নবম শ্রেণী জীবন বিজ্ঞান: অধ্যায় তিন জৈবনিক প্রক্রিয়া, পর্ব – রেচন, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর মান ২
রেচন: সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (পর্ব-১)
1. রেচন (Excretion) বলতে কী বোঝো?
উত্তর দেখো
যে জৈবনিক প্রক্রিয়ায় জীবদেহে বিপাক ক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন ক্ষতিকারক বর্জ্য পদার্থগুলি দেহ থেকে অপসারিত হয় অথবা অদ্রবণীয় কেলাসরূপে দেহকোষে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে, তাকে রেচন বলে।
2. রেচন ও বর্জ্য ত্যাগের (Egestion/Defecation) মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর দেখো
রেচন হলো কোষে উৎপন্ন বিপাকজাত দূষিত পদার্থের নিষ্কাশন (যেমন—মূত্র, ঘাম)। অন্যদিকে, বর্জ্য ত্যাগ বা মলত্যাগ হলো পৌষ্টিকনালীতে খাদ্যের অপাচ্য অংশ দেহ থেকে বের করে দেওয়া।
3. উদ্ভিদের নির্দিষ্ট কোনো রেচন অঙ্গ থাকে না কেন?
উত্তর দেখো
১. উদ্ভিদের বিপাকীয় হার প্রাণীদের তুলনায় কম, তাই বর্জ্য উৎপাদনের পরিমাণও কম।
২. উদ্ভিদ তার বিপাকজাত বর্জ্য পদার্থের অনেকটাই উপচিতি বিপাকে পুনরায় ব্যবহার করে নেয়।
৩. অনেক বর্জ্য পদার্থ কোশের ভ্যাকুওল বা কলায় কেলাসরূপে জমা থাকে, যা দেহের ক্ষতি করে না।
4. উদ্ভিদ কীভাবে পত্রমোচনের মাধ্যমে রেচন ত্যাগ করে?
উত্তর দেখো
পর্ণমোচী উদ্ভিদরা (যেমন—শিমুল, আমড়া) বছরের নির্দিষ্ট ঋতুতে পাতায় বর্জ্য পদার্থ জমা করে পাতা ঝরিয়ে দেয়। চিরহরিৎ উদ্ভিদরা সারা বছর ধরে অল্প অল্প করে পুরনো পাতা ঝরিয়ে রেচন ত্যাগ করে।
5. বাকল মোচন বা ছাল মোচন কী? উদাহরণ দাও।
উত্তর দেখো
কিছু উদ্ভিদ তাদের কান্ড বা শাখার বাকল বা ছালে রেচন পদার্থ জমা করে রাখে। পরে নির্দিষ্ট সময় অন্তর সেই বাকল দেহ থেকে খসে পড়ে। একে বাকল মোচন বলে।
উদাহরণ: পেয়ারা, অর্জুন, ইউক্যালিপটাস।
6. উপক্ষার (Alkaloid) কাকে বলে? দুটি উদাহরণ দাও।
উত্তর দেখো
উদ্ভিদদেহে প্রোটিন বিপাকের ফলে সৃষ্ট নাইট্রোজেনযুক্ত জটিল জৈব রেচন পদার্থ, যা ক্ষারধর্মী এবং মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, তাদের উপক্ষার বলে।
উদাহরণ: কুইনাইন, রেসারপিন, মরফিন।
7. রজন (Resin) কী? এর অর্থকরী গুরুত্ব লেখো।
উত্তর দেখো
রজন হলো উদ্ভিদের নাইট্রোজেনবিহীন, জলে অদ্রবণীয় কিন্তু অ্যালকোহলে দ্রবণীয় এক প্রকার রেচন পদার্থ (যেমন—ধুনো, হিং)।
গুরুত্ব: কাষ্ঠশিল্পে বার্নিশ ও পালিশ করার কাজে এবং সাবান ও ফিনাইল তৈরিতে রজন ব্যবহৃত হয়।
8. গদ বা গঁদ (Gum) কী? এটি কোন কাজে লাগে?
উত্তর দেখো
উদ্ভিদ কোশপ্রাচীরের সেলুলোজ বিনষ্ট হয়ে যে নাইট্রোজেনবিহীন, জলে দ্রবণীয় আঠালো রেচন পদার্থ তৈরি হয়, তাকে গদ বলে।
ব্যবহার: বই বাঁধাই শিল্পে আঠা হিসেবে এবং ক্যালিকো প্রিন্টিং শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
9. তরুক্ষীর বা ল্যাটেক্স (Latex) কী? এর গুরুত্ব লেখো।
উত্তর দেখো
বট, রবার, কাঁঠাল প্রভৃতি গাছের ক্ষীরনালী বা ল্যাটিসিফেরাস কলায় সঞ্চিত সাদা দুধের মতো জলীয় মিশ্রণকে তরুক্ষীর বলে।
গুরুত্ব: হিলিয়া বা প্যারা রবার গাছের তরুক্ষীর থেকে বাণিজ্যিক রবার প্রস্তুত হয়, যা দিয়ে টায়ার, ইরেজার ইত্যাদি তৈরি হয়।
10. ট্যানিন (Tannin) কী? এর ব্যবহার উল্লেখ করো।
উত্তর দেখো
ট্যানিন হলো এক প্রকার নাইট্রোজেনবিহীন, কষায় স্বাদযুক্ত কার্বনঘটিত রেচন পদার্থ, যা চা পাতা, হরিতকী বা বহেরার ফলের ত্বকে থাকে।
ব্যবহার: এটি চামড়া পাকা করতে এবং কালির রং প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়।
11. কচু বা ওল খেলে গলা চুলকায় কেন?
উত্তর দেখো
কচু বা ওল গাছের কোশে ক্যালসিয়াম অক্সালেটের সূঁচের মতো কেলাস বা র্যাফাইড (Raphide) থাকে। এগুলি খাওয়ার সময় গলার নরম অংশে বিঁধে যায় বলে গলা চুলকায়। লেবুর রস বা অ্যাসিড জাতীয় কিছু খেলে এই কেলাস গলে যায়।
12. সিস্টোলিথ (Cystolith) কী?
উত্তর দেখো
বট বা রবার গাছের পাতার ত্বকে ক্যালসিয়াম কার্বনেটের কেলাস আঙ্গুরের থোকার মতো ঝুলে থাকে। একে সিস্টোলিথ বলে। এটি উদ্ভিদদেহে বর্জ্য হিসেবে সঞ্চিত থাকে।
13. রেসারপিন ও কুইনাইনের উৎস ও কাজ উল্লেখ করো।
উত্তর দেখো
১. রেসারপিন: সর্পগন্ধা গাছের মূলে পাওয়া যায়। উচ্চ রক্তচাপ কমাতে ব্যবহৃত হয়।
২. কুইনাইন: সিঙ্কোনা গাছের ছালে পাওয়া যায়। ম্যালেরিয়া রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
14. নিকোটিন ও মরফিনের উৎস ও কাজ উল্লেখ করো।
উত্তর দেখো
১. নিকোটিন: তামাক গাছের পাতায় পাওয়া যায়। এটি মাদকদ্রব্য তৈরিতে এবং কীটনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. মরফিন: আফিম গাছের কাঁচা ফলের ত্বকে পাওয়া যায়। এটি তীব্র ব্যথানাশক ও গাঢ় ঘুমের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
15. ডাটুরিন ও অ্যাট্রোপিন-এর উৎস ও কাজ লেখো।
উত্তর দেখো
১. ডাটুরিন: ধুতুরা গাছের পাতা ও ফলে পাওয়া যায়। হাঁপানির ওষুধ তৈরিতে লাগে।
২. অ্যাট্রোপিন: বেলেডোনা গাছের পাতা ও মূলে পাওয়া যায়। চোখের মণি বা তারারন্ধ্র প্রসারণে এবং স্নায়ুতন্ত্রের উদ্দীপক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
16. গদ ও রজনের মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো।
উত্তর দেখো
১. দ্রাব্যতা: গদ জলে দ্রবণীয় কিন্তু অ্যালকোহলে অদ্রবণীয়। রজন জলে অদ্রবণীয় কিন্তু অ্যালকোহলে দ্রবণীয়।
২. উৎস: গদ সেলুলোজ বিশ্লিষ্ট হয়ে উৎপন্ন হয় (বাবলা)। রজন রজননালীতে উৎপন্ন হয় (পাইন)।
17. প্যাপাইন (Papain) কী? এর কাজ কী?
উত্তর দেখো
পেঁপে গাছের তরুক্ষীরে অবস্থিত এক প্রকার প্রোটিন ভঙ্গক উৎসেচক হলো প্যাপাইন। এটি প্রোটিন পরিপাকে সাহায্য করে এবং হজমের ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
18. ক্যাফেইন ও স্ট্রিকনিন-এর উৎস ও গুরুত্ব লেখো।
উত্তর দেখো
১. ক্যাফেইন: কফি গাছের বীজে পাওয়া যায়। এটি ব্যথা উপশমে ও স্নায়ু উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে।
২. স্ট্রিকনিন: কুচিলা গাছের বীজে পাওয়া যায়। এটি পেটের পীড়ায় ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
19. অ্যামিবা ও কেঁচোর রেচন অঙ্গের নাম কী?
উত্তর দেখো
১. অ্যামিবা: সংকোচনশীল গহ্বর (Contractile Vacuole) এবং দেহতল বা প্লাজমা পর্দা।
২. কেঁচো: নেফ্রিডিয়া (Nephridia)।
20. আরশোলা ও চিংড়ির রেচন অঙ্গের নাম লেখো।
উত্তর দেখো
১. আরশোলা: ম্যালপিজিয়ান নালিকা (Malpighian Tubules)।
২. চিংড়ি: সবুজ গ্রন্থি বা অ্যান্টিনাল গ্ল্যান্ড (Green Gland)।
21. মানুষের বৃক্কের দুটি প্রধান কাজ উল্লেখ করো।
উত্তর দেখো
১. নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য অপসারণ: রক্ত থেকে ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড, ক্রিয়েটিনিন ছেঁকে নিয়ে মূত্র উৎপাদন ও নির্গমন করা।
২. সাম্যতা রক্ষা: দেহে জলের ভারসাম্য এবং রক্তের অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য বজায় রাখা।
22. নেফ্রন (Nephron) কী? এর প্রধান অংশগুলি কী কী?
উত্তর দেখো
সংজ্ঞা: বৃক্কের গঠনগত ও কার্যগত একক, যা রক্ত থেকে মূত্র উৎপাদন করে, তাকে নেফ্রন বলে।
অংশ: প্রধানত দুটি অংশ—(১) ম্যালপিজিয়ান করপাসল (বোম্যানস ক্যাপসুল ও গ্লোমেরুলাস) এবং (২) বৃক্কীয় নালিকা (PCT, হেনলির লুপ, DCT)।
23. গ্লোমেরুলাস ও বোম্যানস ক্যাপসুলের কাজ কী?
উত্তর দেখো
গ্লোমেরুলাস: রক্তের পরাপরিশ্রাবক (Ultrafilter) হিসেবে কাজ করে রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ও জল ছেঁকে নেয়।
বোম্যানস ক্যাপসুল: পরিশ্রুত তরল বা গ্লোমেরুলার ফিলট্রেট সংগ্রহ করে বৃক্কীয় নালিকায় প্রেরণ করে।
24. ম্যালপিজিয়ান করপাসল কী নিয়ে গঠিত?
উত্তর দেখো
নেফ্রনের অগ্রপ্রান্তে অবস্থিত পেয়ালার মতো বোম্যানস ক্যাপসুল এবং তার ভেতরে অবস্থিত রক্তজালক গুচ্ছ বা গ্লোমেরুলাস—এই দুই অংশ নিয়ে ম্যালপিজিয়ান করপাসল গঠিত।
25. পরাপরিশ্রাবণ বা আল্ট্রাফিলট্রেশন (Ultrafiltration) বলতে কী বোঝো?
উত্তর দেখো
বৃক্কের গ্লোমেরুলাসে রক্তের উচ্চচাপের ফলে রক্তরস থেকে প্রোটিন ও ফ্যাট ছাড়া জল, ইউরিয়া, গ্লুকোজ, খনিজ লবণ ইত্যাদি সূক্ষ্ম ছিদ্রপথে চুঁইয়ে বোম্যানস ক্যাপসুলে প্রবেশ করে। এই প্রক্রিয়াকে পরাপরিশ্রাবণ বলে।
26. পুনঃশোষণ (Reabsorption) কাকে বলে? এটি কোথায় ঘটে?
উত্তর দেখো
বৃক্কীয় নালিকার বিভিন্ন অংশে গ্লোমেরুলার ফিলট্রেট থেকে দেহের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলি (যেমন- গ্লুকোজ, জল, অ্যামাইনো অ্যাসিড) পুনরায় রক্তে শোষিত হওয়ার পদ্ধতিকে পুনঃশোষণ বলে। এটি প্রধানত পরাসংবর্ত নালিকায় (PCT) ঘটে।
27. নালিকা নিঃসরণ বা ক্ষরণ (Tubular Secretion) কী?
উত্তর দেখো
বৃক্কীয় নালিকার প্রাচীর সংলগ্ন রক্তজালক থেকে কিছু ক্ষতিকারক পদার্থ (যেমন- ক্রিয়েটিনিন, $H^+$, $K^+$) সরাসরি নালিকার গহ্বরে নির্গত হয়ে মূত্রের সঙ্গে মিশে যায়। একে নালিকা নিঃসরণ বলে।
28. যকৃৎকে ‘সুসজ্জ্তি জৈব রসায়নাগার’ বা রেচন অঙ্গ বলা হয় কেন?
উত্তর দেখো
যকৃৎ অরনিথিন চক্রের মাধ্যমে ক্ষতিকারক ও বেশি বিষাক্ত অ্যামোনিয়া থেকে কম বিষাক্ত ইউরিয়া সংশ্লেষ করে। এছাড়া এটি হিমোগ্লোবিন ভেঙে বিলিরুবিন ও বিলিভার্ডিন নামক পিত্তরঞ্জক তৈরি করে দেহ থেকে বর্জ্য অপসারণে সাহায্য করে। তাই যকৃৎকে রেচন অঙ্গ বলা হয়।
29. ফুসফুস ও চর্মের রেচন ভূমিকা উল্লেখ করো।
উত্তর দেখো
১. ফুসফুস: নিঃশ্বাস বায়ুর মাধ্যমে দেহ থেকে প্রচুর পরিমাণে $CO_2$ এবং জলীয় বাষ্প বর্জন করে।
২. চর্ম: ঘর্মগ্রন্থির মাধ্যমে ঘাম নিঃসরণ করে জল, খনিজ লবণ (NaCl) এবং সামান্য ইউরিয়া দেহ থেকে বের করে দেয়।
30. মূত্রের দুটি অস্বাভাবিক উপাদানের নাম লেখো এবং তাদের উপস্থিতির কারণ বলো।
উত্তর দেখো
১. গ্লুকোজ: ডায়াবেটিস মেলিটাস বা মধুমেহ রোগ হলে মূত্রে গ্লুকোজ থাকে (গ্লাইকোসুরিয়া)।
২. প্রোটিন (অ্যালবুমিন): বৃক্কের গ্লোমেরুলাস ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা নেফ্রাইটিস হলে মূত্রে প্রোটিন পাওয়া যায় (প্রোটিনুরিয়া)।
31. অ্যামোনিওটেলিক ও ইউরিওটেলিক প্রাণী কাদের বলে?
উত্তর দেখো
অ্যামোনিওটেলিক: যাদের প্রধান রেচন পদার্থ অ্যামোনিয়া। উদাহরণ: অস্থিযুক্ত মাছ, অ্যামিবা।
ইউরিওটেলিক: যাদের প্রধান রেচন পদার্থ ইউরিয়া। উদাহরণ: মানুষ, ব্যাঙ, স্তন্যপায়ী প্রাণী।
32. ইউরিকোটেলিক প্রাণী কাদের বলে? উদাহরণ দাও।
উত্তর দেখো
যেসকল প্রাণীর প্রধান নাইট্রোজেনঘটিত রেচন পদার্থ হলো ইউরিক অ্যাসিড, তাদের ইউরিকোটেলিক প্রাণী বলে। এরা সাধারণত অর্ধ-কঠিন মল ত্যাগ করে।
উদাহরণ: পাখি, সরীসৃপ, পতঙ্গ।
33. ADH এর সম্পূর্ণ নাম কী? রেচনে এর ভূমিকা কী?
উত্তর দেখো
নাম: অ্যান্টি-ডাইইউরেটিক হরমোন (Antidiuretic Hormone)।
ভূমিকা: এটি বৃক্কীয় নালিকা থেকে জলের পুনঃশোষণ বাড়িয়ে মূত্রের পরিমাণ কমায়। এর অভাবে বহুমূত্র রোগ হয়।
34. হিমোডায়ালাইসিস (Hemodialysis) বলতে কী বোঝো?
উত্তর দেখো
বৃক্ক সম্পূর্ণ বিকল হয়ে গেলে যে কৃত্রিম যন্ত্রের (ডায়ালাইজার) সাহায্যে রোগীর ধমনী থেকে রক্ত বের করে আংশিক ভেদ্য পর্দার মাধ্যমে শোধন করে ক্ষতিকারক বর্জ্য (ইউরিয়া) অপসারণ করা হয় এবং পুনরায় শিরায় ফেরত পাঠানো হয়, তাকে হিমোডায়ালাইসিস বলে।
35. রেচন ও ক্ষরণের (Secretion) মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর দেখো
রেচন: এটি অপচিতি বিপাকের ফলে সৃষ্ট ক্ষতিকারক বর্জ্য পদার্থের নিষ্কাশন (যেমন- মূত্র)।
ক্ষরণ: এটি কোশ বা গ্রন্থি থেকে উৎপন্ন উপকারী তরল পদার্থের নিঃসরণ (যেমন- উৎসেচক, হরমোন, লালারস), যা দেহের কাজে লাগে।
36. কিডনি পাথর বা বৃক্কীয় অশ্মরী (Kidney Stone) কী?
উত্তর দেখো
বৃক্কের পেলভিসে বা মূত্রনালীতে ক্যালসিয়াম অক্সালেট, ইউরিক অ্যাসিড বা ফসফেটের কেলাস জমে যে কঠিন পাথরের মতো পদার্থ সৃষ্টি করে এবং মূত্রত্যাগে বাধার সৃষ্টি করে, তাকে কিডনি পাথর বলে।