ কোনো ব্যবস্থা নিতে পারে না।


33. ভারত ও জাতিপুঞ্জের সম্পর্ক কেমন?

উত্তর দেখো

ভারত জাতিপুঞ্জের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য। ভারত সবসময় জাতিপুঞ্জের শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠিয়েছে এবং বর্ণবৈষম্যবাদ ও ঔপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে জাতিপুঞ্জে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছে। ভারতের বিজয়লক্ষ্মী পণ্ডিত সাধারণ সভার প্রথম মহিলা সভাপতি ছিলেন।


34. অছি পরিষদ (Trusteeship Council)-এর কাজ বর্তমানে স্থগিত কেন?

উত্তর দেখো

অছি পরিষদের কাজ ছিল পরাধীন অঞ্চলগুলোকে স্বাধীনতা অর্জনে সাহায্য করা। ১৯৯৪ সালে সর্বশেষ অছিভুক্ত অঞ্চল ‘পালাউ’ (Palau) স্বাধীনতা লাভ করার পর পৃথিবীতে আর কোনো অছিভুক্ত অঞ্চল নেই। তাই বর্তমানে এর কাজ স্থগিত রাখা হয়েছে।


35. সাধারণ সভা ও নিরাপত্তা পরিষদের মধ্যে একটি প্রধান পার্থক্য লেখো।

উত্তর দেখো

সাধারণ সভায় প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের (১৯৩টি) সমান ভোট আছে এবং এটি মূলত আলোচনামূলক সংস্থা। অন্যদিকে, নিরাপত্তা পরিষদ মাত্র ১৫টি সদস্য নিয়ে গঠিত এবং এর সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও প্রয়োগ করার ক্ষমতা (বাধ্যতামূলক ক্ষমতা) আছে, যা সাধারণ সভার নেই।


36. ‘শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব’ (Uniting for Peace)-এর গুরুত্ব কী?

উত্তর দেখো

১৯৫০ সালে গৃহীত এই প্রস্তাবের গুরুত্ব হলো—নিরাপত্তা পরিষদে ভেটোর কারণে অচলাবস্থা সৃষ্টি হলে, সাধারণ সভা বিশ্বশান্তি রক্ষার জন্য জরুরি ব্যবস্থা (এমনকি সামরিক পদক্ষেপ) নিতে পারে। এটি সাধারণ সভার ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে।


Leave A Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
শেয়ার