সপ্তম শ্রেণী: পরিবেশ ও বিজ্ঞান, অধ্যায় ৮: পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য, ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন ও উত্তর (মান ৩ বা ৫)
অধ্যায় ৮: পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য — ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন ও উত্তর (মান ৩/৫)
1. মশা নিয়ন্ত্রণে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে? (জৈবিক ও রাসায়নিক পদ্ধতি)
উত্তর:
মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য নিম্নলিখিত ব্যবস্থাগুলি নেওয়া যায়:
১. জমা জল পরিষ্কার: বাড়ির আশেপাশে টব, টায়ার বা নারকেলের খোলায় যাতে জল না জমে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে, কারণ জমা জলে মশা ডিম পাড়ে।
২. জৈবিক দমন (Biological Control): নর্দমা বা ডোবার জলে গাপ্পি, শোল, ল্যাটা বা খলসে মাছ ছেড়ে দেওয়া উচিত। এই মাছেরা মশার লার্ভা খেয়ে মশার বংশবিস্তার রোধ করে।
৩. রাসায়নিক দমন: মশার লার্ভা মারার জন্য জলে ব্লিচিং পাউডার, মশা মারার তেল বা কীটনাশক স্প্রে করা যেতে পারে।
৪. সচেতনতা: মশারি টাঙিয়ে ঘুমানো এবং সন্ধ্যায় ধুনো দেওয়া।
মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য নিম্নলিখিত ব্যবস্থাগুলি নেওয়া যায়:
১. জমা জল পরিষ্কার: বাড়ির আশেপাশে টব, টায়ার বা নারকেলের খোলায় যাতে জল না জমে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে, কারণ জমা জলে মশা ডিম পাড়ে।
২. জৈবিক দমন (Biological Control): নর্দমা বা ডোবার জলে গাপ্পি, শোল, ল্যাটা বা খলসে মাছ ছেড়ে দেওয়া উচিত। এই মাছেরা মশার লার্ভা খেয়ে মশার বংশবিস্তার রোধ করে।
৩. রাসায়নিক দমন: মশার লার্ভা মারার জন্য জলে ব্লিচিং পাউডার, মশা মারার তেল বা কীটনাশক স্প্রে করা যেতে পারে।
৪. সচেতনতা: মশারি টাঙিয়ে ঘুমানো এবং সন্ধ্যায় ধুনো দেওয়া।
2. সাধারণ মাছি (Housefly) কীভাবে রোগ ছড়ায়? পদ্ধতিটি বর্ণনা করো।
উত্তর:
মাছি মূলত দুটি পদ্ধতিতে রোগ ছড়ায়:
১. যান্ত্রিক পদ্ধতি: মাছিরা নোংরা আবর্জনা, মলমূত্র বা কফের ওপর বসে। তখন তাদের লোমশ পা ও ডানায় অসংখ্য রোগজীবাণু আটকে যায়। এরপর তারা যখন আমাদের খাবারে বসে, তখন সেই জীবাণু খাবারে মিশে যায়।
২. বমন ও মলত্যাগ: মাছি কোনো কঠিন খাবার খাওয়ার সময় তার ওপর লালাবমি করে খাবারটিকে নরম করে নেয়। আবার খাওয়ার সময় তারা খাবারের ওপর মলত্যাগও করে। এই বমি ও মলের মাধ্যমে তাদের পেটের ভেতরের জীবাণু খাবারে মিশে যায় এবং কলেরা, টাইফয়েড বা ডায়রিয়া ছড়ায়।
মাছি মূলত দুটি পদ্ধতিতে রোগ ছড়ায়:
১. যান্ত্রিক পদ্ধতি: মাছিরা নোংরা আবর্জনা, মলমূত্র বা কফের ওপর বসে। তখন তাদের লোমশ পা ও ডানায় অসংখ্য রোগজীবাণু আটকে যায়। এরপর তারা যখন আমাদের খাবারে বসে, তখন সেই জীবাণু খাবারে মিশে যায়।
২. বমন ও মলত্যাগ: মাছি কোনো কঠিন খাবার খাওয়ার সময় তার ওপর লালাবমি করে খাবারটিকে নরম করে নেয়। আবার খাওয়ার সময় তারা খাবারের ওপর মলত্যাগও করে। এই বমি ও মলের মাধ্যমে তাদের পেটের ভেতরের জীবাণু খাবারে মিশে যায় এবং কলেরা, টাইফয়েড বা ডায়রিয়া ছড়ায়।
3. ম্যালেরিয়া এবং ডেঙ্গু রোগের লক্ষণগুলির তুলনা করো।
উত্তর:
| বিষয় | ম্যালেরিয়া | ডেঙ্গু |
|---|---|---|
| জ্বরের প্রকৃতি | হঠাৎ কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে এবং কিছুক্ষণ পর ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে যায়। এটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফিরে আসে। | একটানা প্রবল জ্বর থাকে। একে ‘হাড়ভাঙা জ্বর’ বলা হয়। |
| অন্যান্য লক্ষণ | মাথা ধরা, লিভার ও প্লীহা বড় হয়ে যাওয়া, রক্তাল্পতা দেখা দেওয়া। | সারা শরীরে ব্যথা, চোখের পিছনে ব্যথা, চামড়ায় লাল র্যাশ এবং রক্তে প্লেটলেট কমে যাওয়া। |
4. জলবাহিত রোগ প্রতিরোধের উপায়গুলি আলোচনা করো।
উত্তর:
জলবাহিত রোগ (যেমন কলেরা, ডায়রিয়া) প্রতিরোধের উপায়:
১. জল ফুটিয়ে পান করা: পানীয় জলকে অন্তত ২০ মিনিট ফুটিয়ে ঠান্ডা করে পান করতে হবে।
২. হ্যালোজেন ট্যাবলেট: জল ফোটানো সম্ভব না হলে হ্যালোজেন বা ক্লোরিন ট্যাবলেট মিশিয়ে জল বিশুদ্ধ করতে হবে।
৩. পরিচ্ছন্নতা: শৌচকর্মের পর এবং খাবার খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুতে হবে।
৪. খাদ্য ঢেকে রাখা: মাছি যাতে খাবারে বসতে না পারে, তার জন্য খাবার সর্বদা ঢেকে রাখা উচিত।
জলবাহিত রোগ (যেমন কলেরা, ডায়রিয়া) প্রতিরোধের উপায়:
১. জল ফুটিয়ে পান করা: পানীয় জলকে অন্তত ২০ মিনিট ফুটিয়ে ঠান্ডা করে পান করতে হবে।
২. হ্যালোজেন ট্যাবলেট: জল ফোটানো সম্ভব না হলে হ্যালোজেন বা ক্লোরিন ট্যাবলেট মিশিয়ে জল বিশুদ্ধ করতে হবে।
৩. পরিচ্ছন্নতা: শৌচকর্মের পর এবং খাবার খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুতে হবে।
৪. খাদ্য ঢেকে রাখা: মাছি যাতে খাবারে বসতে না পারে, তার জন্য খাবার সর্বদা ঢেকে রাখা উচিত।
5. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বা Waste Management-এর 4R পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা করো।
উত্তর:
পরিবেশ দূষণ রোধে বর্জ্য কমানোর চারটি নীতি হলো 4R:
১. Reduce (কমানো): যে সমস্ত জিনিস বর্জ্য বাড়ায় (যেমন প্লাস্টিক), তাদের ব্যবহার কমানো।
২. Reuse (পুনর্ব্যবহার): কোনো জিনিস একবার ব্যবহার করে ফেলে না দিয়ে বারবার ব্যবহার করা (যেমন- জলের বোতলে গাছ লাগানো)।
৩. Recycle (পুনর্নবীকরণ): পুরনো জিনিস (লোহা, কাগজ, প্লাস্টিক) কারখানায় গলিয়ে নতুন জিনিস তৈরি করা।
৪. Refuse (প্রত্যাখ্যান): পরিবেশের ক্ষতি করে এমন জিনিস (পলিথিন ব্যাগ) ব্যবহার করতে অস্বীকার করা।
পরিবেশ দূষণ রোধে বর্জ্য কমানোর চারটি নীতি হলো 4R:
১. Reduce (কমানো): যে সমস্ত জিনিস বর্জ্য বাড়ায় (যেমন প্লাস্টিক), তাদের ব্যবহার কমানো।
২. Reuse (পুনর্ব্যবহার): কোনো জিনিস একবার ব্যবহার করে ফেলে না দিয়ে বারবার ব্যবহার করা (যেমন- জলের বোতলে গাছ লাগানো)।
৩. Recycle (পুনর্নবীকরণ): পুরনো জিনিস (লোহা, কাগজ, প্লাস্টিক) কারখানায় গলিয়ে নতুন জিনিস তৈরি করা।
৪. Refuse (প্রত্যাখ্যান): পরিবেশের ক্ষতি করে এমন জিনিস (পলিথিন ব্যাগ) ব্যবহার করতে অস্বীকার করা।
6. কলেরা রোগের লক্ষণ কী? এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে কীভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়?
উত্তর:
লক্ষণ:
১. চাল ধোয়া জলের মতো অনবরত পাতলা পায়খানা।
২. বারবার বমি হওয়া এবং পেটে ব্যথা না থাকা।
৩. শরীর থেকে জল বেরিয়ে যাওয়ায় চামড়া কুঁচকে যাওয়া এবং হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া।
চিকিৎসা: শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়া জল ও লবণের ঘাটতি পূরণ করতে রোগীকে ঘনঘন ORS (Oral Rehydration Solution) বা নুন-চিনির জল খাওয়াতে হবে এবং দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।
লক্ষণ:
১. চাল ধোয়া জলের মতো অনবরত পাতলা পায়খানা।
২. বারবার বমি হওয়া এবং পেটে ব্যথা না থাকা।
৩. শরীর থেকে জল বেরিয়ে যাওয়ায় চামড়া কুঁচকে যাওয়া এবং হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া।
চিকিৎসা: শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়া জল ও লবণের ঘাটতি পূরণ করতে রোগীকে ঘনঘন ORS (Oral Rehydration Solution) বা নুন-চিনির জল খাওয়াতে হবে এবং দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।
7. যান্ত্রিক বাহক এবং জৈব বাহকের মধ্যে পার্থক্য কী? উদাহরণ দাও।
উত্তর:
যান্ত্রিক বাহক (Mechanical Vector): যে সব প্রাণী কেবল তাদের শরীরের বাইরের অংশে (পা, ডানা) জীবাণু বহন করে কিন্তু জীবাণুটি তাদের শরীরের ভেতরে প্রবেশ করে না বা বংশবৃদ্ধি করে না। যেমন— সাধারণ মাছি।
জৈব বাহক (Biological Vector): যে সব প্রাণীর শরীরের ভেতরে জীবাণু প্রবেশ করে, বংশবৃদ্ধি করে এবং তাদের জীবনচক্রের একটি অংশ সম্পন্ন করে। যেমন— অ্যানোফিলিস মশা (ম্যালেরিয়ার জীবাণু মশার পেটে বংশবৃদ্ধি করে)।
যান্ত্রিক বাহক (Mechanical Vector): যে সব প্রাণী কেবল তাদের শরীরের বাইরের অংশে (পা, ডানা) জীবাণু বহন করে কিন্তু জীবাণুটি তাদের শরীরের ভেতরে প্রবেশ করে না বা বংশবৃদ্ধি করে না। যেমন— সাধারণ মাছি।
জৈব বাহক (Biological Vector): যে সব প্রাণীর শরীরের ভেতরে জীবাণু প্রবেশ করে, বংশবৃদ্ধি করে এবং তাদের জীবনচক্রের একটি অংশ সম্পন্ন করে। যেমন— অ্যানোফিলিস মশা (ম্যালেরিয়ার জীবাণু মশার পেটে বংশবৃদ্ধি করে)।
8. প্লাস্টিক দূষণ পরিবেশের কী কী ক্ষতি করে?
উত্তর:
১. মাটির ক্ষতি: প্লাস্টিক মাটিতে মিশে না, ফলে মাটির জল ধারণ ক্ষমতা ও উর্বরতা কমে যায়। গাছের শিকড় নিচে যেতে পারে না।
২. নিকাশি সমস্যা: শহরে নর্দমা বা ড্রেনে প্লাস্টিক জমে জল জমে যায়, যা মশা ও রোগের আঁতুড়ঘর হয়।
৩. প্রাণী ও মানুষের ক্ষতি: প্লাস্টিক পোড়ালে বিষাক্ত গ্যাস বের হয় যা শ্বাসকষ্ট ও ক্যান্সার ঘটায়। গরু বা ছাগল প্লাস্টিক খেয়ে মারাও যেতে পারে।
১. মাটির ক্ষতি: প্লাস্টিক মাটিতে মিশে না, ফলে মাটির জল ধারণ ক্ষমতা ও উর্বরতা কমে যায়। গাছের শিকড় নিচে যেতে পারে না।
২. নিকাশি সমস্যা: শহরে নর্দমা বা ড্রেনে প্লাস্টিক জমে জল জমে যায়, যা মশা ও রোগের আঁতুড়ঘর হয়।
৩. প্রাণী ও মানুষের ক্ষতি: প্লাস্টিক পোড়ালে বিষাক্ত গ্যাস বের হয় যা শ্বাসকষ্ট ও ক্যান্সার ঘটায়। গরু বা ছাগল প্লাস্টিক খেয়ে মারাও যেতে পারে।
9. আর্সেনিক ও ফ্লোরাইড দূষণের প্রভাবগুলি লেখো।
উত্তর:
আর্সেনিক দূষণ: পানীয় জলে আর্সেনিক থাকলে হাতের তালু ও পায়ের তলায় কালো ছোপ পড়ে ও ঘা হয় (Blackfoot Disease)। এছাড়া ত্বকের ক্যান্সার হতে পারে।
ফ্লোরাইড দূষণ: পানীয় জলে অতিরিক্ত ফ্লোরাইড থাকলে দাঁতে ছোপ পড়ে এবং দাঁত ক্ষয়ে যায়। হাড় দুর্বল হয়ে বেঁকে যায় এবং হাড়ের জোড়ায় ব্যথা হয় (Fluorosis)।
আর্সেনিক দূষণ: পানীয় জলে আর্সেনিক থাকলে হাতের তালু ও পায়ের তলায় কালো ছোপ পড়ে ও ঘা হয় (Blackfoot Disease)। এছাড়া ত্বকের ক্যান্সার হতে পারে।
ফ্লোরাইড দূষণ: পানীয় জলে অতিরিক্ত ফ্লোরাইড থাকলে দাঁতে ছোপ পড়ে এবং দাঁত ক্ষয়ে যায়। হাড় দুর্বল হয়ে বেঁকে যায় এবং হাড়ের জোড়ায় ব্যথা হয় (Fluorosis)।
10. মানসিক স্বাস্থ্য বা Mental Health ভালো রাখার উপায়গুলি কী কী?
উত্তর:
১. নিয়মিত শরীরচর্চা ও খেলাধুলা করা।
২. সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত ঘুমানো।
৩. নিজের ভালোলাগার কাজ (শখ) করা, যেমন— ছবি আঁকা, গান শোনা।
৪. মনের কথা বা সমস্যা চেপে না রেখে বিশ্বাসভাজন বন্ধু বা বড়দের সাথে খুলে বলা।
৫. মোবাইল বা গেমসে আসক্ত না হয়ে পরিবারের সাথে সময় কাটানো।
১. নিয়মিত শরীরচর্চা ও খেলাধুলা করা।
২. সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত ঘুমানো।
৩. নিজের ভালোলাগার কাজ (শখ) করা, যেমন— ছবি আঁকা, গান শোনা।
৪. মনের কথা বা সমস্যা চেপে না রেখে বিশ্বাসভাজন বন্ধু বা বড়দের সাথে খুলে বলা।
৫. মোবাইল বা গেমসে আসক্ত না হয়ে পরিবারের সাথে সময় কাটানো।
11. মশার জীবনচক্রের ধাপগুলি একটি রেখাচিত্রের সাহায্যে দেখাও এবং লার্ভা দশাটি বর্ণনা করো।
উত্তর:
জীবনচক্র: ডিম $\rightarrow$ লার্ভা (শূককীট) $\rightarrow$ পিউপা (মূককীট) $\rightarrow$ পূর্ণাঙ্গ মশা।
লার্ভা দশা: ডিম ফুটে লার্ভা বের হয়। এরা জলে সাঁতার কাটে। এদের কোনো ডানা বা পা থাকে না। এরা জলের শ্যাওলা খেয়ে বেঁচে থাকে এবং নির্দিষ্ট সময় পর পিউপা বা মূককীটে পরিণত হয়।
জীবনচক্র: ডিম $\rightarrow$ লার্ভা (শূককীট) $\rightarrow$ পিউপা (মূককীট) $\rightarrow$ পূর্ণাঙ্গ মশা।
লার্ভা দশা: ডিম ফুটে লার্ভা বের হয়। এরা জলে সাঁতার কাটে। এদের কোনো ডানা বা পা থাকে না। এরা জলের শ্যাওলা খেয়ে বেঁচে থাকে এবং নির্দিষ্ট সময় পর পিউপা বা মূককীটে পরিণত হয়।
12. পাস্টুরাইজেশন পদ্ধতিটি বিস্তারিত লেখো। এটি কেন করা হয়?
উত্তর:
পদ্ধতি: বিজ্ঞানী লুই পাস্তুরের নামানুসারে এই পদ্ধতিতে তরল খাবারকে (দুধ) প্রথমে একটি নির্দিষ্ট উচ্চ তাপমাত্রায় (প্রায় ৬২.৮°C – ৭২°C) কিছুক্ষণ ফোটানো হয় এবং সঙ্গে সঙ্গে খুব দ্রুত তাপমাত্রা কমিয়ে ঠান্ডা করা হয়।
উদ্দেশ্য: এর ফলে দুধের মধ্যে থাকা ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়াগুলি মারা যায় এবং দুধের পুষ্টিগুণ নষ্ট না হয়ে অনেকদিন ভালো থাকে।
পদ্ধতি: বিজ্ঞানী লুই পাস্তুরের নামানুসারে এই পদ্ধতিতে তরল খাবারকে (দুধ) প্রথমে একটি নির্দিষ্ট উচ্চ তাপমাত্রায় (প্রায় ৬২.৮°C – ৭২°C) কিছুক্ষণ ফোটানো হয় এবং সঙ্গে সঙ্গে খুব দ্রুত তাপমাত্রা কমিয়ে ঠান্ডা করা হয়।
উদ্দেশ্য: এর ফলে দুধের মধ্যে থাকা ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়াগুলি মারা যায় এবং দুধের পুষ্টিগুণ নষ্ট না হয়ে অনেকদিন ভালো থাকে।
13. যক্ষা (Tuberculosis) রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার লেখো।
উত্তর:
লক্ষণ:
১. দীর্ঘস্থায়ী কাশি ও জ্বর (বিশেষ করে বিকেলের দিকে)।
২. কাশির সাথে কফ ও রক্ত পড়া।
৩. ওজন কমে যাওয়া ও বুকে ব্যথা।
প্রতিকার:
১. শিশুদের জন্মের পর বি.সি.জি (BCG) টিকা দেওয়া।
২. DOTS পদ্ধতিতে নিয়মিত ওষুধ খেয়ে চিকিৎসার কোর্স পূর্ণ করা।
লক্ষণ:
১. দীর্ঘস্থায়ী কাশি ও জ্বর (বিশেষ করে বিকেলের দিকে)।
২. কাশির সাথে কফ ও রক্ত পড়া।
৩. ওজন কমে যাওয়া ও বুকে ব্যথা।
প্রতিকার:
১. শিশুদের জন্মের পর বি.সি.জি (BCG) টিকা দেওয়া।
২. DOTS পদ্ধতিতে নিয়মিত ওষুধ খেয়ে চিকিৎসার কোর্স পূর্ণ করা।
14. বিজ্ঞানী এডওয়ার্ড জেনার এবং রোনাল্ড রসের অবদান সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তর:
এডওয়ার্ড জেনার: তিনি ১৭৯৬ সালে লক্ষ্য করেন যে গো-বসন্ত হওয়া ব্যক্তিদের আর গুটি বসন্ত হয় না। সেখান থেকে তিনি বসন্ত রোগের টিকা (Vaccine) আবিষ্কার করেন, যা লক্ষ লক্ষ প্রাণ বাঁচিয়েছে।
রোনাল্ড রস: তিনি কলকাতায় গবেষণা করে প্রমাণ করেন যে ম্যালেরিয়া রোগ বাতাসের কারণে নয়, বরং স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এই আবিষ্কারের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান।
এডওয়ার্ড জেনার: তিনি ১৭৯৬ সালে লক্ষ্য করেন যে গো-বসন্ত হওয়া ব্যক্তিদের আর গুটি বসন্ত হয় না। সেখান থেকে তিনি বসন্ত রোগের টিকা (Vaccine) আবিষ্কার করেন, যা লক্ষ লক্ষ প্রাণ বাঁচিয়েছে।
রোনাল্ড রস: তিনি কলকাতায় গবেষণা করে প্রমাণ করেন যে ম্যালেরিয়া রোগ বাতাসের কারণে নয়, বরং স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এই আবিষ্কারের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান।
15. বাড়িতে মশা জন্মানো আটকাতে তুমি কী কী পদক্ষেপ নেবে?
উত্তর:
১. বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, কুলারের জল বা পুরনো টায়ারে যাতে জল না জমে সেদিকে খেয়াল রাখব।
২. জলের ট্যাঙ্ক বা চৌবাচ্চা নিয়মিত পরিষ্কার করব এবং ঢেকে রাখব।
৩. বাড়ির আশেপাশের জঙ্গল বা ঝোপঝাড় পরিষ্কার রাখব।
৪. নর্দমায় ব্লিচিং পাউডার বা মশা মারার তেল স্প্রে করব।
১. বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, কুলারের জল বা পুরনো টায়ারে যাতে জল না জমে সেদিকে খেয়াল রাখব।
২. জলের ট্যাঙ্ক বা চৌবাচ্চা নিয়মিত পরিষ্কার করব এবং ঢেকে রাখব।
৩. বাড়ির আশেপাশের জঙ্গল বা ঝোপঝাড় পরিষ্কার রাখব।
৪. নর্দমায় ব্লিচিং পাউডার বা মশা মারার তেল স্প্রে করব।
16. টাইফয়েড রোগটি কীভাবে ছড়ায়? এর লক্ষণগুলি লেখো।
উত্তর:
বিস্তার: টাইফয়েড একটি জলবাহিত রোগ। এটি *Salmonella typhi* নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ঘটে। দূষিত জল বা মাছি বসা দূষিত খাবার খেলে এই রোগ ছড়ায়।
লক্ষণ:
১. ক্রমাগত জ্বর থাকা এবং ধাপে ধাপে জ্বর বাড়া।
২. পেটে ব্যথা, বমি ভাব এবং গায়ে ছোট ছোট গোলাপী র্যাশ বের হওয়া।
৩. জিভের ওপর সাদা আস্তরণ পড়া।
বিস্তার: টাইফয়েড একটি জলবাহিত রোগ। এটি *Salmonella typhi* নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ঘটে। দূষিত জল বা মাছি বসা দূষিত খাবার খেলে এই রোগ ছড়ায়।
লক্ষণ:
১. ক্রমাগত জ্বর থাকা এবং ধাপে ধাপে জ্বর বাড়া।
২. পেটে ব্যথা, বমি ভাব এবং গায়ে ছোট ছোট গোলাপী র্যাশ বের হওয়া।
৩. জিভের ওপর সাদা আস্তরণ পড়া।