দশম শ্রেণী: ভূগোল অধ্যায় -৪ ‘বর্জ্য ব্যবস্থাপনা’
বিভাগ-ঘ: বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন ও বিস্তারিত সমাধান (পর্ব-১)
বিষয়: ভূগোল | অধ্যায়: বর্জ্য ব্যবস্থাপনা | প্রশ্ন সংখ্যা: ১-১০ | পূর্ণমান: ৩
১. জৈব ভঙ্গুর (Biodegradable) ও জৈব অভঙ্গুর (Non-biodegradable) বর্জ্যের মধ্যে তিনটি পার্থক্য লেখো। [মাধ্যমিক ২০১৭, ২০১৯]
| বিষয় | জৈব ভঙ্গুর বর্জ্য | জৈব অভঙ্গুর বর্জ্য |
|---|---|---|
| ১. বিয়োজন | ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক দ্বারা বিশ্লিষ্ট হয়ে মাটিতে মিশে যায়। | এরা প্রাকৃতিকভাবে বিয়োজিত হয় না এবং দীর্ঘকাল অবিকৃত থাকে। |
| ২. উৎস | গৃহস্থালির সবজির খোসা, কাগজ, মৃত জীবদেহ ইত্যাদি। | প্লাস্টিক, কাঁচ, ধাতু, ই-বর্জ্য ইত্যাদি। |
| ৩. প্রভাব | এরা পরিবেশের ক্ষতি কম করে এবং সার তৈরিতে কাজে লাগে। | এরা মাটি ও জল দূষণ ঘটায় এবং নিকাশি নালা বন্ধ করে। |
২. বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ‘4R’ বা ‘3R’ পদ্ধতির গুরুত্ব আলোচনা করো। [মাধ্যমিক ২০১৮]
বর্জ্যের পরিমাণ হ্রাস করার জন্য 4R পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকরী:
- Reduce (হ্রাস): প্রয়োজনের অতিরিক্ত দ্রব্য ব্যবহার না করে বর্জ্যের উৎপাদন কমানো।
- Reuse (পুনর্ব্যবহার): একই জিনিস ফেলে না দিয়ে বারবার ব্যবহার করা (যেমন- প্লাস্টিকের বোতল বা ঠোঙা)।
- Recycle (পুনর্নবীকরণ): বর্জ্য পদার্থকে গলিয়ে বা প্রক্রিয়াকরণ করে নতুন দ্রব্য তৈরি করা (যেমন- পুরনো কাগজ থেকে নতুন কাগজ)।
- Refuse (প্রত্যাখ্যান): পরিবেশের পক্ষে ক্ষতিকর বস্তু (যেমন- প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগ) ব্যবহার করতে অস্বীকার করা।
৩. পরিবেশের ওপর বর্জ্য পদার্থের তিনটি ক্ষতিকর প্রভাব আলোচনা করো।
- ১. দূষণ সৃষ্টি: বর্জ্য পদার্থ পচে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং বায়ু দূষিত করে। লিচেট চুঁইয়ে ভৌমজল ও মাটিকে দূষিত করে।
- ২. রোগজীবাণু ছড়ানো: আবর্জনার স্তূপে মশা, মাছি ও ইঁদুর বংশবৃদ্ধি করে, যা থেকে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, কলেরা ও টাইফয়েডের মতো রোগ ছড়ায়।
- ৩. বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি: প্লাস্টিক বা রাসায়নিক বর্জ্য জলজ প্রাণীদের মৃত্যু ঘটায় এবং খাদ্যশৃঙ্খলে প্রবেশ করে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে (জৈব বিবর্ধন)।
৪. বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের ভূমিকা কী হতে পারে? [মাধ্যমিক ২০২০]
একজন শিক্ষার্থী হিসেবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়া যায়:
- সচেতনতা বৃদ্ধি: পরিবার ও প্রতিবেশীদের মধ্যে বর্জ্য পৃথকীকরণ এবং যত্রতত্র আবর্জনা না ফেলার ব্যাপারে সচেতন করা।
- বর্জ্য হ্রাস: প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগ ব্যবহার বন্ধ করে পাটের বা কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার করা এবং কাগজের অপচয় কমানো।
- পরিচ্ছন্নতা অভিযান: বিদ্যালয় ও বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখা এবং অন্যদেরও এই কাজে উৎসাহিত করা।
৫. কম্পোস্টিং (Composting) পদ্ধতির সুবিধাগুলি লেখো।
জৈব বর্জ্যকে ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে পচিয়ে হিউমাস বা জৈব সারে পরিণত করাকে কম্পোস্টিং বলে। এর সুবিধা:
- সার উৎপাদন: এই প্রক্রিয়ায় উন্নত মানের জৈব সার তৈরি হয় যা মাটির উর্বরতা বাড়ায়।
- বর্জ্য হ্রাস: বিপুল পরিমাণ জৈব বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করা যায়, ফলে ভাগাড়ে চাপ কমে।
- পরিবেশ রক্ষা: রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমে এবং পরিবেশ দূষণ হ্রাস পায়।
৬. স্যানিটারি ল্যান্ডফিল (Sanitary Landfill) বা বিজ্ঞানসম্মত ভরাটকরণ কাকে বলে? এর সমস্যা কী?
সংজ্ঞা: শহর থেকে দূরে নিচু জমিতে বর্জ্য পদার্থ জমা করে তার ওপর মাটি চাপা দিয়ে ভরাট করার বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিকে স্যানিটারি ল্যান্ডফিল বলে। এখানে মাটির নিচে প্লাস্টিকের আস্তরণ দেওয়া হয় যাতে দূষিত জল চুঁইয়ে না যায়।
সমস্যা: এখান থেকে উৎপন্ন মিথেন গ্যাস দাহ্য হওয়ায় আগুন লাগার ভয় থাকে এবং ‘লিচেট’ নামক বিষাক্ত তরল চুঁইয়ে ভৌমজল দূষিত করতে পারে।
৭. গ্যাসীয় বর্জ্য নিয়ন্ত্রণের উপায়গুলি (স্ক্রাবার) লেখো।
কলকারখানা থেকে নির্গত বিষাক্ত গ্যাস ও ধূলিকণা নিয়ন্ত্রণের জন্য ‘স্ক্রাবার’ (Scrubber) যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। এটি দুই প্রকার:
- আর্দ্র স্ক্রাবার: এতে জল বা চুনের দ্রবণ স্প্রে করে সালফার ডাই-অক্সাইড ($SO_2$) ও অ্যামোনিয়ার মতো গ্যাস ধুয়ে ফেলা হয়।
- শুষ্ক স্ক্রাবার: এতে রাসায়নিক পাউডার ব্যবহার করে অ্যাসিড গ্যাস ও ধূলিকণা শোষণ করা হয়।
৮. বিষাক্ত (Toxic) ও বিষহীন (Non-toxic) বর্জ্যের পার্থক্য লেখো।
| বিষয় | বিষাক্ত বর্জ্য | বিষহীন বর্জ্য |
|---|---|---|
| ১. ক্ষতিকারক প্রভাব | এরা মানুষ ও প্রাণীর প্রাণহানি বা দুরারোগ্য ব্যাধি সৃষ্টি করে। | এরা পরিবেশ বা স্বাস্থ্যের প্রত্যক্ষ প্রাণহানি ঘটায় না। |
| ২. উৎস | রাসায়নিক কারখানা, হাসপাতাল, পারমাণবিক কেন্দ্র। | গৃহস্থালি, বাজার, কৃষিক্ষেত্র। |
| ৩. উদাহরণ | সীসা, পারদ, ক্যাডমিয়াম, তেজস্ক্রিয় বর্জ্য। | সবজির খোসা, কাগজ, খড়, কাঠের টুকরো। |
৯. ই-বর্জ্য (E-waste) বা বৈদ্যুতিক বর্জ্য পরিবেশের কী ক্ষতি করে?
বাতিল কম্পিউটার, মোবাইল, ব্যাটারি, টিভি ইত্যাদি হলো ই-বর্জ্য। এগুলির ক্ষতিকর দিক:
- ভারী ধাতু: এতে সীসা, পারদ, ক্যাডমিয়াম থাকে যা স্নায়ুতন্ত্র ও কিডনির ক্ষতি করে।
- মাটি ও জল দূষণ: এগুলি মাটিতে পুঁতলে বিষাক্ত রাসায়নিক চুঁইয়ে ভৌমজল ও মাটির উর্বরতা নষ্ট করে।
- ক্যানসার: ই-বর্জ্য পোড়ালে ডাইঅক্সিন গ্যাস বের হয় যা ক্যানসার সৃষ্টি করতে পারে।
১০. প্লাস্টিক দূষণ পরিবেশের ওপর কী প্রভাব ফেলে?
- নিকাশি সমস্যা: প্লাস্টিক ও পলিথিন পচে না, ফলে নর্দমা ও ড্রেন জ্যাম করে কৃত্রিম বন্যা সৃষ্টি করে।
- মাটি দূষণ: এটি মাটির রন্ধ্র বন্ধ করে দেয়, ফলে জল ও বাতাস মাটিতে ঢুকতে পারে না এবং মাটির উর্বরতা কমে।
- প্রাণীজগত: গরু বা জলজ প্রাণীরা খাবারের সাথে প্লাস্টিক খেয়ে ফেললে তাদের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
বিভাগ-ঘ: বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন ও বিস্তারিত সমাধান (পর্ব-২)
বিষয়: ভূগোল | অধ্যায়: বর্জ্য ব্যবস্থাপনা | প্রশ্ন সংখ্যা: ১১-২০ | পূর্ণমান: ৩
১১. বর্জ্য পৃথকীকরণ (Segregation at Source) কেন জরুরি?
উৎসস্থলে বা বাড়িতেই বর্জ্যকে আলাদা করা (যেমন- পচনশীল ও অপচনশীল) বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রথম ধাপ।
- ব্যবস্থাপনায় সুবিধা: পচনশীল বর্জ্যকে সহজে সারে পরিণত করা যায় এবং প্লাস্টিক বা কাঁচকে কারখানায় পাঠিয়ে পুনর্ব্যবহার করা যায়।
- খরচ হ্রাস: সব বর্জ্য মিশে গেলে তা আলাদা করতে প্রচুর সময় ও শ্রম লাগে। আগেই আলাদা করলে সেই খরচ বাঁচে।
- নিরাপত্তা: বিষাক্ত বা ধারালো বর্জ্য (কাঁচ, সিরিঞ্জ) আলাদা করলে সাফাইকর্মীদের ঝুঁকি কমে।
১২. ভাগীরথী-হুগলি নদীর ওপর বর্জ্যের প্রভাব আলোচনা করো। [মাধ্যমিক ২০১৭]
গঙ্গার এই অংশের দুই তীরে অসংখ্য শহর ও কলকারখানা অবস্থিত।
- জল দূষণ: নর্দমার নোংরা জল এবং কারখানার রাসায়নিক সরাসরি নদীতে মেশায় জল বিষাক্ত হচ্ছে এবং মাছ মারা যাচ্ছে।
- নাব্যতা হ্রাস: প্লাস্টিক ও পলি জমার ফলে নদীর গভীরতা কমছে (ভরাট হচ্ছে), যা বন্যার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
- রোগ ছড়ানো: দূষিত জল ব্যবহারের ফলে কলেরা, টাইফয়েডের মতো জলবাহিত রোগ ছড়াচ্ছে।
১৩. চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্জ্য (Biomedical Waste) ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি কী?
হাসপাতালের বর্জ্য অত্যন্ত সংক্রামক, তাই এর বিশেষ ব্যবস্থা প্রয়োজন।
- পৃথকীকরণ: বিভিন্ন রঙের ডাস্টবিনে আলাদা বর্জ্য রাখা হয় (যেমন- লালে প্লাস্টিক, হলুদে মানুষের দেহাংশ)।
- ইনসিনারেশন (Incineration): উচ্চ তাপমাত্রায় (৮০০°-১২০০°C) চুল্লিতে বর্জ্য পুড়িয়ে ছাই করে ফেলা হয় যাতে জীবাণু ধ্বংস হয়।
- অটোক্লেভ: উচ্চ চাপ ও তাপে জীবাণুমুক্ত করা হয়।
১৪. ভার্মিকম্পোস্টিং (Vermicomposting)-এর সুবিধাগুলি লেখো।
কেঁচোর সাহায্যে জৈব বর্জ্য থেকে সার তৈরির এই পদ্ধতির সুবিধাগুলি হলো:
- উন্নত মান: সাধারণ কম্পোস্টের তুলনায় এই সারে নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে।
- দ্রুত প্রক্রিয়া: সাধারণ পচনের চেয়ে কেঁচো অনেক দ্রুত বর্জ্যকে সারে পরিণত করে।
- মাটির গুণাগুণ: এই সার মাটির জলধারণ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মাটিতে বায়ু চলাচলে সাহায্য করে।
১৫. পুনর্ব্যবহার (Reuse) ও পুনর্নবীকরণ (Recycling)-এর পার্থক্য কী?
| বিষয় | পুনর্ব্যবহার (Reuse) | পুনর্নবীকরণ (Recycling) |
|---|---|---|
| ১. প্রক্রিয়া | বর্জ্য পদার্থকে কোনো পরিবর্তন না করে বা সামান্য পরিষ্কার করে সরাসরি আবার ব্যবহার করা। | বর্জ্য পদার্থকে গলিয়ে বা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় নতুন পণ্য তৈরি করা। |
| ২. উদাহরণ | জ্যামের খালি বোতলে আচার রাখা বা প্লাস্টিক বোতলে জল রাখা। | পুরনো খবরের কাগজ থেকে নতুন কাগজ বা মণ্ড তৈরি করা। |
| ৩. শক্তি খরচ | এতে শক্তি খরচ হয় না বললেই চলে। | এতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খরচ হয়। |
১৬. লিচেট (Leachate) কী? এটি পরিবেশের কী ক্ষতি করে?
সংজ্ঞা: ল্যান্ডফিল বা বর্জ্য ফেলার স্থানে বৃষ্টির জল বর্জ্যের স্তরের মধ্য দিয়ে চুঁইয়ে নিচে যাওয়ার সময় বর্জ্যের বিষাক্ত রাসায়নিকগুলি তাতে মিশে যে কালো রঙের দূষিত তরল তৈরি করে, তাকে লিচেট বলে।
ক্ষতি: এটি মাটির নিচে গিয়ে ভৌমজলের (Groundwater) সাথে মেশে এবং পানীয় জলকে বিষাক্ত করে। এটি আশেপাশের জলাশয়ে মিশলে জলজ বাস্তুতন্ত্র নষ্ট হয়।
১৭. তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ধাপগুলি সংক্ষেপে লেখো।
তরল বর্জ্য বা সুয়্যেজ (Sewage) শোধনের তিনটি ধাপ:
- ১. প্রাথমিক শোধন: ছাঁকনি বা জালের মাধ্যমে ভাসমান কঠিন আবর্জনা (প্লাস্টিক, কাঠ) আলাদা করা হয়।
- ২. মাধ্যমিক শোধন: সেডিমেন্টেশন ট্যাঙ্কে কাদা ও বালি থিতিয়ে ফেলা হয় এবং ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে জৈব পদার্থ বিয়োজন করা হয়।
- ৩. প্রান্তিক শোধন: ক্লোরিন বা অতিবেগুনি রশ্মি দিয়ে জলকে জীবাণুমুক্ত করে নদীতে বা চাষের কাজে ব্যবহার করা হয়।
১৮. কৃষিজ বর্জ্য কীভাবে পরিবেশ দূষণ ঘটায়? এর প্রতিকার কী?
দূষণ: ১) ফসল কাটার পর খড় বা নাড়া জমিতে পোড়ালে প্রচুর ধোঁয়া ও বায়ুদূষণ হয়। ২) অতিরিক্ত কীটনাশক ও সারের অবশিষ্টাংশ বৃষ্টিতে ধুয়ে জল দূষণ ঘটায়।
প্রতিকার: ১) কৃষিজ বর্জ্য (খড়, পাতা) না পুড়িয়ে তা থেকে জৈব সার বা বায়োগ্যাস তৈরি করা উচিত। ২) রাসায়নিকের বদলে জৈব সারের ব্যবহার বাড়ানো উচিত।
১৯. ম্যানিউর পিট (Manure Pit) বলতে কী বোঝো?
গ্রামাঞ্চলে বা কৃষি খামারের পাশে মাটি খুঁড়ে গর্ত তৈরি করা হয়। সেখানে প্রতিদিনের গোবর, খড়, সবজির খোসা ও অন্যান্য জৈব বর্জ্য জমা করা হয়। কয়েক মাস পর ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের ক্রিয়ায় এগুলি পচে উন্নত মানের জৈব সারে পরিণত হয়। এই গর্তকেই ম্যানিউর পিট বলে। এটি গ্রামকে পরিষ্কার রাখে এবং সারের জোগান দেয়।
২০. তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উপায় কী?
তেজস্ক্রিয় বর্জ্য অত্যন্ত বিপজ্জনক, তাই এর বিশেষ ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন:
- সংরক্ষণ: এই বর্জ্যকে পুরু কংক্রিট বা সীসার (Lead) পাত্রে মুখ বন্ধ করে রাখা হয় যাতে বিকিরণ বাইরে না আসে।
- নিষ্কাশন: গভীর সমুদ্রে বা মাটির অনেক গভীরে (লবণ খনিতে) নিরাপদ স্থানে পুঁতে ফেলা হয়।
- সতর্কতা: সাধারণ আবর্জনার সাথে এটি মেশানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং রোবটের সাহায্যে নাড়াচাড়া করা হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ) – বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (বিশ্লেষণ)
প্রশ্ন: জৈব ভঙ্গুর ও জৈব অভঙ্গুর বর্জ্যের মূল পার্থক্য কী?
জৈব অভঙ্গুর: এগুলি কৃত্রিমভাবে তৈরি এবং প্রকৃতিতে বিয়োজিত হয় না, ফলে দূষণ সৃষ্টি করে (যেমন- প্লাস্টিক, পলিথিন)।
প্রশ্ন: বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ‘4R’ পদ্ধতির গুরুত্ব কী?
[attachment_0](attachment)
প্রশ্ন: ই-বর্জ্য (E-waste) পরিবেশের কী ক্ষতি করে?
প্রশ্ন: ভার্মিকম্পোস্টিং-এর সুবিধা কী?
প্রশ্ন: স্যানিটারি ল্যান্ডফিল কেন সাধারণ ভাগাড়ের চেয়ে ভালো?