দশম শ্রেণী ভূগোল: অধ্যায় – 3 ‘বারিমন্ডল’

বিভাগ-খ: অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (বারিমণ্ডল)

বিষয়: ভূগোল | অধ্যায়: বারিমণ্ডল | টপিক: শূন্যস্থান, শুদ্ধ/অশুদ্ধ ও স্তম্ভ মেলাও


ক. শূন্যস্থান পূরণ করো (৩০টি)

১. সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো _______।

উত্তর: নিয়ত বায়ুপ্রবাহ

২. আটলান্টিক মহাসাগরের একটি উষ্ণ স্রোত হলো _______।

উত্তর: উপসাগরীয় স্রোত (Gulf Stream)

৩. পৃথিবী ও চাঁদের দূরত্ব সবচেয়ে কম হলে তাকে _______ বলে।

উত্তর: পেরিজি (Perigee)

৪. মুখ্য জোয়ার সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো _______-এর আকর্ষণ।

উত্তর: চাঁদ

৫. মরা কোটাল সংঘটিত হয় _______ তিথিতে।

উত্তর: অষ্টমী (কৃষ্ণ ও শুক্ল)

৬. শৈবাল সাগর দেখা যায় _______ মহাসাগরে।

উত্তর: আটলান্টিক

৭. উষ্ণ ও শীতল স্রোতের মিলনস্থলে _______ সৃষ্টি হয়।

উত্তর: কুয়াশা / মগ্নচড়া

৮. এল নিনোর প্রভাবে _______ দেশে খরা ও অনাবৃষ্টি হয়।

উত্তর: ভারত

৯. প্রশান্ত মহাসাগরের একটি শীতল স্রোত হলো _______।

উত্তর: পেরু বা হামবোল্ড স্রোত

১০. ভরা কোটালের সময় চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী _______ অবস্থানে থাকে।

উত্তর: সিজিগি (সরলরেখায়)

১১. _______ বলের প্রভাবে সমুদ্রস্রোতের দিকবিক্ষep ঘটে।

উত্তর: কোরিওলিস

১২. কুরোশিয় স্রোতকে _______ স্রোত বলা হয়।

উত্তর: জাপান / কালো

১৩. গ্র্যান্ড ব্যাংকস মগ্নচড়াটি _______ মাছের জন্য বিখ্যাত।

উত্তর: কড (বা বাণিজ্যিক মৎস্যশিকার)

১৪. কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাবে _______ জোয়ার সৃষ্টি হয়।

উত্তর: গৌণ

১৫. দুটি মুখ্য জোয়ারের মধ্যে সময়ের ব্যবধান _______ ঘণ্টা _______ মিনিট।

উত্তর: ২৪, ৫২

১৬. জোয়ার ও ভাটার মধ্যে সময়ের ব্যবধান _______ ঘণ্টা _______ মিনিট।

উত্তর: ৬, ১৩

১৭. ভারত মহাসাগরের সমুদ্রস্রোত _______ বায়ু দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

উত্তর: মৌসুমি

১৮. শীতল ল্যাব্রাডর স্রোতের রঙ _______।

উত্তর: সবুজ

১৯. নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূলের কাছে _______ স্রোত ও উপসাগরীয় স্রোত মিলিত হয়েছে।

উত্তর: ল্যাব্রাডর

২০. হুগলি নদীতে বান ডাকাকে _______ বলা হয়।

উত্তর: সারাষাঁড়ির বান

২১. সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির অন্যতম কারণ হলো সমুদ্রজলের _______ পার্থক্য।

উত্তর: উষ্ণতা / ঘনত্ব / লবণাক্ততা

২২. _______ মহাসাগরে সোমালি স্রোত দেখা যায়।

উত্তর: ভারত

২৩. বান ডাকার জন্য নদীর মোহনা _______ আকৃতির হতে হয়।

উত্তর: ফানেল

২৪. বেঙ্গুয়েলা স্রোত _______ মহাসাগরে প্রবাহিত হয়।

উত্তর: আটলান্টিক (দক্ষিণ)

২৫. চাঁদ অপেক্ষা সূর্যের ভর প্রায় _______ গুণ বেশি।

উত্তর: ২.৫৫ কোটি (কিন্তু আকর্ষণ কম)

২৬. হিমপ্রাচীর দেখা যায় _______ মহাসাগরে।

উত্তর: আটলান্টিক

২৭. _______ স্রোতের প্রভাবে ইংল্যান্ডের উপকূল বরফমুক্ত থাকে।

উত্তর: উষ্ণ উপসাগরীয় (বা উত্তর আটলান্টিক ড্রিফ্ট)

২৮. চাঁদ ও পৃথিবীর দূরত্ব সর্বাধিক হলে তাকে _______ বলে।

উত্তর: অ্যাপোজী (Apogee)

২৯. আগুলহাস স্রোত _______ মহাসাগরের একটি উষ্ণ স্রোত।

উত্তর: ভারত

৩০. জোয়ারের জল প্রবলবেগে নদীর মোহনায় প্রবেশ করলে তাকে _______ বলে।

উত্তর: বান ডাকা (Tidal Bore)


খ. শুদ্ধ অথবা অশুদ্ধ লেখো (২০টি)

৩১. সমুদ্রস্রোত উপকূলীয় জলবায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করে।

শুদ্ধ

৩২. উপসাগরীয় স্রোত একটি শীতল স্রোত।

অশুদ্ধ (উষ্ণ স্রোত)।

৩৩. মরা কোটালের সময় চাঁদ ও সূর্য সমকোণে অবস্থান করে।

শুদ্ধ

৩৪. অমাবস্যা তিথিতে জোয়ারের বেগ সবচেয়ে কম হয়।

অশুদ্ধ (সবচেয়ে বেশি হয় – ভরা কোটাল)।

৩৫. শৈবাল সাগর প্রশান্ত মহাসাগরে দেখা যায়।

অশুদ্ধ (আটলান্টিক মহাসাগরে)।

৩৬. ল্যাব্রাডর স্রোতের প্রভাবে নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূলে কুয়াশা হয়।

শুদ্ধ

৩৭. ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী সমুদ্রস্রোত দিক পরিবর্তন করে।

শুদ্ধ

৩৮. সিজিগি অবস্থানে জোয়ার দুর্বল হয়।

অশুদ্ধ (প্রবল হয়)।

৩৯. মগ্নচড়াগুলি বাণিজ্যিক মৎস্যশিকারের জন্য উপযুক্ত।

শুদ্ধ

৪০. ক্যালিফোর্নিয়া স্রোত একটি উষ্ণ স্রোত।

অশুদ্ধ (শীতল স্রোত)।

৪১. জোয়ার ভাটা নৌ-চলাচলে সাহায্য করে।

শুদ্ধ

৪২. পেরু স্রোত প্রশান্ত মহাসাগরে দেখা যায়।

শুদ্ধ

৪৩. এল নিনোর বছরগুলিতে ভারতে বন্যা হয়।

অশুদ্ধ (খরা হয়)।

৪৪. কুরোশিয় স্রোতকে নীল স্রোত বলা হয়।

শুদ্ধ (বা কালো স্রোত)।

৪৫. জোয়ারের প্রধান কারণ হলো সূর্যের আকর্ষণ।

অশুদ্ধ (চাঁদের আকর্ষণ)।

৪৬. বান ডাকার ফলে নদীতে নৌকো চালানো বিপজ্জনক।

শুদ্ধ

৪৭. অ্যাপোজী অবস্থানে জোয়ারের প্রাবল্য বাড়ে।

অশুদ্ধ (কমে, কারণ দূরত্ব বাড়ে)।

৪৮. আগুলহাস স্রোত ভারত মহাসাগরে দেখা যায়।

শুদ্ধ

৪৯. মরা কোটালের সময় চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর একই দিকে থাকে।

অশুদ্ধ (সমকোণে থাকে)।

৫০. সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ বায়ুপ্রবাহ।

শুদ্ধ


গ. বাম স্তম্ভের সঙ্গে ডান স্তম্ভ মেলাও (৩টি সেট)

সেট-১: সমুদ্রস্রোত ও প্রকৃতি

বাম স্তম্ভ ডান স্তম্ভ
১. উপসাগরীয় স্রোত (a) প্রশান্ত মহাসাগর
২. হামবোল্ড স্রোত (b) ভারত মহাসাগর
৩. সোমালি স্রোত (c) উষ্ণ স্রোত
৪. ক্যানারি স্রোত (d) আটলান্টিক (শীতল)
সঠিক উত্তর: ১-(c), ২-(a), ৩-(b), ৪-(d)

সেট-২: জোয়ার-ভাটা ও অবস্থান

বাম স্তম্ভ ডান স্তম্ভ
১. ভরা কোটাল (a) দূরত্ব সর্বাধিক
২. মরা কোটাল (b) অমাবস্যা ও পূর্ণিমা
৩. পেরিজি (c) অষ্টমী তিথি
৪. অ্যাপোজী (d) দূরত্ব সর্বনিম্ন
সঠিক উত্তর: ১-(b), ২-(c), ৩-(d), ৪-(a)

সেট-৩: বিবিধ

বাম স্তম্ভ ডান স্তম্ভ
১. গ্র্যান্ড ব্যাংকস (a) শীতল স্রোত
২. শৈবাল সাগর (b) বাণিজ্যিক মৎস্যক্ষেত্র
৩. কুরোশিয় স্রোত (c) স্রোতহীন জলভাগ
৪. ল্যাব্রাডর স্রোত (d) কালো স্রোত
সঠিক উত্তর: ১-(b), ২-(c), ৩-(d), ৪-(a)

বিভাগ-খ: অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (পর্ব-১)

বিষয়: ভূগোল (অধ্যায় ৩) | প্রশ্ন সংখ্যা: ১-১৮


১. সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ কী?

উত্তর: নিয়ত বায়ুপ্রবাহ।

২. পৃথিবীর বৃহত্তম মগ্নচড়া কোনটি?

উত্তর: গ্র্যান্ড ব্যাংকস (Grand Banks)।

৩. শৈবাল সাগর কোন মহাসাগরে দেখা যায়?

উত্তর: উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে।

৪. কোন স্রোতের প্রভাবে জাপানের উপকূল উষ্ণ থাকে?

উত্তর: উষ্ণ কুরোশিয় স্রোত বা জাপান স্রোত।

৫. হিমপ্রাচীর (Cold Wall) কোথায় দেখা যায়?

উত্তর: আটলান্টিক মহাসাগরে (উষ্ণ উপসাগরীয় ও শীতল ল্যাব্রাডর স্রোতের মিলনস্থলে)।

৬. ‘ব্ল্যাক কারেন্ট’ বা কালো স্রোত কাকে বলে?

উত্তর: কুরোশিয় স্রোতকে (গাঢ় নীল রঙের জন্য)।

৭. মগ্নচড়াগুলিতে কোন খাদ্যের প্রাচুর্যের জন্য মাছের সমাবেশ ঘটে?

উত্তর: প্ল্যাঙ্কটন (Plankton)।

৮. এল নিনো (El Nino) কোন মহাসাগরে সৃষ্টি হয়?

উত্তর: প্রশান্ত মহাসাগরে (পেরু উপকূল)।

৯. আটলান্টিক মহাসাগরের একটি শীতল স্রোতের নাম লেখো।

উত্তর: ল্যাব্রাডর স্রোত বা বেঙ্গুয়েলা স্রোত।

১০. ভারত মহাসাগরের একটি উষ্ণ স্রোতের নাম লেখো।

উত্তর: সোমালি স্রোত বা মোজাম্বিক স্রোত।

১১. প্রশান্ত মহাসাগরের একটি শীতল স্রোতের নাম লেখো।

উত্তর: পেরু স্রোত বা হামবোল্ড স্রোত।

১২. কোন বায়ুর প্রভাবে ভারত মহাসাগরে স্রোতের দিক পরিবর্তন হয়?

উত্তর: মৌসুমি বায়ু।

১৩. গায়র (Gyre) বা কুণ্ডলী কী?

উত্তর: বিশাল মহাসাগরের মাঝখানে স্রোতহীন চক্রাকার জলরাশিকে গায়র বলে।

১৪. হিমশৈল (Iceberg) কী?

উত্তর: সমুদ্রে ভাসমান বিশাল বরফের স্তূপ (মূলত মেরু অঞ্চল থেকে আসা)।

১৫. কোন স্রোতের প্রভাবে নরওয়ের উপকূল সারা বছর বরফমুক্ত থাকে?

উত্তর: উষ্ণ উত্তর আটলান্টিক স্রোত।

১৬. নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূলে ঘন কুয়াশা ও ঝড়ঝঞ্ঝা হয় কেন?

উত্তর: উষ্ণ উপসাগরীয় ও শীতল ল্যাব্রাডর স্রোতের মিলনের ফলে।

১৭. ফেরেলের সূত্রানুসারে উত্তর গোলার্ধে সমুদ্রস্রোত কোন দিকে বাঁকে?

উত্তর: ডানদিকে।

১৮. বেঙ্গুয়েলা স্রোত কোন মহাদেশের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়?

উত্তর: আফ্রিকা মহাদেশের (পশ্চিম উপকূল)।

বিভাগ-খ: অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (পর্ব-২)

বিষয়: ভূগোল (অধ্যায় ৩) | প্রশ্ন সংখ্যা: ১৯-৩৬


১৯. জোয়ার সৃষ্টির প্রধান কারণ কী?

উত্তর: চাঁদের আকর্ষণ।

২০. গৌণ জোয়ার সৃষ্টির কারণ কী?

উত্তর: পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ বল।

২১. সিজিগি (Syzygy) কী?

উত্তর: সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবীর একই সরলরেখায় অবস্থান।

২২. সংযোগ (Conjunction) অবস্থান কোন তিথিতে হয়?

উত্তর: অমাবস্যা তিথিতে (চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর একই দিকে থাকে)।

২৩. প্রতিযোগ (Opposition) অবস্থান কোন তিথিতে হয়?

উত্তর: পূর্ণিমা তিথিতে (চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর বিপরীত দিকে থাকে)।

২৪. পেরিজি (Perigee) অবস্থানে চাঁদ ও পৃথিবীর দূরত্ব কত?

উত্তর: প্রায় ৩ লক্ষ ৫৬ হাজার কিমি (সর্বনিম্ন দূরত্ব)।

২৫. অ্যাপোজী (Apogee) অবস্থানে চাঁদ ও পৃথিবীর দূরত্ব কত?

উত্তর: প্রায় ৪ লক্ষ ৭ হাজার কিমি (সর্বাধিক দূরত্ব)।

২৬. ভরা কোটাল কোন কোন তিথিতে হয়?

উত্তর: অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে।

২৭. মরা কোটাল কোন তিথিতে হয়?

উত্তর: কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমী তিথিতে।

২৮. মরা কোটালে চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর সাথে কত ডিগ্রি কোণে থাকে?

উত্তর: ৯০° বা সমকোণে।

২৯. কোনো স্থানে দুটি মুখ্য জোয়ারের মধ্যে সময়ের ব্যবধান কত?

উত্তর: ২৪ ঘণ্টা ৫২ মিনিট।

৩০. কোনো স্থানে একটি মুখ্য জোয়ার ও একটি গৌণ জোয়ারের মধ্যে সময়ের ব্যবধান কত?

উত্তর: ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট।

৩১. বান ডাকা (Tidal Bore) কোন নদীতে দেখা যায়?

উত্তর: হুগলি, আমাজন, ইয়াংসি নদীতে।

৩২. ‘সারাষাঁড়ির বান’ কোন নদীতে দেখা যায়?

উত্তর: হুগলি নদীতে (বর্ষাকালে ভরা কোটালে)।

৩৩. বান ডাকার একটি অনুকূল শর্ত লেখো।

উত্তর: নদীর মোহনা ফানেল আকৃতির বা চওড়া হতে হবে।

৩৪. পৃথিবীর ওপর চাঁদের আকর্ষণ সূর্যের চেয়ে কত গুণ বেশি?

উত্তর: প্রায় ২.২ গুণ বেশি।

৩৫. জোয়ার-ভাটার একটি সুবিধা লেখো।

উত্তর: নদীর মোহনা আবর্জনা মুক্ত থাকে এবং নৌ-চলাচলে সুবিধা হয়।

৩৬. কোন তিথিতে জোয়ারের প্রাবল্য সবচেয়ে বেশি হয়?

উত্তর: অমাবস্যা তিথিতে (সূর্য ও চাঁদের আকর্ষণ যুক্ত হয় বলে)।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ) – বারিমণ্ডল (অতি সংক্ষিপ্ত)


প্রশ্ন: সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ কী?

উত্তর: সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান ও অন্যতম কারণ হলো নিয়ত বায়ুপ্রবাহ। আয়ন বায়ু ও পশ্চিমা বায়ু সমুদ্রের জলরাশিকে নির্দিষ্ট পথে প্রবাহিত করে উষ্ণ ও শীতল স্রোতের সৃষ্টি করে।

প্রশ্ন: সংযোগ ও প্রতিযোগ অবস্থানের পার্থক্য কী?

উত্তর: সংযোগ: অমাবস্যা তিথিতে যখন সূর্য ও চাঁদ পৃথিবীর একই দিকে থাকে।
প্রতিযোগ: পূর্ণিমা তিথিতে যখন সূর্য ও চাঁদ পৃথিবীর বিপরীত দিকে থাকে।
উভয় অবস্থানেই চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় (সিজিগি) থাকে এবং প্রবল জোয়ার বা ভরা কোটাল হয়।

প্রশ্ন: মগ্নচড়াগুলি বাণিজ্যিক মৎস্যক্ষেত্র হিসেবে গড়ে ওঠে কেন?

উত্তর: উষ্ণ ও শীতল স্রোতের মিলনস্থলে হিমশৈল গলে গিয়ে অগভীর মগ্নচড়া (যেমন- গ্র্যান্ড ব্যাংকস) তৈরি করে। এখানে উষ্ণ ও শীতল জলের মিশ্রণে মাছের প্রধান খাদ্য প্ল্যাঙ্কটন প্রচুর জন্মায়, তাই এখানে মাছের ঝাঁক দেখা যায়।

প্রশ্ন: দুটি মুখ্য জোয়ারের মধ্যে সময়ের ব্যবধান ২৪ ঘণ্টা ৫২ মিনিট হয় কেন?

উত্তর: পৃথিবী তার নিজের অক্ষে একবার পাক খেতে ২৪ ঘণ্টা সময় নেয়। কিন্তু এই সময়ে চাঁদ তার কক্ষপথে কিছুটা পথ এগিয়ে যায়। পৃথিবীর কোনো নির্দিষ্ট স্থানকে আবার চাঁদের সামনে আসতে বাড়তি ৫২ মিনিট সময় লাগে। তাই একটি স্থানে পরবর্তী মুখ্য জোয়ার হতে মোট ২৪ ঘণ্টা ৫২ মিনিট সময় লাগে।

প্রশ্ন: শৈবাল সাগর কী?

উত্তর: উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে স্রোতগুলির চক্রাকার আবর্তনের (Gyre) মাঝখানে একটি বিশাল স্রোতহীন শান্ত জলভাগ সৃষ্টি হয়েছে। এখানে প্রচুর আগাছা ও শৈবাল জন্মায় বলে একে শৈবাল সাগর বা Sargasso Sea বলে।

Leave A Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
শেয়ার