নবম শ্রেণি: ভূগোল, অধ্যায় – 8 পশ্চিমবঙ্গ সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর মান ২
বিভাগ-১: অবস্থান ও প্রশাসনিক বিভাগ
১. ভারতের রাজ্য পুনর্গঠন কমিশন কবে স্থাপিত হয় এবং কোন সালে রাজ্যগুলিকে ভাগ করা হয়?
উত্তর দেখো
২. রাজ্যগুলিকে ভাগ করার সময় কোন কোন বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়?
উত্তর দেখো
- ভাষা: একই ভাষাভাষী মানুষদের একই রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা।
- সংস্কৃতি: কৃষ্টি ও সংস্কৃতির সাদৃশ্য বজায় রাখা।
- প্রশাসনিক সুবিধা: শাসনকার্য পরিচালনার সুবিধা।
৩. আলিপুরদুয়ার জেলার গুরুত্ব লেখো।
উত্তর দেখো
- পর্যটন: ডুয়ার্স অঞ্চলের বিখ্যাত অভয়ারণ্যগুলি (জলদাপাড়া, বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প) এখানে অবস্থিত।
- বাণিজ্য: ভুটান সীমান্তের কাছে অবস্থিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এর গুরুত্ব অপরিসীম।
৪. পশ্চিমবঙ্গের কোন কোন জেলার ওপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা বিস্তৃত?
উত্তর দেখো
১) পুরুলিয়া, ২) বাঁকুড়া, ৩) পশ্চিম বর্ধমান, ৪) পূর্ব বর্ধমান এবং ৫) নদীয়া।
৫. DGHC ও GTA-র পুরো কথা কী?
উত্তর দেখো
- DGHC: Darjeeling Gorkha Hill Council (১৯৮৮ সালে গঠিত)।
- GTA: Gorkhaland Territorial Administration (২০১১ সালে গঠিত, যা বর্তমানে পাহাড়ের উন্নয়নের দায়িত্বে আছে)।
৬. পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ‘আসমুদ্র হিমাচল’ কথাটি ব্যবহার করা হয় কেন?
উত্তর দেখো
৭. পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক গুরুত্ব বা অবস্থানগত তাৎপর্য লেখো। (Bonus)
উত্তর দেখো
২) আন্তর্জাতিক সীমানা: নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের সাথে সীমানা থাকায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এর গুরুত্ব অসীম।
৩) বন্দর সুবিধা: কলকাতা ও হলদিয়া বন্দরের মাধ্যমে পূর্ব ভারতের বাণিজ্য চলে।
বিভাগ-২: পশ্চিমবঙ্গের ভূপ্রকৃতি
৮. পশ্চিমবঙ্গের পার্বত্য অংশের শৈলশিরাগুলির নাম লেখো।
উত্তর দেখো
- পশ্চিম দিক: সিঙ্গলিলা শৈলশিরা ও দার্জিলিং শৈলশিরা।
- পূর্ব দিক: দুরবিনদারা শৈলশিরা ও চোল শৈলশিরা।
৯. সান্দাকফুর গুরুত্ব লেখো।
উত্তর দেখো
২) পর্যটন: এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা ও মাউন্ট এভারেস্টের অপরূপ দৃশ্য দেখা যায়।
৩) ট্রেকিং: এটি ট্রেকারদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় রুট।
১০. পশ্চিমবঙ্গের মালভূমির উৎপত্তি কীভাবে ঘটেছে?
উত্তর দেখো
১১. ‘তরাই’ ও ‘ডুয়ার্স’ নামকরণের সার্থকতা কী?
উত্তর দেখো
- তরাই: তিস্তার পশ্চিম দিকের অংশটি অত্যন্ত আর্দ্র ও স্যাঁতসেঁতে, তাই একে ‘তরাই’ (স্যাঁতসেঁতে ভূমি) বলা হয়।
- ডুয়ার্স: তিস্তার পূর্ব দিকের অংশটি ভুটানে যাওয়ার প্রবেশপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই একে ‘ডুয়ার্স’ (দরজা) বলা হয়।
১২. বরেন্দ্রভূমি ও দিয়ারা কী?
উত্তর দেখো
- বরেন্দ্রভূমি: মালদা ও দক্ষিণ দিনাজপুরের প্রাচীন পলিমাটি গঠিত লালচে রঙের ঢেউখেলানো ভূমি। এটি কৃষিকাজে কম উর্বর।
- দিয়ারা: মালদা জেলার কালিন্দি নদীর দক্ষিণ দিকের নবীন পলিমাটি গঠিত অত্যন্ত উর্বর অঞ্চল। এখানে জনবসতি খুব ঘন।
১৩. মৃত বদ্বীপ ও সক্রিয় বদ্বীপের মধ্যে পার্থক্য বা বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর দেখো
- মৃত বদ্বীপ (Moribund): নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলা। এখানে নদীগুলো পলি দ্বারা ভরাট হয়ে গেছে এবং নতুন করে ভূমি গঠন কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। তাই এটি মৃত।
- সক্রিয় বদ্বীপ (Active): সুন্দরবন অঞ্চল (দক্ষিণ ২৪ পরগনা)। এখানে নদীগুলো এখনও পলি সঞ্চয় করে চলেছে এবং নতুন নতুন দ্বীপ বা চড়া গঠিত হচ্ছে। তাই এটি সক্রিয়।
১৪. ‘রাঢ় সমভূমি’র মাটির রং লাল কেন? (Bonus)
উত্তর দেখো
১৫. পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় বালিয়াড়ি বা ‘থিই’ কী? (Bonus)
উত্তর দেখো
বিভাগ-৩: পশ্চিমবঙ্গের নদনদী
১৬. উত্তরবঙ্গের ‘ত্রাসের নদী’ কোন নদীকে বলা হয় এবং কেন?
উত্তর দেখো
কারণ: বর্ষাকালে পার্বত্য অঞ্চল থেকে প্রবল বেগে নেমে আসা জলরাশি তিস্তার অগভীর খাতে ধরে না। ফলে দুকূল ছাপিয়ে ভয়াবহ বন্যা সৃষ্টি করে এবং নদী প্রায়ই গতিপথ পরিবর্তন করে প্রচুর ক্ষতি করে।
১৭. ‘পশ্চিমবঙ্গের দুঃখ’ বা ‘বাংলার দুঃখ’ কোন নদীকে বলা হতো এবং কেন?
উত্তর দেখো
কারণ: ডিভিসি (DVC) তৈরির আগে প্রতি বছর বর্ষাকালে এই নদীর বন্যায় বর্ধমান, হুগলি ও হাওড়া জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হতো এবং জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হতো।
১৮. রূপনারায়ণ এবং হলদি নদী কোন কোন নদীর মিলিত প্রবাহ?
উত্তর দেখো
- রূপনারায়ণ: দ্বারকেশ্বর এবং শিলাবতী নদীর মিলিত প্রবাহ।
- হলদি: কেলেঘাই এবং কংসাবতী নদীর মিলিত প্রবাহ।
১৯. সুন্দরবন অঞ্চলের নদীগুলির জল লবণাক্ত কেন? ‘খাঁড়ি’ কী?
উত্তর দেখো
- লবণাক্ত জল: সুন্দরবনের নদীগুলো সমুদ্রের খুব কাছে অবস্থিত এবং জোয়ারের জলে পুষ্ট। তাই জোয়ারের সময় সমুদ্রের নোনা জল নদীতে প্রবেশ করে জল লবণাক্ত করে তোলে।
- খাঁড়ি (Creek): সুন্দরবন অঞ্চলে জোয়ারের প্রভাবে নদীর মোহনাগুলি খুব চওড়া ও ফানেল আকৃতির হয়। এই ফানেল আকৃতির চওড়া মোহনাকে ‘খাঁড়ি’ বলে। এতে প্রচুর পলি জমে।
২০. সুন্দরবন অঞ্চলে প্রায়শই বন্যা দেখা যায় কেন?
উত্তর দেখো
২) নদীগর্ভ ভরাট: পলি জমে নদীর গভীরতা কমে যাওয়ায় নদী অতিরিক্ত জল ধারণ করতে পারে না।
৩) ঘূর্ণিঝড়: আইলা, আম্ফানের মতো ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাস ঘটে।
২১. দামোদর পরিকল্পনার (DVC) অন্তর্গত প্রধান জলাধারগুলির নাম লেখো।
উত্তর দেখো
১) মাইথন (বরাকর নদী), ২) পাঞ্চেত (দামোদর নদী), ৩) তিলাইয়া (বরাকর নদী) এবং ৪) কোনার (কোনার নদী)। এছাড়া দুর্গাপুরে একটি ব্যারেজ আছে।
২২. গঙ্গা বা ভাগীরথী নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণ কী? (Bonus)
উত্তর দেখো
২৩. উত্তরবঙ্গের নদী এবং দক্ষিণবঙ্গের নদীর মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো। (Bonus)
উত্তর দেখো
- জলের উৎস: উত্তরবঙ্গের নদীগুলি বরফগলা জলে পুষ্ট (নিত্যবহ)। দক্ষিণবঙ্গের (মালভূমি) নদীগুলি বৃষ্টির জলে পুষ্ট (অনিত্যবহ)।
- বন্যাপ্রবণতা: উত্তরবঙ্গের নদীগুলি বর্ষাকালে প্রায়ই বন্যা ঘটায়। দক্ষিণবঙ্গের নদীগুলি (সুন্দরবন বাদে) গ্রীষ্মকালে শুকিয়ে যায়।
বিভাগ-৪: জলবায়ু, মৃত্তিকা ও উদ্ভিদ
২৪. লু (Loo) কী?
উত্তর দেখো
২৫. আশ্বিনের ঝড় (Cyclones of Autumn) কেন হয়?
উত্তর দেখো
২৬. খরা ও বন্যা পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুর অন্যতম বৈশিষ্ট্য কেন?
উত্তর দেখো
- কখনও অতিবৃষ্টির ফলে বন্যা হয় (যেমন- উত্তরবঙ্গ ও উপকূল)।
- কখনও অনাবৃষ্টির ফলে খরা দেখা দেয় (যেমন- পুরুলিয়া, বাঁকুড়া)।
২৭. তরাই অঞ্চলের মাটির বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর দেখো
২৮. ম্যানগ্রোভ বা লবলাম্বু উদ্ভিদের অভিযোজনগত দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তর দেখো
২) শ্বাসমূল ও ঠেস মূল: কর্দমাক্ত মাটিতে শ্বাস নেওয়া এবং সোজা হয়ে দাঁড়ানোর জন্য বিশেষ মূল থাকে।
২৯. সামাজিক বনসৃজন (Social Forestry) কী?
উত্তর দেখো
বিভাগ-৫: কৃষি ও শিল্প
৩০. আমন ধান, আউশ ধান ও বোরো ধান কখন চাষ করা হয়?
উত্তর দেখো
- আমন: বর্ষাকালে চাষ হয় (জুন-জুলাই) এবং শীতে কাটা হয় (নভেম্বর-ডিসেম্বর)। এটিই প্রধান।
- আউশ: প্রাক-বর্ষায় বা গ্রীষ্মে চাষ হয় এবং ভাদ্র মাসে কাটা হয়।
- বোরো: শীতকালে চাষ হয় এবং গ্রীষ্মের শুরুতে কাটা হয় (সেচ নির্ভর)।
৩১. পাট পচানোর জন্য কী ধরনের জল প্রয়োজন?
উত্তর দেখো
৩২. দার্জিলিংয়ের চা ও অসমের চায়ের মূল পার্থক্য কী?
উত্তর দেখো
- দার্জিলিং চা: এটি তার অতুলনীয় স্বাদ ও সুগন্ধের (Flavour) জন্য বিশ্ববিখ্যাত। এর উৎপাদন কম কিন্তু দাম বেশি।
- অসম চা: এটি তার কড়া লিকার ও রঙের জন্য বিখ্যাত। এর উৎপাদন অনেক বেশি।
৩৩. পশ্চিমবঙ্গের পাট শিল্পের দুটি সমস্যা লেখো।
উত্তর দেখো
২) পুরানো যন্ত্রপাতি: অধিকাংশ পাটকলের যন্ত্রপাতি মান্ধাতা আমলের, ফলে উৎপাদন খরচ বেশি পড়ে।
৩৪. হুগলী নদীর উভয় তীরে পাট শিল্প গড়ে ওঠার কারণ কী?
উত্তর দেখো
২) পরিবহন: গঙ্গা বা হুগলি নদী এবং রেলপথের মাধ্যমে সস্তায় পরিবহন সুবিধা।
৩) জল: পাট ধোয়া ও শিল্পের জন্য নদীর প্রচুর জল পাওয়া যায়।
৪) কলকাতা বন্দর: রপ্তানির সুবিধা।
৩৫. দুর্গাপুরে লৌহ-ইস্পাত শিল্প গড়ে ওঠার দুটি কারণ লেখো।
উত্তর দেখো
২) জল ও বিদ্যুৎ: দামোদর নদ থেকে জল এবং DVC থেকে জলবিদ্যুৎ পাওয়া যায়।
৩) যোগাযোগ: রেলপথ ও সড়কপথের উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা।
৩৬. ‘পেট্রোরসায়ন শিল্প’ (Petrochemical Industry) কী?
উত্তর দেখো
৩৭. তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের গুরুত্ব বা ভবিষ্যৎ কী?
উত্তর দেখো
১) কর্মসংস্থান: এটি প্রচুর শিক্ষিত বেকারের কর্মসংস্থান করছে।
২) রপ্তানি আয়: সফটওয়্যার রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় হচ্ছে।
৩) কম দূষণ: এটি একটি দূষণহীন শিল্প।
৩৮. পশ্চিমবঙ্গের প্রধান কুটির শিল্পগুলি কী কী?
উত্তর দেখো
১) তাঁত শিল্প (শান্তিপুর, ফুলিয়া), ২) রেশম শিল্প (মুর্শিদাবাদ, মালদা), ৩) পোড়ামাটির শিল্প (বাঁকুড়া), ৪) মাদুর শিল্প (মেদিনীপুর), ৫) শাঁখা শিল্প (বাঁকুড়া), ৬) কাঁসা ও পিতল শিল্প।
বিভাগ-৬: জনসংখ্যা ও বিবিধ
৩৯. পশ্চিমবঙ্গের জনঘনত্ব খুব বেশি কেন?
উত্তর দেখো
২) অনুকূল জলবায়ু: মৌসুমী জলবায়ু এবং পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত।
৩) শিল্প ও বাণিজ্য: কলকাতা ও শিল্পাঞ্চলগুলিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বেশি।
৪) উদ্বাস্তু সমস্যা: দেশভাগের পর প্রচুর মানুষ এখানে এসে বসতি স্থাপন করেছে।
৪০. পার্বত্য অঞ্চলে জনবসতি বিরল কেন?
উত্তর দেখো
২) যোগাযোগ ব্যবস্থা: দুর্গম যাতায়াত ব্যবস্থা।
৩) প্রতিকূল জলবায়ু: তীব্র শীত এবং ধসপ্রবণ এলাকা।
৪১. হলদিয়া বন্দর গড়ে ওঠার কারণ কী?
উত্তর দেখো
৪২. খড়গপুর আইআইটি (IIT) বিখ্যাত কেন?
উত্তর দেখো
৪৩. অতিরিক্ত জলসেচে মাটির লবণতা বাড়ে কেন? (আপনার দেওয়া প্রশ্ন)
উত্তর দেখো
৪৪. কলকাতা বন্দরের পশ্চাৎভূমি (Hinterland) বলতে কী বোঝো?
উত্তর দেখো
৪৫. পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন শিল্পের দুটি সমস্যা লেখো।
উত্তর দেখো
২) রাজনৈতিক অস্থিরতা: বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলে মাঝে মাঝে রাজনৈতিক অশান্তির কারণে পর্যটন ব্যাহত হয়।
৪৬. ‘গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যান’ (GAP) কী?
উত্তর দেখো
৪৭. ‘ডাউনস্ট্রিম শিল্প’ বা অনুসারী শিল্প কী?
উত্তর দেখো
৪৮. সুন্দরবনে বাঁধ দেওয়ার সমস্যা কী?