অধ্যায় ১: জীবন ও তার বৈচিত্র্য — ৪৬টি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
1. জীবনের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি কী কী?
উত্তর দেখুন
উত্তর: জীবনের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হলো—প্রজনন ক্ষমতা, বিপাক ক্রিয়া, উদ্দীপনায় সাড়া দেওয়া, বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ এবং অভিযোজন ক্ষমতা।
2. কোয়াসারভেট (Coacervate) কী?
উত্তর দেখুন
উত্তর: বিজ্ঞানী ওপারিনের মতে, আদিম পৃথিবীতে উত্তপ্ত সমুদ্রের জলে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও লিপিড অণুগুলি পরস্পর মিলিত হয়ে যে দ্বি-স্তরী আবরণযুক্ত কলয়েড কণা গঠন করেছিল, তাকে কোয়াসারভেট বলে।
3. ‘হট ডাইলুট সুপ’ (Hot Dilute Soup) বলতে কী বোঝো?
উত্তর দেখুন
উত্তর: বিজ্ঞানী হ্যালডেনের মতে, আদিম পৃথিবীতে বিভিন্ন জৈব যৌগ (যেমন—শর্করা, অ্যামাইনো অ্যাসিড, ফ্যাটি অ্যাসিড) সমুদ্রের গরম জলে মিশে যে স্যুপ বা ঝোল তৈরি করেছিল, তাকে ‘হট ডাইলুট সুপ’ বা তপ্ত লঘু ঝোল বলা হয়।
4. কেমোজেনি (Chemogeny) বা রাসায়নিক বিবর্তন কী?
উত্তর দেখুন
উত্তর: যে ধারাবাহিক রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে অজৈব পদার্থ থেকে জটিল জৈব যৌগ এবং অবশেষে প্রাণের উৎপত্তি ঘটেছিল, তাকে কেমোজেনি বা রাসায়নিক বিবর্তন বলা হয়।
5. ট্যাক্সোনমি (Taxonomy) বা বিন্যাসবিধির সংজ্ঞা দাও।
উত্তর দেখুন
উত্তর: জীববিদ্যার যে শাখায় জীবের শনাক্তকরণ, নামকরণ এবং শ্রেণিবিন্যাস করার রীতিনীতি আলোচনা করা হয়, তাকে ট্যাক্সোনমি বা বিন্যাসবিধি বলে।
6. লিনিয়াস প্রবর্তিত হায়ারার্কির সাতটি ধাপ ক্রমানুসারে লেখো।
উত্তর দেখুন
উত্তর: রাজ্য (Kingdom) → পর্ব (Phylum) → শ্রেণি (Class) → বর্গ (Order) → গোত্র (Family) → গণ (Genus) → প্রজাতি (Species)।
7. দ্বিপদ নামকরণ (Binomial Nomenclature) বলতে কী বোঝো?
উত্তর দেখুন
উত্তর: গণ ও প্রজাতি—এই দুটি পদের সমন্বয়ে জীবের বিজ্ঞানসম্মত নাম দেওয়ার পদ্ধতিকে দ্বিপদ নামকরণ বলে। বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস এই পদ্ধতির প্রবর্তক।
8. মনেরা (Monera) রাজ্যের দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তর দেখুন
উত্তর: ১) এরা এককোষী ও প্রোক্যারিওটিক (সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না)। ২) কোশপ্রাচীর পেপটাইডোগ্লাইকান দিয়ে গঠিত। (উদাহরণ: ব্যাকটেরিয়া)।
9. প্রোটিস্টা (Protista) রাজ্যের জীবের প্রকৃতি কেমন হয়?
উত্তর দেখুন
উত্তর: এরা সাধারণত এককোষী কিন্তু ইউক্যারিওটিক (সুগঠিত নিউক্লিয়াস যুক্ত)। এদের পুষ্টি পদ্ধতি সবভোজী বা পরভোজী হতে পারে। (উদাহরণ: অ্যামিবা)।
10. ছত্রাক বা ফাঙ্গি (Fungi) কেন সালোকসংশ্লেষে অক্ষম?
উত্তর দেখুন
উত্তর: ছত্রাকের কোশে ক্লোরোপ্লাস্ট বা ক্লোরোফিল থাকে না, তাই এরা সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করতে পারে না এবং পরভোজী হিসেবে বাঁচে।
11. থ্যালোফাইটা (Thallophyta) বা সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদ কাদের বলে?
উত্তর দেখুন
উত্তর: যেসব উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না (দেহ থ্যালাস প্রকৃতির), তাদের থ্যালোফাইটা বা সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদ বলে। যেমন—শৈবাল।
12. ব্রায়োফাইটা বা মসবর্গীয় উদ্ভিদকে ‘উদ্ভিদরাজ্যের উভচর’ বলা হয় কেন?
উত্তর দেখুন
উত্তর: ব্রায়োফাইটা বা মস স্থলজ উদ্ভিদ হলেও এদের জনন বা নিষেধ কার্যের জন্য জলের প্রয়োজন হয়, তাই এদের উদ্ভিদরাজ্যের উভচর বলা হয়।
13. টেরিডোফাইটা বা ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদের দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তর দেখুন
উত্তর: ১) এদের উদ্ভিদদেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত। ২) এদের দেহে সংবহন কলা (জাইলেম ও ফ্লোয়েম) উপস্থিত থাকে, কিন্তু ফুল ও ফল হয় না।
14. ব্যক্তবীজী (Gymnosperm) উদ্ভিদের বীজ ‘নগ্ন’ প্রকৃতির হয় কেন?
উত্তর দেখুন
উত্তর: ব্যক্তবীজী উদ্ভিদের ফুলে গর্ভাশয় বা ফলত্বক থাকে না, তাই ডিম্বকটি ফলের মধ্যে আবৃত না থেকে বাইরে উন্মুক্ত থাকে। এজন্য বীজ নগ্ন প্রকৃতির হয়।
15. একবীজপত্রী ও দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের মূলের একটি পার্থক্য লেখো।
উত্তর দেখুন
উত্তর: একবীজপত্রী উদ্ভিদে অস্থানিক গুচ্ছমূল (Fibrous root) দেখা যায়, কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদে প্রধান মূলতন্ত্র (Tap root system) দেখা যায়।
16. পরিফেরা (Porifera) পর্বের প্রাণীদের ‘ছিদ্রাল প্রাণী’ বলা হয় কেন?
উত্তর দেখুন
উত্তর: পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের সারা দেহে অসংখ্য ছোট ছোট ছিদ্র বা অস্টিয়া (Ostia) থাকে, যার মাধ্যমে জল দেহে প্রবেশ করে। তাই এদের ছিদ্রাল প্রাণী বলে।
17. নিডোব্লাস্ট (Cnidoblast) কোশ কী?
উত্তর দেখুন
উত্তর: নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের কর্ষিকা ও দেহতককে এক বিশেষ ধরণের দংশক কোশ থাকে, যা আত্মরক্ষা ও শিকার ধরতে সাহায্য করে। একে নিডোব্লাস্ট কোশ বলে।
18. টিনোফোরা (Ctenophora) পর্বের প্রাণীদের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তর দেখুন
উত্তর: এদের দেহে ৮টি চিরুনির মতো ‘কোম্ব প্লেট’ (Comb plate) বা চিরুনি পাত থাকে যা চলনে সাহায্য করে এবং এদের নিডোব্লাস্ট কোশ থাকে না (পরিবর্তে কোলোব্লাস্ট থাকে)।
19. প্লাটিহেলমিনথিস ও নিমাটোডার দেহগহ্বরের পার্থক্য কী?
উত্তর দেখুন
উত্তর: প্লাটিহেলমিনথিস বা চ্যাপ্টা কৃমির দেহে কোনো সিলোম বা দেহগহ্বর থাকে না (অ্যাসিলোমেট)। কিন্তু নিমাটোডা বা গোল কৃমির দেহে ছদ্ম-সিলোম বা সিউডোসিলোম (Pseudocoelom) থাকে।
20. মেটামেরিজম (Metamerism) বা খণ্ডকায়ন কোন পর্বের প্রাণীতে দেখা যায়?
উত্তর দেখুন
উত্তর: অ্যানিলিডা বা অঙ্গুরীমাল পর্বের প্রাণীদের (যেমন—কেঁচো) দেহ অসংখ্য আংটির মতো খণ্ডক নিয়ে গঠিত, একে মেটামেরিজম বলে।
21. আর্থ্রোপোডা বা সন্ধিপদ পর্বের প্রাণীদের রক্ত সংবহনতন্ত্র কী প্রকৃতির?
উত্তর দেখুন
উত্তর: আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের রক্ত সংবহনতন্ত্র মুক্ত প্রকৃতির এবং এদের দেহগহ্বর রক্ত বা হিমোলিম্ফ দ্বারা পূর্ণ থাকে (হিমোসিল)।
22. ম্যানট্ল (Mantle) পর্দা ও রাডুলা (Radula) কোন পর্বের বৈশিষ্ট্য?
উত্তর দেখুন
উত্তর: এটি মোলাস্কা বা কম্বোজ পর্বের বৈশিষ্ট্য। এদের নরম দেহ ম্যানট্ল পর্দা দিয়ে ঢাকা থাকে এবং মুখবিবরে রাডুলা বা ‘ঘর্ষণ জিহ্বা’ থাকে।
23. একাইনোডার্মাটা বা কন্টকত্বকী প্রাণীদের জলসংবহন তন্ত্রের কাজ কী?
উত্তর দেখুন
উত্তর: একাইনোডার্মাটা প্রাণীদের জলসংবহন তন্ত্র (Water vascular system) মূলত গমন, খাদ্য গ্রহণ এবং শ্বাসকার্যে সহায়তা করে।
24. কর্ডাটা পর্বের প্রাণীদের তিনটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তর দেখুন
উত্তর: ১) জীবনের যেকোনো দশায় পৃষ্ঠদেশে নোটোকর্ড থাকে। ২) পৃষ্ঠদেশে ফাঁপা নার্ভকর্ড বা স্নায়ুরজ্জু থাকে। ৩) গলবিলের দুপাশে ফুলকা ছিদ্র থাকে।
25. হেমিকর্ডাটাকে কেন ‘কর্ডাটা’ ও ‘অমেরুদণ্ডী’র সংযোগরক্ষাকারী বলা হয়?
উত্তর দেখুন
উত্তর: হেমিকর্ডাটা পর্বের প্রাণীদের দেহে নোটোকর্ডের মতো গঠন (স্টোমোকর্ড) থাকলেও প্রকৃত নোটোকর্ড নেই। এদের কিছু বৈশিষ্ট্য কর্ডাটার মতো আবার কিছু বৈশিষ্ট্য অমেরুদণ্ডীর মতো, তাই এদের সংযোগরক্ষাকারী প্রাণী বলা হয়।
26. ইউরোকর্ডাটা (Urochordata) উপপর্বের বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর দেখুন
উত্তর: ইউরোকর্ডাটা প্রাণীদের শুধুমাত্র লার্ভা দশায় লেজে নোটোকর্ড থাকে, পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে থাকে না। এদের দেহ ‘টিউনিক’ নামক আবরণ দিয়ে ঢাকা থাকে। (যেমন—অ্যাসিন্ডিয়া)।
27. সেফালোকর্ডাটা (Cephalochordata) কাদের বলে?
উত্তর দেখুন
উত্তর: যেসব কর্ডাটা প্রাণীর নোটোকর্ড ও নার্ভকর্ড আজীবন দেহের মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে, তাদের সেফালোকর্ডাটা বলে। (যেমন—অ্যাম্ফিয়ক্সাস)।
28. কনড্রিকথিস (Chondrichthyes) বা তরুণাস্থিযুক্ত মাছের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তর দেখুন
উত্তর: ১) এদের অন্তঃকঙ্কাল তরুণাস্থি দিয়ে তৈরি। ২) দেহে প্ল্যাকয়েড (Placoid) আঁশ থাকে এবং কানকো থাকে না। (যেমন—হাঙ্গর)।
29. অস্টিকথিস (Osteichthyes) বা অস্থিযুক্ত মাছের আঁশ ও লেজ কেমন হয়?
উত্তর দেখুন
উত্তর: অস্টিকথিস মাছের আঁশ সাধারণত সাইক্লয়েড বা টিনয়েড প্রকৃতির হয় এবং এদের লেজ বা পুচ্ছপাখনা হোমোসার্কাল (সমান দুই ভাগে বিভক্ত) প্রকৃতির হয়।
30. উভচর বা অ্যাম্পিবিয়া (Amphibia) শ্রেণীর প্রাণীদের ত্বক কেমন হয়?
উত্তর দেখুন
উত্তর: উভচর প্রাণীদের ত্বক নগ্ন, সিক্ত বা ভিজে এবং গ্রন্থিযুক্ত হয়। ত্বকে কোনো আঁশ থাকে না। ত্বক শ্বাসকার্যে সাহায্য করে।
31. সরীসৃপ বা রেপটিলিয়া (Reptilia)-দের হৃৎপিণ্ডের গঠন কেমন?
উত্তর দেখুন
উত্তর: সরীসৃপদের হৃৎপিণ্ড অসম্পূর্ণভাবে চারটি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত (দুটি অলিন্দ ও একটি অর্ধ-বিভক্ত নিলয়)। তবে ব্যতিক্রম হলো কুমির, যার হৃৎপিণ্ড সম্পূর্ণ চার প্রকোষ্ঠযুক্ত।
32. পক্ষী বা Aves শ্রেণীর প্রাণীদের নিউম্যাটিক অস্থি (Pneumatic bone) থাকে কেন?
উত্তর দেখুন
উত্তর: পাখিদের হাড়গুলি ফাঁপা এবং বাতাসপূর্ণ থাকে, একে নিউম্যাটিক অস্থি বলে। এটি দেহের ওজন কমিয়ে আকাশে উড়তে সাহায্য করে।
33. স্তন্যপায়ী বা ম্যামেলিয়া (Mammalia) শ্রেণীর দুটি অনন্য বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তর দেখুন
উত্তর: ১) স্ত্রী প্রাণীদের দেহে কার্যকরী স্তনগ্রন্থি (Mammary gland) থাকে। ২) সারা দেহ লোম বা চুল দ্বারা আবৃত থাকে এবং বক্ষগহ্বর ও উদরগহ্বরের মাঝে ডায়াফ্রাম থাকে।
34. বিপাক (Metabolism) কাকে বলে?
উত্তর দেখুন
উত্তর: জীবদেহের সজীব কোশে অনবরত যে গঠনমূলক ও ভাঙনমূলক রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে, তাদের সমষ্টিগত ফলকে বিপাক বলে।
35. উপচিতি (Anabolism) ও অপচিতি (Catabolism) বিপাকের পার্থক্য কী?
উত্তর দেখুন
উত্তর: উপচিতি হলো গঠনমূলক বিপাক যাতে জীবের শুষ্ক ওজন বাড়ে (যেমন—সালোকসংশ্লেষ)। আর অপচিতি হলো ভাঙনমূলক বিপাক যাতে জীবের শুষ্ক ওজন কমে (যেমন—শ্বসন)।
36. ইকোলজি (Ecology) ও ইথোলজি (Ethology)-র মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর দেখুন
উত্তর: ইকোলজি হলো জীবের সাথে পরিবেশের সম্পর্ক বিষয়ক বিজ্ঞান। আর ইথোলজি হলো প্রাণীদের আচরণ (Behavior) সংক্রান্ত বিজ্ঞান।
37. বায়োনিক্স (Bionics) কী?
উত্তর দেখুন
উত্তর: জীববিদ্যা ও ইলেকট্রনিক্সের সমন্বয়ে গঠিত বিজ্ঞান, যেখানে জীবের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যকে কাজে লাগিয়ে প্রযুক্তিগত যন্ত্র (যেমন—রোবট, সেন্সর) তৈরি করা হয়।
38. মাইক্রোস্ফিয়ার (Microsphere) মডেলটি কার এবং এটি কী?
উত্তর দেখুন
উত্তর: বিজ্ঞানী সিডনি ফক্সের মতে, আদিম পৃথিবীতে অ্যামাইনো অ্যাসিডগুলি যুক্ত হয়ে প্রোটিনয়েড গঠন করে এবং তা গরম জলে যে গোলকাকার গঠন তৈরি করে, তাকে মাইক্রোস্ফিয়ার বলে। এটি অর্ধভেদ্য পর্দাযুক্ত ছিল।
39. প্রোটোসেল (Protocell) বা আদি কোশ কীভাবে গঠিত হয়েছিল?
উত্তর দেখুন
উত্তর: কোয়াসারভেট বা মাইক্রোস্ফিয়ারের সাথে নিউক্লিক অ্যাসিড (RNA) যুক্ত হয়ে যে স্ব-প্রজননশীল আদিম কোশীয় গঠন তৈরি হয়েছিল, তাকে প্রোটোসেল বলে।
40. নগ্ন জিন (Naked Gene) কী?
উত্তর দেখুন
উত্তর: আদিম পৃথিবীতে সৃষ্ট প্রথম নিউক্লিক অ্যাসিড বা RNA, যা কোনো আবরণ ছাড়াই অবস্থান করত এবং প্রতিলিপি গঠনে সক্ষম ছিল, তাকে নগ্ন জিন বলা হয়।
41. প্যারালিওন্টোলজি (Paleontology) বা প্রত্নজীববিদ্যা কাকে বলে?
উত্তর দেখুন
উত্তর: জীববিদ্যার যে শাখায় প্রাগৈতিহাসিক যুগের উদ্ভিদ ও প্রাণীদের জীবাশ্ম (Fossils) সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, তাকে প্যালিওন্টোলজি বলে।
42. সাইটোলজি (Cytology) ও হিস্টোলজি (Histology)-র মূল বিষয় কী?
উত্তর দেখুন
উত্তর: সাইটোলজি হলো কোশের গঠন ও কাজ বিষয়ক বিজ্ঞান। আর হিস্টোলজি হলো জীবদেহের বিভিন্ন কলা (Tissue) ও তার গঠন বিষয়ক বিজ্ঞান।
43. উদ্ভিদজগতের শৈবাল (Algae) ও ছত্রাক (Fungi)-এর পুষ্টিগত পার্থক্য কী?
উত্তর দেখুন
উত্তর: শৈবালের দেহে ক্লোরোফিল থাকায় তারা স্বভোজী (Autotrophic)। অন্যদিকে, ছত্রাকের দেহে ক্লোরোফিল না থাকায় তারা মৃতজীবী বা পরভোজী (Heterotrophic)।
44. সিলোম (Coelom) কী?
উত্তর দেখুন
উত্তর: ত্রি-স্তরবিশিষ্ট প্রাণীদের দেহপ্রাচীর ও পৌষ্টিকনালীর মাঝখানে মেসোডার্ম স্তর দিয়ে ঘেরা যে গহ্বর থাকে, তাকে সিলোম বলে (যেমন—অ্যানিলিডা থেকে কর্ডাটা পর্বের প্রাণীদের থাকে)।
45. জীববৈচিত্র্য বা বায়োডাইভারসিটির একটি গুরুত্ব লেখো।
উত্তর দেখুন
উত্তর: জীববৈচিত্র্য বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং মানুষের খাদ্য, ওষুধ ও শিল্পের কাঁচামাল জোগাড় করতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।
46. মিলার ও উরের পরীক্ষায় (Miller & Urey Experiment) কোন কোন অ্যামাইনো অ্যাসিড পাওয়া গিয়েছিল?
উত্তর দেখুন
উত্তর: গ্লাইসিন (Glycine), অ্যালানিন (Alanine) এবং অ্যাসপারটিক অ্যাসিড প্রভৃতি জৈব যৌগ পাওয়া গিয়েছিল।