অষ্টম শ্রেণী: ভূগোল, অধ্যায় – 4, চাপবলয় ও বায়ুপ্রবাহ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর মান ২

অধ্যায় 4: চাপবলয় ও বায়ুপ্রবাহ
(সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর – মান: 2) – পর্ব 1

নিচের প্রশ্নগুলির দু-তিনটি বাক্যে উত্তর দাও:

1. বায়ুর চাপ বলতে কী বোঝো?

উত্তর দেখো

উত্তর: কঠিন বা তরল পদার্থের মতো গ্যাসীয় পদার্থ বায়ুরও নিজস্ব ওজন আছে। মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে বায়ু তার এই ওজনের জন্য ভূপৃষ্ঠের ওপর যে বল বা চাপ প্রয়োগ করে, তাকেই সাধারণভাবে বায়ুর চাপ বলা হয়। বায়ুর চাপ ব্যারোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে মাপা হয়।

2. সমচাপ রেখা (Isobar) কাকে বলে?

[Image of Isobars on weather map]

উত্তর দেখো

উত্তর: কোনো নির্দিষ্ট সময়ে ভূপৃষ্ঠের যেসব স্থানে বায়ুর চাপ সমান থাকে, আবহাওয়া মানচিত্রে সেই সমান চাপযুক্ত স্থানগুলিকে যে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করা হয়, তাকে সমচাপ রেখা বা আইসোবার (Isobar) বলে।

3. বায়ুর উচ্চচাপ ও নিম্নচাপ বলতে কী বোঝো?

উত্তর দেখো

উত্তর: কোনো অঞ্চলের বায়ুর উষ্ণতা কমে গেলে বায়ু সংকুচিত ও ভারী হয়ে ভূপৃষ্ঠে বেশি চাপ দেয়, একে উচ্চচাপ বলে। বিপরীতভাবে, উষ্ণতা বেড়ে গেলে বায়ু প্রসারিত ও হালকা হয়ে ওপরের দিকে উঠে যায় এবং ভূপৃষ্ঠে কম চাপ দেয়, একে নিম্নচাপ বলে।

4. বায়ুপ্রবাহের মূল কারণ কী?

উত্তর দেখো

উত্তর: বায়ুপ্রবাহের মূল কারণ হলো ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন স্থানে বায়ুর চাপের পার্থক্য। প্রকৃতির নিয়ম হলো সমতা বজায় রাখা, তাই বায়ুর চাপের সমতা ফেরানোর জন্য বায়ু সর্বদা উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে ছুটে যায়, যা বায়ুপ্রবাহ নামে পরিচিত।

5. কোরিওলিস বল (Coriolis Force) কী?

উত্তর দেখো

উত্তর: পৃথিবীর আবর্তন গতির কারণে ভূপৃষ্ঠে যে এক প্রকার কেন্দ্রাতিগ বলের সৃষ্টি হয়, তাকে কোরিওলিস বল বলে। এই বলের প্রভাবে পৃথিবীর ওপর দিয়ে বয়ে চলা বায়ুপ্রবাহ বা সমুদ্রস্রোত সোজাসুজি প্রবাহিত হতে না পেরে ডানদিকে বা বাঁদিকে বেঁকে যায়।

6. ফেরেলের সূত্র (Ferrel’s Law) বিবৃতি করো।

উত্তর দেখো

উত্তর: কোরিওলিস বলের প্রভাবে বায়ুপ্রবাহ উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে সোজাসুজি প্রবাহিত হতে পারে না। বিজ্ঞানী ফেরেলের মতে, বায়ু সর্বদা উত্তর গোলার্ধে তার প্রবাহপথের ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে তার প্রবাহপথের বাঁদিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়। এটিই ফেরেলের সূত্র।

7. বাইস ব্যালট সূত্র (Buys Ballot’s Law) কী?

উত্তর দেখো

উত্তর: 1857 সালে ওলন্দাজ আবহাওয়াবিদ বাইস ব্যালট বায়ুপ্রবাহ ও বায়ুচাপের সম্পর্ক নিয়ে একটি সূত্র দেন। এই সূত্র অনুযায়ী, উত্তর গোলার্ধে বায়ুর গতির দিকে পেছন ফিরে দাঁড়ালে ডানদিকে বায়ুর উচ্চচাপ এবং বাঁদিকে নিম্নচাপ থাকে। দক্ষিণ গোলার্ধে এর ঠিক বিপরীত অবস্থা হয়।

8. বায়ুচাপ বলয় (Pressure Belt) কাকে বলে? পৃথিবীতে কয়টি বায়ুচাপ বলয় আছে?

উত্তর দেখো

উত্তর: পৃথিবীর আকৃতি, তাপমাত্রার পার্থক্য এবং আবর্তন গতির কারণে ভূপৃষ্ঠের ওপরে নির্দিষ্ট দূরত্বে পূর্ব থেকে পশ্চিমে বলয় বা আংটির আকারে যে স্থায়ী উচ্চচাপ বা নিম্নচাপ অঞ্চলগুলি তৈরি হয়েছে, তাদের বায়ুচাপ বলয় বলে। পৃথিবীতে মোট 7টি বায়ুচাপ বলয় আছে।

9. ডোলড্রামস (Doldrums) বা শান্তবলয় কী?

উত্তর দেখো

উত্তর: নিরক্ষরেখার উভয় পাশে (0° থেকে 5° অক্ষাংশ) সূর্যরশ্মি সারা বছর লম্বভাবে পড়ায় বায়ু অত্যন্ত উষ্ণ ও হালকা হয়ে সোজা ওপরের দিকে উঠে যায়। ফলে ভূপৃষ্ঠের সমান্তরালে এখানে কোনো বায়ুপ্রবাহ থাকে না। এই শান্ত আবহাওয়াপূর্ণ অঞ্চলটিকেই ডোলড্রামস বা শান্তবলয় বলে।

10. নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারা বছর নিম্নচাপ বিরাজ করে কেন?

উত্তর দেখো

উত্তর: নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারা বছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে বায়ুর উষ্ণতা খুব বেশি থাকে এবং জলভাগের পরিমাণ বেশি থাকায় বায়ুতে প্রচুর জলীয় বাষ্প মেশে। উষ্ণ ও জলীয় বাষ্পপূর্ণ বায়ু হালকা হয়ে ওপরের দিকে প্রসারিত হয়, তাই এখানে সর্বদা নিম্নচাপ বিরাজ করে।

11. ‘অশ্ব অক্ষাংশ’ (Horse Latitudes) বলতে কী বোঝো?

উত্তর দেখো

উত্তর: উভয় গোলার্ধের 25° থেকে 35° অক্ষাংশে অবস্থিত কর্কটীয় ও মকরীয় শান্তবলয়কে অশ্ব অক্ষাংশ বলা হয়। প্রাচীনকালে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ঘোড়া ভরতি পালতোলা জাহাজ এই শান্তবলয়ে এসে বায়ুপ্রবাহের অভাবে আটকা পড়ত, তখন পানীয় জল বাঁচাতে ব্যবসায়ীরা কিছু ঘোড়া সমুদ্রে ফেলে দিতেন বলে এর এমন নাম।

12. কর্কটীয় ও মকরীয় অঞ্চলে শান্তবলয় সৃষ্টি হয়েছে কেন?

উত্তর দেখো

উত্তর: নিরক্ষীয় অঞ্চলের উষ্ণ ও হালকা বায়ু ওপরে উঠে শীতল হওয়ার পর এবং মেরু অঞ্চলের শীতল বায়ু পৃথিবীর আবর্তনের কারণে ছিটকে এসে কর্কটীয় ও মকরীয় অঞ্চলে (25°-35°) নীচের দিকে নামতে থাকে। বায়ুর এই নিম্নমুখী স্রোতের কারণে এখানে ভূপৃষ্ঠের সমান্তরালে কোনো বায়ুপ্রবাহ থাকে না, তাই শান্তবলয় সৃষ্টি হয়েছে।

13. মেরু অঞ্চলে (সুমেরু ও কুমেরু) সারা বছর উচ্চচাপ থাকে কেন?

উত্তর দেখো

উত্তর: দুই মেরু অঞ্চলে সূর্যরশ্মি সারা বছর অত্যন্ত তির্যকভাবে পড়ে, তাই সেখানে প্রবল ঠান্ডা এবং ভূমি সবসময় বরফে ঢাকা থাকে। এই অত্যাধিক ঠান্ডায় বাতাস সংকুচিত, শীতল ও ভারী হয়ে ভূপৃষ্ঠে বেশি চাপ প্রয়োগ করে, তাই এখানে সর্বদা উচ্চচাপ থাকে।

14. বায়ুপ্রবাহের গতির বিক্ষেপের (দিক পরিবর্তনের) মূল কারণ কী?

উত্তর দেখো

উত্তর: বায়ুপ্রবাহের গতির বিক্ষেপ বা দিক পরিবর্তনের মূল কারণ হলো পৃথিবীর আবর্তন গতি এবং তার ফলে সৃষ্ট কোরিওলিস বল। পৃথিবী নিজের অক্ষের ওপর পশ্চিম থেকে পূর্বে ঘুরছে বলেই বায়ু সোজাসুজি প্রবাহিত না হয়ে উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাঁদিকে বেঁকে যায়।

15. নিয়ত বায়ু (Planetary Wind) কাকে বলে? এটি কয় প্রকার ও কী কী?

উত্তর দেখো

উত্তর: পৃথিবীর স্থায়ী উচ্চচাপ বলয়গুলি থেকে নিম্নচাপ বলয়গুলির দিকে সারা বছর ধরে নিয়মিতভাবে একটি নির্দিষ্ট পথে যে বায়ু প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। নিয়ত বায়ু প্রধানত 3 প্রকার— 1) আয়ন বায়ু, 2) পশ্চিমা বায়ু এবং 3) মেরু বায়ু।

16. আয়ন বায়ুকে (Trade Wind) ‘বাণিজ্য বায়ু’ বলা হয় কেন?

উত্তর দেখো

উত্তর: ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত আয়ন বায়ুর গতিপথ ও দিক সারা বছর নির্দিষ্ট থাকে। প্রাচীনকালে বণিকরা তাঁদের পালতোলা জাহাজগুলি নিয়ে এই নির্দিষ্ট বায়ুর গতিপথ ধরেই ব্যবসা-বাণিজ্য করতে যেতেন বলে একে বাণিজ্য বায়ু বলা হয়।

17. ‘গর্জনশীল চল্লিশা’ (Roaring Forties) বলতে কী বোঝো?

উত্তর দেখো

উত্তর: দক্ষিণ গোলার্ধে স্থলভাগের পরিমাণ খুব কম এবং জলভাগ বেশি হওয়ায় পশ্চিমা বায়ু সেখানে কোনো বাধা পায় না। তাই 40° দক্ষিণ অক্ষাংশ বরাবর এই পশ্চিমা বায়ু প্রচণ্ড বেগে শব্দ করে প্রবাহিত হয়, একেই গর্জনশীল চল্লিশা বলে।

18. সাময়িক বায়ু (Periodic Wind) কাকে বলে? উদাহরণ দাও。

উত্তর দেখো

উত্তর: যে বায়ু সারা বছর ধরে নিয়মিতভাবে প্রবাহিত না হয়ে, বছরের একটি নির্দিষ্ট ঋতুতে বা দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে প্রবাহিত হয়, তাকে সাময়িক বায়ু বলে। উদাহরণ: সমুদ্র বায়ু, স্থল বায়ু এবং মৌসুমী বায়ু।

19. সমুদ্র বায়ু (Sea Breeze) কখন এবং কেন প্রবাহিত হয়?

[Image of Sea Breeze and Land Breeze diagram]

উত্তর দেখো

উত্তর: দিনের বেলায় স্থলভাগ সমুদ্রের জলের তুলনায় দ্রুত গরম হয়ে নিম্নচাপের সৃষ্টি করে, অন্যদিকে সমুদ্রে তখন তুলনামূলকভাবে উচ্চচাপ থাকে। তাই বায়ুর চাপের সমতা ফেরাতে দিনের বেলায় সমুদ্রের উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে স্থলভাগের নিম্নচাপের দিকে আর্দ্র সমুদ্র বায়ু প্রবাহিত হয়।

20. স্থল বায়ু (Land Breeze) কখন এবং কেন প্রবাহিত হয়?

উত্তর দেখো

উত্তর: রাতের বেলায় স্থলভাগ সমুদ্রের তুলনায় দ্রুত তাপ বিকিরণ করে ঠান্ডা হয়ে উচ্চচাপের সৃষ্টি করে, অন্যদিকে সমুদ্রে তখন নিম্নচাপ থাকে। তাই রাতের বেলায় স্থলভাগের উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে সমুদ্রের দিকে শুষ্ক স্থল বায়ু প্রবাহিত হয়।

21. মৌসুমী বায়ু (Monsoon Wind) কাকে বলে?

উত্তর দেখো

উত্তর: ‘মৌসিম’ একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ হলো ঋতু। যে সাময়িক বায়ু ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে তার প্রবাহের দিক সম্পূর্ণ পরিবর্তন করে ঠিক বিপরীত দিক থেকে প্রবাহিত হয়, তাকে মৌসুমী বায়ু বলে (যেমন- ভারতের গ্রীষ্মকালীন ও শীতকালীন মৌসুমী বায়ু)।

22. স্থানীয় বায়ু (Local Wind) বলতে কী বোঝো? দুটি উদাহরণ দাও।

উত্তর দেখো

উত্তর: ভূপ্রকৃতি বা উষ্ণতার পার্থক্যের কারণে কোনো একটি ছোটো বা নির্দিষ্ট অঞ্চলের মধ্যে বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে যে বিশেষ বায়ু প্রবাহিত হয়, তাকে স্থানীয় বায়ু বলে। উদাহরণ: ভারতের ‘লু’ এবং উত্তর আমেরিকার ‘চিনুক’।

23. ‘লু’ (Loo) এবং ‘আঁধি’ (Andhi) কী?

উত্তর দেখো

উত্তর: গ্রীষ্মকালে দিনের বেলায় ভারতের উত্তর-পশ্চিমাংশে যে অত্যন্ত উষ্ণ ও শুষ্ক বায়ু প্রবল বেগে প্রবাহিত হয়, তাকে ‘লু’ বলে। অন্যদিকে, গ্রীষ্মকালে ওই একই অঞ্চলে প্রবল উষ্ণ বাতাসের সাথে যে ভয়ানক ধূলিঝড়ের সৃষ্টি হয়, তাকে স্থানীয় ভাষায় ‘আঁধি’ বলে।

24. ‘চিনুক’ (Chinook) বায়ুকে ‘তুষারভক্ষক’ (Snow eater) বলা হয় কেন?

উত্তর দেখো

উত্তর: চিনুক হলো উত্তর আমেরিকার রকি পার্বত্য অঞ্চলের পূর্ব ঢালে প্রবাহিত একটি অত্যন্ত উষ্ণ ও শুষ্ক স্থানীয় বায়ু। এই বায়ু এতটাই উষ্ণ থাকে যে, এটি প্রবাহিত হওয়ার সময় পার্বত্য অঞ্চলের জমে থাকা বরফ খুব দ্রুত গলিয়ে দেয়, তাই একে তুষারভক্ষক বলা হয়।

25. আকস্মিক বায়ু (Sudden Wind) কাকে বলে?

উত্তর দেখো

উত্তর: ভূপৃষ্ঠের কোনো স্থানে বায়ুর চাপে হঠাৎ করে খুব বেশি পার্থক্য তৈরি হলে, বায়ুর সমতা ফেরানোর জন্য খুব অল্প সময়ের জন্য যে প্রবল ও অনিয়মিত ঝড়ো হাওয়া সৃষ্টি হয়, তাকে আকস্মিক বায়ু বলে। যেমন- ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোন।

26. ঘূর্ণাবর্ত বা ঘূর্ণিঝড় (Cyclone) কীভাবে সৃষ্টি হয়?

উত্তর দেখো

উত্তর: কোনো স্থানে হঠাৎ করে গভীর নিম্নচাপ তৈরি হলে এবং তার চারপাশে উচ্চচাপ থাকলে, চারপাশের ভারী ও শীতল বাতাস প্রবল বেগে কুণ্ডলী পাকিয়ে বা সর্পিলাকারে সেই কেন্দ্রের নিম্নচাপের দিকে ছুটে আসে। এভাবেই ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোনের সৃষ্টি হয়।

27. ‘ঘূর্ণিঝড়ের চোখ’ (Eye of the Cyclone) কাকে বলে?

উত্তর দেখো

উত্তর: একটি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের একেবারে ঠিক কেন্দ্রস্থল, যেখানে বায়ুর কোনো গতিবেগ থাকে না এবং আকাশ সম্পূর্ণ মেঘমুক্ত ও শান্ত থাকে, সেই শান্ত কেন্দ্রস্থলটিকেই ঘূর্ণিঝড়ের চোখ বলা হয়।

28. ঘূর্ণিঝড় এবং প্রতীপ ঘূর্ণাবর্তের (Anticyclone) মধ্যে দুটি প্রধান পার্থক্য লেখো।

উত্তর দেখো

উত্তর: 1) ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে সর্বদা গভীর নিম্নচাপ থাকে, কিন্তু প্রতীপ ঘূর্ণাবর্তের কেন্দ্রে শক্তিশালী উচ্চচাপ থাকে। 2) ঘূর্ণিঝড়ের ফলে প্রবল ঝড়বৃষ্টি ও ধ্বংসলীলা চলে, অন্যদিকে প্রতীপ ঘূর্ণাবর্তের ফলে শান্ত ও রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া বিরাজ করে।

Leave A Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
শেয়ার