নবম শ্রেণি: ভূগোল, অধ্যায় – 3 ‘ভূপৃষ্ঠে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয়’ ৫ নম্বরের প্রশ্নত্তোর
অধ্যায় ৩: রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর (মান – ৫)
১. অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার মধ্যে পার্থক্যগুলি আলোচনা করো।
বিস্তারিত উত্তর
ভূমিকা: পৃথিবীপৃষ্ঠে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয়ের জন্য অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখা উভয়েরই গুরুত্ব অপরিসীম। নিচে এদের প্রধান পার্থক্যগুলি আলোচনা করা হলো:
| বিষয় | অক্ষরেখা (Latitudes) | দ্রাঘিমারেখা (Longitudes) |
|---|---|---|
| ১. আকৃতি | অক্ষরেখাগুলি হলো পূর্ণবৃত্তাকার রেখা (কেবল মেরুবিন্দু বাদে)। | দ্রাঘিমারেখাগুলি হলো অর্ধবৃত্তাকার রেখা। |
| ২. বিস্তৃতি ও দিক | এগুলি পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত এবং পৃথিবীকে বেষ্টন করে থাকে। | এগুলি উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত এবং দুই মেরু বিন্দুতে মিলিত হয়। |
| ৩. দৈর্ঘ্য বা পরিধি | নিরক্ষরেখা থেকে মেরুর দিকে অক্ষরেখাগুলির পরিধি ক্রমশ কমতে থাকে। অর্থাৎ এরা অসমান দৈর্ঘ্যের হয়। | প্রতিটি দ্রাঘিমারেখার দৈর্ঘ্য সমান হয়। |
| ৪. সমান্তরালতা | অক্ষরেখাগুলি পরস্পর সমান্তরাল। একটি রেখা অন্যটিকে কখনোই স্পর্শ করে না। | দ্রাঘিমারেখাগুলি সমান্তরাল নয়। নিরক্ষরেখায় এদের দূরত্ব সবচেয়ে বেশি এবং মেরুতে গিয়ে এরা সব এক বিন্দুতে মিলিত হয়। |
| ৫. গুরুত্ব | প্রধানত জলবায়ু বা তাপমণ্ডল নির্ণয়ে এবং অক্ষাংশ নির্ণয়ে সাহায্য করে। | প্রধানত সময় নির্ণয়ে এবং দ্রাঘিমাংশ নির্ণয়ে সাহায্য করে। |
| ৬. সংখ্যা | মোট অক্ষরেখার সংখ্যা ১৭৯টি (মেরুবিন্দু বাদ দিয়ে)। | মোট দ্রাঘিমারেখার সংখ্যা ৩৬০টি। |
২. স্থানীয় সময় ও প্রমাণ সময়ের মধ্যে পার্থক্য লেখো। ভারতের প্রমাণ সময়ের গুরুত্ব কী?
বিস্তারিত উত্তর
ক) স্থানীয় সময় ও প্রমাণ সময়ের পার্থক্য:
| বিষয় | স্থানীয় সময় (Local Time) | প্রমাণ সময় (Standard Time) |
|---|---|---|
| ১. সংজ্ঞা | আকাশে মধ্যাহ্ন সূর্যের অবস্থান অনুযায়ী কোনো নির্দিষ্ট দ্রাঘিমার যে সময় ঠিক করা হয়, তাকে স্থানীয় সময় বলে। | দেশের মাঝখান দিয়ে যাওয়া কোনো নির্দিষ্ট দ্রাঘিমার স্থানীয় সময়কে যখন সারা দেশের সময় হিসেবে ধরা হয়, তাকে প্রমাণ সময় বলে। |
| ২. পরিবর্তন | দ্রাঘিমা বদলালেই স্থানীয় সময় বদলে যায় (১° তে ৪ মিনিট)। | সমগ্র দেশে বা একটি নির্দিষ্ট টাইম জোনে এই সময় একই থাকে। |
| ৩. সংখ্যা | একটি দেশে অসংখ্য স্থানীয় সময় থাকতে পারে। | সাধারণত একটি দেশে একটিই প্রমাণ সময় থাকে (ব্যতিক্রম: রাশিয়া, আমেরিকা)। |
খ) ভারতের প্রমাণ সময়ের গুরুত্ব:
- সময়ের জটিলতা দূরীকরণ: ভারতের পূর্ব প্রান্ত (অরুণাচল প্রদেশ) ও পশ্চিম প্রান্তের (গুজরাট) মধ্যে স্থানীয় সময়ের পার্থক্য প্রায় ২ ঘণ্টা। প্রমাণ সময় না থাকলে ট্রেন বা বিমানের সময়সূচি তৈরিতে চরম বিভ্রান্তি হতো।
- প্রশাসনিক সুবিধা: অফিস, আদালত, স্কুল, কলেজ—সব জায়গায় একই সময়ে কাজ শুরু ও শেষ করার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় থাকা জরুরি।
- যোগাযোগ ব্যবস্থা: রেডিও, টেলিভিশন সম্প্রচার এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় সারা দেশে এক সময় বজায় রাখতে এটি অপরিহার্য।
৩. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কী? একে ১৮০° দ্রাঘিমা অনুসরণ করে কেন টানা হয়েছে এবং এটি মাঝে মাঝে বাঁকানো হয়েছে কেন?
বিস্তারিত উত্তর
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা:
ভূপৃষ্ঠে তারিখ ও বার সংক্রান্ত বিভ্রান্তি এড়ানোর জন্য ১৮০° দ্রাঘিমারেখাকে অনুসরণ করে প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত যে কাল্পনিক রেখা টানা হয়েছে, তাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলে।
১৮০° দ্রাঘিমাকে বেছে নেওয়ার কারণ:
- ১৮০° পূর্ব এবং ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা আসলে একই রেখা।
- মূলমধ্যরেখা (০°) থেকে পূর্ব দিকে বা পশ্চিম দিকে ১৮০° গেলে সময়ের পার্থক্য হয় ১২ ঘণ্টা করে। অর্থাৎ এই রেখাতেই সময়ের পার্থক্য হয় সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা বা ১ দিন। তাই তারিখ পরিবর্তনের জন্য এটিই আদর্শ স্থান।
রেখাটি বাঁকানো হওয়ার কারণ:
রেখাটি যদি সর্বদা ১৮০° দ্রাঘিমাকে অনুসরণ করত, তবে বেশ কিছু দ্বীপ ও স্থলভাগের ওপর দিয়ে যেত। এর ফলে একই দ্বীপ বা দেশের অধিবাসীদের মধ্যে বার ও তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতো। এই অসুবিধা এড়াতে রেখাটিকে স্থলভাগ এড়িয়ে জলভাগের ওপর দিয়ে বাঁকিয়ে দেওয়া হয়েছে। যেমন:
- উত্তরে অ্যালোউশিয়ান দ্বীপপুঞ্জকে এড়ানোর জন্য রেখাটিকে পশ্চিমে বাঁকানো হয়েছে।
- দক্ষিণে ফিজি, টঙ্গা, চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জকে এড়ানোর জন্য রেখাটিকে পূর্বে বাঁকানো হয়েছে।
- সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্ব অংশকে এড়ানোর জন্য রেখাটি বেরিং প্রণালীর কাছে পূর্বে বাঁকানো হয়েছে।
৪. ভূপৃষ্ঠে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয়ের পদ্ধতিগুলি আলোচনা করো।
বিস্তারিত উত্তর
ভূমিকা: পৃথিবী পৃষ্ঠে কোনো জায়গা ঠিক কোথায় অবস্থিত, তা নিখুঁতভাবে জানার জন্য আমরা প্রধানত দুটি পদ্ধতি ব্যবহার করি:
১. অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশের সাহায্যে (ভূজালক পদ্ধতি):
এটিই হলো অবস্থান নির্ণয়ের বৈজ্ঞানিক ও প্রধান পদ্ধতি। গ্লোব বা মানচিত্রের ওপর কাল্পনিক অক্ষরেখা (পূর্ব-পশ্চিমে) এবং দ্রাঘিমারেখা (উত্তর-দক্ষিণে) পরস্পরকে লম্বভাবে ছেদ করে একটি জালক বা ‘ভূজালক’ (Earth Grid) তৈরি করে।
- কোনো নির্দিষ্ট স্থানটি ঠিক কোন অক্ষরেখা এবং কোন দ্রাঘিমারেখার সংযোগস্থলে অবস্থিত, তা নির্ণয় করলেই ওই স্থানের অবস্থান জানা যায়।
- উদাহরণ: কলকাতার অবস্থান হলো ২২°৩৪’ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°৩০’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। অর্থাৎ কলকাতা নিরক্ষরেখার উত্তরে এবং মূলমধ্যরেখার পূর্বে অবস্থিত।
২. সময় ও দ্রাঘিমার সাহায্যে:
কোনো স্থানের স্থানীয় সময় এবং গ্রিনিচের সময়ের (GMT) পার্থক্য জেনে সেই স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।
- যদি কোনো স্থানের সময় গ্রিনিচের চেয়ে এগিয়ে থাকে তবে তা পূর্ব গোলার্ধে এবং পিছিয়ে থাকলে পশ্চিম গোলার্ধে অবস্থিত।
- সময়ের পার্থক্যকে ৪ দিয়ে ভাগ করে দ্রাঘিমার পার্থক্য বের করা হয়।
৩. জিপিএস (GPS) বা আধুনিক পদ্ধতি:
বর্তমানে কৃত্রিম উপগ্রহের সাহায্যে জিপিএস রিসিভার ব্যবহার করে পৃথিবীর যেকোনো স্থানের অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ ও উচ্চতা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে নির্ণয় করা যায়।
৫. পৃথিবীর প্রধান তাপমণ্ডল বা জলবায়ু অঞ্চলগুলির চিত্রসহ বর্ণনা দাও।
বিস্তারিত উত্তর
ভূমিকা: অক্ষাংশ ভেদে সূর্যরশ্মির পতন কোণের তারতম্যের ওপর ভিত্তি করে পৃথিবীকে তিনটি প্রধান তাপমণ্ডল বা জলবায়ু অঞ্চলে ভাগ করা হয়।
[Image of heat zones of the earth diagram]১. উষ্ণমণ্ডল (Torrid Zone):
অবস্থান: নিরক্ষরেখার উত্তরে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩.৫° উঃ) এবং দক্ষিণে মকরক্রান্তি রেখা (২৩.৫° দঃ) পর্যন্ত অঞ্চল।
বৈশিষ্ট্য: এখানে সূর্যরশ্মি সারা বছর লম্বভাবে কিরণ দেয়। ফলে বার্ষিক গড় উষ্ণতা সর্বদা বেশি থাকে (২৭°C এর বেশি)। এখানে ঋতু পরিবর্তন খুব একটা বোঝা যায় না।
২. নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডল (Temperate Zone):
অবস্থান: উভয় গোলার্ধে ২৩.৫° থেকে ৬৬.৫° অক্ষাংশের মধ্যবর্তী অঞ্চল।
বৈশিষ্ট্য: এখানে সূর্যরশ্মি তির্যকভাবে পড়ে। ফলে খুব বেশি গরমও হয় না, আবার খুব বেশি ঠান্ডাও থাকে না। আবহাওয়া মনোরম থাকে এবং চারটি ঋতু স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।
৩. হিমমণ্ডল (Frigid Zone):
অবস্থান: উভয় গোলার্ধে ৬৬.৫° (সুমেরু/কুমেরু বৃত্ত) থেকে ৯০° (মেরুবিন্দু) অক্ষাংশ পর্যন্ত অঞ্চল।
বৈশিষ্ট্য: এখানে সূর্যরশ্মি অত্যন্ত তির্যকভাবে পড়ে এবং বছরের অনেকটা সময় সূর্য দেখাই যায় না। ফলে সারা বছর উষ্ণতা হিমাঙ্কের নিচে থাকে এবং অধিকাংশ স্থান বরফে ঢাকা থাকে।
৬. দ্রাঘিমার সাথে সময়ের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো। (বা, দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য হয় কেন?)
বিস্তারিত উত্তর
ভূমিকা: পৃথিবীর আবর্তন গতির জন্যই দ্রাঘিমার সাথে সময়ের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। পৃথিবী তার অক্ষের ওপর পশ্চিম থেকে পূর্বে আবর্তন করছে।
১. ৩৬০ ডিগ্রি আবর্তন:
পৃথিবী একবার পূর্ণ আবর্তন করতে বা ৩৬০° ঘুরতে সময় নেয় প্রায় ২৪ ঘণ্টা বা (২৪ × ৬০) = ১৪৪০ মিনিট।
২. ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার সময়ের পার্থক্য:
যেহেতু ৩৬০° ঘুরতে সময় লাগে ১৪৪০ মিনিট।
সুতরাং, ১° ঘুরতে সময় লাগে = ১৪৪০ ÷ ৩৬০ = ৪ মিনিট।
অর্থাৎ, প্রতি ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট।
৩. ১ মিনিট দ্রাঘিমার সময়ের পার্থক্য:
আবার, ১° = ৬০ মিনিট (দ্রাঘিমা)।
সুতরাং, ৬০’ দ্রাঘিমার জন্য সময় লাগে ৪ মিনিট বা ২৪০ সেকেন্ড।
অতএব, ১’ (মিনিট) দ্রাঘিমার জন্য সময় লাগে = ২৪০ ÷ ৬০ = ৪ সেকেন্ড।
৪. সময়ের অগ্রবর্তী ও পশ্চাদবর্তী হওয়া:
পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বে ঘোরে বলে, পূর্বদিকের স্থানগুলোতে সূর্য আগে ওঠে। তাই মূলমধ্যরেখা থেকে পূর্বে গেলে সময় বাড়ে (যোগ হয়) এবং পশ্চিমে গেলে সময় কমে (বিয়োগ হয়)।
৭. মহাবৃত্ত (Great Circle) কাকে বলে? এর বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব আলোচনা করো।
বিস্তারিত উত্তর
সংজ্ঞা: যে কাল্পনিক বৃত্তের কেন্দ্র এবং পৃথিবীর কেন্দ্র একই বিন্দুতে অবস্থান করে এবং যা পৃথিবীকে দুটি সমান গোলার্ধে বিভক্ত করে, তাকে মহাবৃত্ত বলে। যেমন—নিরক্ষরেখা।
বৈশিষ্ট্য:
- ভূপৃষ্ঠে অঙ্কিত যেকোনো বৃত্তের মধ্যে মহাবৃত্তই হলো বৃহত্তম।
- দুটি বিপরীত দ্রাঘিমারেখা (যেমন ০° ও ১৮০°) যুক্ত করলে একটি মহাবৃত্ত তৈরি হয়।
- নিরক্ষরেখা ছাড়া আর কোনো অক্ষরেখা মহাবৃত্ত নয় (তারা ক্ষুদ্রবৃত্ত)।
গুরুত্ব (নেভিগেশন বা দিকনির্ণয়ে):
- ভূপৃষ্ঠের ওপর অবস্থিত যেকোনো দুটি স্থানের মধ্যে ক্ষুদ্রতম দূরত্ব হলো ওই দুটি স্থানের ওপর দিয়ে অঙ্কিত মহাবৃত্তের চাপ।
- তাই দূরপাল্লার বিমান এবং জাহাজগুলি জ্বালানি ও সময় সাশ্রয়ের জন্য মহাবৃত্তের পথ (Great Circle Route) অনুসরণ করে চলাচল করে।
৮. প্রতিপাদ স্থান (Antipodes) কাকে বলে? এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি কী কী?
বিস্তারিত উত্তর
সংজ্ঞা: ভূপৃষ্ঠের কোনো বিন্দুর ঠিক বিপরীতে পৃথিবীর কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে অঙ্কিত ব্যাস অপর প্রান্তে যে বিন্দুতে ছেদ করে, তাকে প্রথম বিন্দুর প্রতিপাদ স্থান বলে।
বৈশিষ্ট্য:
- অক্ষাংশ: কোনো স্থান ও তার প্রতিপাদ স্থানের অক্ষাংশের মান একই থাকে, কিন্তু গোলার্ধ বিপরীত হয়। (যেমন—স্থানটি ৫০° উত্তর হলে, প্রতিপাদ স্থানটি ৫০° দক্ষিণ হবে)।
- দ্রাঘিমা: কোনো স্থান ও তার প্রতিপাদ স্থানের দ্রাঘিমার যোগফল সর্বদা ১৮০° হয় এবং গোলার্ধ বিপরীত হয়। (যেমন—স্থানটি ৭০° পূর্ব হলে, প্রতিপাদ স্থানটি (১৮০ – ৭০) = ১১০° পশ্চিম হবে)।
- সময়ের পার্থক্য: দুটি স্থানের মধ্যে দ্রাঘিমার পার্থক্য ১৮০° হওয়ায় সময়ের পার্থক্য সর্বদা ১২ ঘণ্টা হয়।
- ঋতু ও দিন-রাত্রি: একটি স্থানে যখন দিন, প্রতিপাদ স্থানে তখন রাত। একটি স্থানে গ্রীষ্মকাল হলে, অপরটিতে শীতকাল বিরাজ করে।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)
অধ্যায় ৩: অবস্থান নির্ণয় | নবম শ্রেণী ভূগোল