নবম শ্রেণি: ভূগোল, অধ্যায় – 5 আবহবিকার বিশ্লেষণাত্মক প্রশ্ন উত্তর মান 3

অধ্যায় ৫: আপনার দেওয়া বিশ্লেষণাত্মক প্রশ্নোত্তর (মান – ৩)

১. আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবনের সম্পর্ক কী?

বিস্তারিত উত্তর

আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন একে অপরের পরিপূরক এবং নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। এদের সম্পর্কগুলি হলো:

  1. পরস্পর নির্ভরশীলতা: আবহবিকার কঠিন শিলাকে চূর্ণবিচূর্ণ করে আলগা করে দেয়। এই আলগা শিলাচূর্ণগুলোকে নদীর স্রোত বা বায়ু খুব সহজেই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বহন করে নিয়ে যায়। অর্থাৎ, আবহবিকার ক্ষয়ীভবনের কাজের পথ প্রশস্ত করে।
  2. কাজের ক্রম: প্রকৃতিতে সাধারণত প্রথমে আবহবিকার ঘটে শিলা শিথিল হয় এবং তারপর ক্ষয়ীভবন বা স্থানচ্যুতি ঘটে।
  3. সম্মিলিত ফলাফল: এই দুই প্রক্রিয়ার (সাথে পুঞ্জিত ক্ষয়) সম্মিলিত কাজের ফলেই ভূপৃষ্ঠের সমতলীকরণ বা ‘নগ্নীভবন’ (Denudation) ঘটে। একটি ছাড়া অন্যটি অসম্পূর্ণ।

২. শল্কমোচন প্রক্রিয়া কীভাবে ঘটে?

বিস্তারিত উত্তর

শর্ত: এটি প্রধানত উষ্ণ মরু অঞ্চলে সমসত্ত্ব শিলা (বিশেষত গ্রানাইট)-তে ঘটে। ‘শল্ক’ মানে ছাল এবং ‘মোচন’ মানে খুলে আসা।

প্রক্রিয়া:

  • শিলা তাপের কুপরিবাহী। দিনের বেলা প্রখর রোদে শিলার বাইরের স্তর যতটা উত্তপ্ত ও প্রসারিত হয়, ভেতরের স্তর ততটা প্রসারিত হতে পারে না।
  • আবার রাতে দ্রুত তাপ বিকিরণ করে শিলার বাইরের স্তর খুব তাড়াতাড়ি সংকুচিত হয়।
  • বছরের পর বছর এই অসম প্রসারণ ও সংকোচনের ফলে শিলার বাইরের স্তর ও ভেতরের স্তরের মধ্যে প্রবল টানের সৃষ্টি হয়। এর ফলে বাইরের স্তরটি মূল শিলা থেকে পেঁয়াজের খোসার মতো গোলাকারভাবে সম্পূর্ণ খুলে যায়। এর ফলে পাহাড় গম্বুজের মতো আকার ধারণ করে।

৩. ক্ষুদ্রকণা বিশরণ প্রক্রিয়া কীভাবে ঘটে?

বিস্তারিত উত্তর

শর্ত: এটি মরু অঞ্চলে বিষমস্বত্ব শিলায় (যাতে বিভিন্ন রঙের ও বৈশিষ্ট্যের একাধিক খনিজ থাকে) বেশি ঘটে।

প্রক্রিয়া:

  • সূর্যের প্রখর তাপে শিলার ভেতরে থাকা বিভিন্ন খনিজ পদার্থগুলো তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় প্রসারিত হয় (যেমন—কালো খনিজ বেশি তাপ টানে, সাদা খনিজ কম)।
  • আবার রাতে তাপমাত্রা কমে গেলে সেগুলো ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় সংকুচিত হয়।
  • এই অসম প্রসারণ ও সংকোচনের কারণে খনিজগুলোর সংযোগস্থলে প্রচণ্ড টানের সৃষ্টি হয়। এর ফলে শিলাটি বন্দুকের গুলি ছোঁড়ার মতো সশব্দে ফাটে এবং টুকরো টুকরো হয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বালুকণায় পরিণত হয়।

৪. প্রস্তরচাঁই খন্ডিকরন কীভাবে ঘটে?

বিস্তারিত উত্তর

শর্ত: এটি উষ্ণ মরু অঞ্চলে ব্যাসাল্টের মতো ফাটলযুক্ত বা দারনযুক্ত শিলায় বেশি দেখা যায়।

প্রক্রিয়া:

  • ব্যাসাল্ট জাতীয় শিলায় প্রকৃতিগতভাবেই লম্বালম্বি এবং আড়াআড়ি ফাটল (Joints) থাকে।
  • মরুভূমির প্রখর রোদ এবং রাতের ঠান্ডায় শিলাস্তর পর্যায়ক্রমে প্রসারিত ও সংকুচিত হতে থাকে।
  • এই ক্রমাগত প্রসারণ ও সংকোচনের ফলে ফাটলগুলো ক্রমশ চওড়া হতে থাকে এবং একসময় ওই ফাটল বরাবর শিলাগুলো বড় বড় চৌকো বা আয়তাকার ব্লকের (Block) মতো খণ্ডে খণ্ডে ভেঙে যায়।

৫. জৈব আবহবিকার কীভাবে ঘটে? অথবা, উদ্ভিদ ও প্রাণীর মাধ্যমে আবহবিকার কীভাবে ঘটে?

বিস্তারিত উত্তর

উদ্ভিদ ও প্রাণী যান্ত্রিক এবং রাসায়নিক—উভয়ভাবেই শিলাকে চূর্ণবিচূর্ণ করে।

  1. উদ্ভিদের দ্বারা (যান্ত্রিক ও রাসায়নিক): গাছের মোটা শিকড় শিলার ফাটলের মধ্যে প্রবেশ করে। গাছ যত বড় হয়, শিকড় তত মোটা হয় এবং ফাটলকে চওড়া করে শিলাকে যান্ত্রিকভাবে ফাটিয়ে দেয়। এছাড়া, গাছের শিকড় থেকে নিঃসৃত রস শিলাকে রাসায়নিকভাবে দুর্বল করে গলিয়ে দেয় (চিলেশন)।
  2. প্রাণীর দ্বারা (যান্ত্রিক ও রাসায়নিক): কেঁচো, ইঁদুর, প্রেইরি কুকুর, উইপোকা প্রভৃতি প্রাণী মাটিতে গর্ত খুঁড়ে শিলাকে যান্ত্রিকভাবে আলগা করে। আবার এদের মৃতদেহ পচে যে হিউমিক অ্যাসিড তৈরি হয়, তা রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে শিলাকে বিয়োজিত করে।

৬. আবহবিকারের ফলাফল উল্লেখ করো।

বিস্তারিত উত্তর

আবহবিকারের প্রধান ফলাফল বা গুরুত্বগুলি হলো:

  • রেগোলিথ ও মৃত্তিকা সৃষ্টি: আবহবিকারের ফলেই কঠিন শিলা চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে প্রথমে ‘রেগোলিথ’ এবং পরে তা থেকে উদ্ভিদ জন্মানোর উপযোগী উর্বর ‘মৃত্তিকা’ (মাটি) সৃষ্টি হয়।
  • নগ্নীভবন: আবহবিকার শিলাকে আলগা করে ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে, যার ফলে ভূপৃষ্ঠের সমতলীকরণ বা নগ্নীভবন ঘটে।
  • ভূমিরূপের পরিবর্তন: আবহবিকারের ফলে গম্বুজাকার পাহাড় (শল্কমোচনের ফলে) বা চুনাপাথরের গুহা (কার্বোনেশনের ফলে) প্রভৃতি বৈচিত্র্যময় ভূমিরূপ তৈরি হয়।
  • খনিজ পদার্থের উন্মুক্তকরণ: আবহবিকারের ফলে ওপরের আবরণ সরে গিয়ে মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা মূল্যবান খনিজ সম্পদ (লোহা, বক্সাইট) সহজে উত্তোলনের সুযোগ তৈরি হয়।

৭. আবহবিকারের সাথে সম্পর্কযুক্ত দুটি মাটির উৎপত্তির প্রক্রিয়ার সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দাও।

বিস্তারিত উত্তর

আবহবিকারের ফলে শিলাচূর্ণ থেকে মাটি সৃষ্টির দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া হলো—এলুভিয়েশন এবং ইলুভিয়েশন।

  1. এলুভিয়েশন (Eluviation): মাটির উপরিভাগে বৃষ্টির জল পড়ার পর, সেই জলের সাথে দ্রবীভূত হয়ে বা ভাসমান অবস্থায় মাটির ওপরের স্তর (A স্তর) থেকে বিভিন্ন খনিজ পদার্থ (যেমন- লোহা, অ্যালুমিনিয়াম) ধুয়ে নিচের স্তরে চলে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে এলুভিয়েশন বলে। এর ফলে ওপরের স্তরটি হালকা রঙের হয়ে যায়।
  2. ইলুভিয়েশন (Illuviation): এলুভিয়েশন প্রক্রিয়ায় ওপর থেকে ধুয়ে আসা ওই খনিজ পদার্থগুলি যখন মাটির নিচের স্তরে (B স্তরে) এসে জমা হয় বা সঞ্চিত হয়, তখন তাকে ইলুভিয়েশন বলে। এর ফলে এই স্তরটি গাঢ় রঙের ও খনিজসমৃদ্ধ হয়।

৮. মাটি ক্ষয়ের কারণগুলি কী কী?

বিস্তারিত উত্তর

মাটি ক্ষয়ের কারণগুলিকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:

১. প্রাকৃতিক কারণ:

  • প্রবল বৃষ্টিপাত ও বন্যা: মুষলধারে বৃষ্টি হলে মাটির ওপরের উর্বর স্তর ধুয়ে যায় (চাদর ক্ষয় ও নালি ক্ষয়) এবং বন্যার জলে মাটি ক্ষয়ে যায়।
  • ভূমির ঢাল ও বায়ুপ্রবাহ: পাহাড়ের খাড়া ঢালে মাটি সহজে নিচে নেমে আসে। এছাড়া গাছপালাহীন মরু বা শুষ্ক অঞ্চলে প্রবল বাতাসে ওপরের মাটি উড়ে যায়।

২. মনুষ্যসৃষ্ট কারণ:

  • বৃক্ষচ্ছেদন (Deforestation): যথেচ্ছভাবে জঙ্গল কেটে ফেললে মাটিকে ধরে রাখার মতো শিকড় থাকে না, ফলে মাটি সহজে ধুয়ে যায়।
  • অবৈজ্ঞানিক কৃষিকাজ ও পশুচারণ: পাহাড়ের ঢালে অবৈজ্ঞানিকভাবে ‘ঝুম চাষ’ করলে এবং অনিয়ন্ত্রিতভাবে গবাদি পশু চরালে তৃণভূমি নষ্ট হয়ে মাটি ক্ষয় দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

৯. জারণ বা অক্সিডেশন (Oxidation) প্রক্রিয়ায় শিলার বিয়োজন কীভাবে ঘটে?

বিস্তারিত উত্তর

প্রক্রিয়া: শিলা মধ্যস্থ লৌহ বা লোহার খনিজ যখন জলের উপস্থিতিতে বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে, তখন তাকে জারণ বলে।

ফলাফল:

  • মূল খনিজ ‘ফেরাস অক্সাইড’ (FeO) অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে ‘ফেরিক অক্সাইড’ (Fe2O3) বা মরচে-তে পরিণত হয়।
  • এর ফলে শিলাটি দুর্বল, ভঙ্গুর এবং হলদে বা লালচে বাদামি রঙের হয়ে সহজেই ভেঙে যায়।
  • উদাহরণ: উড়িষ্যার বোলানি ও ঝাড়খণ্ডের দক্ষিণ অংশে এই প্রক্রিয়ায় ল্যাটেরাইট শিলা গঠিত হতে দেখা যায়।

১০. জলযোজন বা হাইড্রেশন (Hydration) প্রক্রিয়ায় শিলার পরিবর্তন কীভাবে হয়?

বিস্তারিত উত্তর

প্রক্রিয়া: শিলার মধ্যস্থ কিছু খনিজ জলের সংস্পর্শে এলে জল শোষণ করে। খনিজের সাথে জলের এই রাসায়নিক সংযোজনকে জলযোজন বা হাইড্রেশন বলে।

ফলাফল:

  • জল শোষণের ফলে খনিজের আয়তন বৃদ্ধি পায় এবং শিলাস্তরে প্রবল চাপের সৃষ্টি হয়।
  • এই চাপে শিলা নরম ও দুর্বল হয়ে ভেঙে যায়।
  • উদাহরণ: ক্যালসিয়াম সালফেট বা অ্যানহাইড্রেট খনিজ জলযোজন প্রক্রিয়ায় জিপসামে পরিণত হয়। লাল রঙের হেমাটাইট হলুদ রঙের লিমোনাইটে পরিণত হয়।

১১. জলবায়ুর তারতম্যে আবহবিকারের প্রকৃতির কী পরিবর্তন হয়? (নিরক্ষীয় বনাম মরু অঞ্চল)

বিস্তারিত উত্তর

জলবায়ু আবহবিকারের প্রধান নিয়ন্ত্রক। ভিন্ন জলবায়ুতে আবহবিকারের ধরন ভিন্ন হয়:

  • নিরক্ষীয় জলবায়ু: এখানে সারা বছর প্রচুর বৃষ্টিপাত ও উষ্ণতা থাকে। জলের আধিক্যের কারণে এখানে রাসায়নিক আবহবিকার (যেমন- জারণ, কার্বোনেশন) সবচেয়ে বেশি ঘটে।
  • মরু জলবায়ু: এখানে বৃষ্টিপাত প্রায় হয় না বললেই চলে, কিন্তু দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য খুব বেশি। তাই এখানে রাসায়নিক আবহবিকার কম হয়, কিন্তু যান্ত্রিক আবহবিকার (যেমন- ক্ষুদ্রকণা বিশরণ) খুব প্রবল হয়।

১২. আবহবিকার ও পুঞ্জিত ক্ষয়ের মধ্যে পার্থক্য কী?

বিস্তারিত উত্তর
বিষয় আবহবিকার পুঞ্জিত ক্ষয় (Mass Wasting)
১. মূল শক্তি প্রধানত আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান কাজ করে। প্রধানত মাধ্যাকর্ষণ শক্তি (Gravity) কাজ করে।
২. স্থানচ্যুতি শিলাচূর্ণের স্থানচ্যুতি ঘটে না (স্বস্থানে থাকে)। শিলাচূর্ণ ও মাটি ওপর থেকে নিচে নেমে আসে (স্থানচ্যুতি ঘটে)।
৩. গতিবেগ এটি অত্যন্ত ধীর প্রক্রিয়া। এটি ধীর বা অত্যন্ত দ্রুত (যেমন- ধস) হতে পারে।

১৩. মৃত্তিকা সংরক্ষণের তিনটি পদ্ধতি আলোচনা করো।

বিস্তারিত উত্তর

মৃত্তিকা সংরক্ষণের প্রধান তিনটি পদ্ধতি হলো:

  1. বৃক্ষরোপণ (Afforestation): মাটির ক্ষয় রোধের সেরা উপায় হলো গাছ লাগানো। গাছের শিকড় মাটিকে শক্ত করে ধরে রাখে এবং বৃষ্টির জলের আঘাত থেকে মাটিকে রক্ষা করে।
  2. ধাপ চাষ (Terrace Farming): পাহাড়ি ঢালে সিঁড়ির মতো ধাপ কেটে চাষ করলে জলের প্রবাহ বাধা পায়, ফলে মাটির ক্ষয় কমে এবং জল মাটির গভীরে প্রবেশ করতে পারে।
  3. ফালি চাষ (Strip Cropping): ঢালু জমিতে আড়াআড়িভাবে শস্য ও তৃণজাতীয় উদ্ভিদ (যেমন- ডাল বা ঘাস) পর্যায়ক্রমে ফালির মতো চাষ করলে মাটির ক্ষয় রোধ হয় এবং উর্বরতা বজায় থাকে।

১৪. রেগোলিথ ও মাটির (Soil) মধ্যে সম্পর্ক ও পার্থক্য কী?

বিস্তারিত উত্তর

সম্পর্ক: রেগোলিথ হলো মাটি সৃষ্টির জননী বা উৎস। আবহাওয়া বিকারের ফলে সৃষ্ট শিলাচূর্ণ বা রেগোলিথ থেকেই পরবর্তীকালে দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় মাটির সৃষ্টি হয়।

পার্থক্য:

  • উপাদান: রেগোলিথ কেবল অজৈব খনিজ ও শিলাচূর্ণ দিয়ে তৈরি। কিন্তু মাটিতে খনিজের সাথে জল, বায়ু এবং জৈব পদার্থ (হিউমাস) থাকে।
  • উর্বরতা: রেগোলিথ উদ্ভিদ জন্মানোর উপযুক্ত নয়, কিন্তু মাটি উদ্ভিদের পুষ্টি ও বৃদ্ধির মাধ্যম।

১৫. মানবজীবনে মৃত্তিকার গুরুত্ব আলোচনা করো।

বিস্তারিত উত্তর

মানুষের বেঁচে থাকার জন্য মাটি অপরিহার্য:

  1. কৃষিকাজ ও খাদ্য: মানুষের খাদ্যের প্রায় পুরোটাই আসে কৃষিকাজ থেকে, যা সরাসরি উর্বর মাটির ওপর নির্ভরশীল।
  2. বসবাস ও নির্মাণ: ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, কলকারখানা নির্মাণের জন্য মাটির প্রয়োজন হয়। মাটির ইট তৈরি করে গৃহ নির্মাণ করা হয়।
  3. শিল্পের কাঁচামাল: অনেক শিল্প (যেমন- মৃৎশিল্প, সিমেন্ট শিল্প) মাটির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।
  4. জল সংরক্ষণ: মাটি বৃষ্টির জল ধরে রাখে এবং ভৌমজলের ভাণ্ডার হিসেবে কাজ করে, যা আমরা পানীয় জল হিসেবে ব্যবহার করি।

Leave A Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
শেয়ার