অষ্টম শ্রেণী: ভূগোল, অধ্যায় – 11, ওশিয়ানিয়া সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর মান ২
অধ্যায় 11: ওশিয়ানিয়া
(সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর – মান: 2) – পর্ব 1
নিচের প্রশ্নগুলির দু-তিনটি বাক্যে উত্তর দাও:
1. ওশিয়ানিয়া মহাদেশের নাম কীভাবে হয়েছে?
উত্তর দেখো
উত্তর: প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে ছড়িয়ে থাকা প্রায় 10 হাজারেরও বেশি দ্বীপ নিয়ে এই মহাদেশ গঠিত হয়েছে। মহাসাগর বা বিশাল জলভাগের বুকে অবস্থিত বলেই এই দ্বীপময় মহাদেশের নাম ‘ওশিয়ানিয়া’ রাখা হয়েছে।
2. ওশিয়ানিয়া মহাদেশকে কয়টি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী?
উত্তর দেখো
উত্তর: ওশিয়ানিয়া মহাদেশকে প্রধানত 5 টি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলি হলো— 1) অস্ট্রেলিয়া, 2) নিউজিল্যান্ড, 3) মেলানেশিয়া, 4) মাইক্রোনেশিয়া এবং 5) পলিনেশিয়া।
3. মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া ও পলিনেশিয়া শব্দের অর্থ কী?
উত্তর দেখো
উত্তর: মেলানেশিয়া শব্দের অর্থ হলো কৃষ্ণ বা কালো দ্বীপ, মাইক্রোনেশিয়া শব্দের অর্থ ক্ষুদ্র বা ছোটো দ্বীপ এবং পলিনেশিয়া শব্দের অর্থ বহু বা অনেক দ্বীপ।
4. অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের চারদিকের সীমানা উল্লেখ করো।
উত্তর দেখো
উত্তর: অস্ট্রেলিয়ার উত্তরে রয়েছে আরাফুরা সাগর ও তিমুর সাগর, দক্ষিণে রয়েছে ভারত মহাসাগর, পূর্ব দিকে রয়েছে প্রশান্ত মহাসাগর এবং পশ্চিম দিকে রয়েছে ভারত মহাসাগর।
5. অস্ট্রেলিয়ার পূর্বভাগের উচ্চভূমি কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে?
উত্তর দেখো
উত্তর: অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূল বরাবর উত্তর থেকে দক্ষিণে বিস্তৃত একটি অত্যন্ত প্রাচীন ভঙ্গিল পর্বতমালা হলো গ্রেট ডিভাইডিং রেঞ্জ। বহু প্রাচীন হওয়ায় দীর্ঘকাল ধরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে এর উচ্চতা বর্তমানে অনেকটাই কমে গিয়ে এই উচ্চভূমির সৃষ্টি হয়েছে।
6. পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর বা ‘গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ’ কী?
উত্তর দেখো
উত্তর: অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্ব উপকূলে সমুদ্রের অগভীর জলে কোটি কোটি প্রবাল কীটের মৃতদেহ এবং চুনজাতীয় পদার্থ জমে জমে যে প্রায় 2000 কিলোমিটার দীর্ঘ এক বিশাল প্রাচীরের সৃষ্টি হয়েছে, তাকেই গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ বলা হয়।
7. অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমভাগের মালভূমি অঞ্চলের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তর দেখো
উত্তর: 1) এটি অত্যন্ত প্রাচীন ও শক্ত শিলা দ্বারা গঠিত একটি মালভূমি। 2) দীর্ঘকাল ধরে ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার কারণে এখানকার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত রুক্ষ, এবড়োখেবড়ো এবং বৃষ্টির অভাবে এই অঞ্চলে গ্রেট ভিক্টোরিয়া-র মতো অনেক শুষ্ক মরুভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
8. আয়ার হ্রদকে ‘মৃত হৃদয়’ বলা হয় কেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: অস্ট্রেলিয়ার মধ্যভাগের নিম্ন সমভূমি অঞ্চলে অবস্থিত আয়ার হ্রদ হলো এই মহাদেশের গভীরতম অংশ। চারপাশের বিস্তীর্ণ রুক্ষ মরুভূমির মাঝখানে অবস্থিত এই প্রাণহীন ও অতিরিক্ত লবণাক্ত জলের হ্রদটিকেই মৃত হৃদয় বলা হয়।
9. মারে-ডার্লিং নদী ব্যবস্থা কীভাবে গঠিত হয়েছে?
উত্তর দেখো
উত্তর: অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত উচ্চভূমি থেকে উৎপন্ন দুটি প্রধান নদী— মারে এবং ডার্লিং ওয়েন্টওয়ার্থ শহরের কাছে এসে একে অপরের সাথে মিলিত হয়েছে। এই দুই নদী এবং এদের অসংখ্য উপনদী মিলেই মারে-ডার্লিং নদী ব্যবস্থা গঠন করেছে।
10. নিউজিল্যান্ডের ভৌগোলিক অবস্থান সংক্ষেপে লেখো।
উত্তর দেখো
উত্তর: অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে অবস্থিত একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপরাষ্ট্র হলো নিউজিল্যান্ড। এটি প্রধানত উত্তর দ্বীপ ও দক্ষিণ দ্বীপ নামক 2 টি বড়ো দ্বীপ এবং তার চারপাশের অনেকগুলি ছোটো দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
11. নিউজিল্যান্ডের ভূপ্রকৃতির দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো。
উত্তর দেখো
উত্তর: 1) নিউজিল্যান্ডের ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত পাহাড়ি ও এবড়োখেবড়ো, যার মাঝ বরাবর দক্ষিণ আল্পস পর্বতমালা বিস্তৃত। 2) এই অঞ্চলটি অত্যন্ত ভূমিকম্প প্রবণ এবং এখানে অসংখ্য জীবন্ত আগ্নেয়গিরি ও উষ্ণ প্রস্রবণ দেখা যায়।
12. আর্টেজীয় কূপ বলতে কী বোঝো?
উত্তর দেখো
উত্তর: অস্ট্রেলিয়ার মধ্যভাগের বিস্তীর্ণ সমভূমিতে মানুষের তৈরি করা এক বিশেষ ধরনের কুয়ো বা নলকূপ দেখা যায়, যেখান থেকে কোনো পাম্প ছাড়াই স্বাভাবিক চাপে মাটির তলার জল ফোয়ারার মতো বেরিয়ে আসে। একেই আর্টেজীয় কূপ বলা হয়।
13. আর্টেজীয় কূপ কীভাবে তৈরি হয় বা কীভাবে এর থেকে জল বের হয়?
উত্তর দেখো
উত্তর: মাটির নিচে যদি দুটি অপ্রবেশ্য শিলাস্তরের মাঝখানে একটি প্রবেশ্য শিলাস্তর বাটির মতো বাঁকানো অবস্থায় থাকে, তবে বৃষ্টির জল ওই প্রবেশ্য স্তরে জমে আবদ্ধ হয়ে পড়ে। তখন ওই স্থানে গর্ত বা কুয়ো খুঁড়লে জলের প্রবল চাপে তা আপনা থেকেই ফোয়ারার মতো বেরিয়ে আসে।
নিচের প্রশ্নগুলির দু-তিনটি বাক্যে উত্তর দাও:
14. আর্টেজীয় কূপের গুরুত্ব কী?
উত্তর দেখো
উত্তর: অস্ট্রেলিয়ার বিস্তীর্ণ শুষ্ক সমভূমি, মালভূমি ও মরুভূমি অঞ্চলে জলের তীব্র অভাব রয়েছে। এই শুষ্ক অঞ্চলে আর্টেজীয় কূপের মাধ্যমে মাটির তলা থেকে জল তুলে কৃষিকাজ এবং পশুপালনের জন্য প্রয়োজনীয় জলের বিশাল চাহিদা মেটানো হয়।
15. ডাউনস বলতে কী বোঝো?
উত্তর দেখো
উত্তর: অস্ট্রেলিয়ার মধ্যভাগের নিম্ন সমভূমি অঞ্চলে, বিশেষ করে মারে-ডার্লিং অববাহিকায় যে বিস্তীর্ণ নাতিশীতোষ্ণ সমতল তৃণভূমি গড়ে উঠেছে, তাকে ডাউনস বলা হয়। এখানকার লম্বা ও পুষ্টিকর ঘাস পশুপালনের জন্য অত্যন্ত বিখ্যাত।
16. অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় কেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূল বরাবর সুদীর্ঘ গ্রেট ডিভাইডিং রেঞ্জ পর্বতমালা প্রাচীরের মতো দাঁড়িয়ে আছে। প্রশান্ত মহাসাগর থেকে আসা জলীয় বাষ্পপূর্ণ দক্ষিণ-পূর্ব আয়ন বায়ু এই পর্বতে বাধা পেয়ে পূর্ব দিকের ঢালে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়।
17. অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমভাগে বিস্তীর্ণ মরুভূমি সৃষ্টি হয়েছে কেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: পূর্ব দিকের গ্রেট ডিভাইডিং রেঞ্জ পর্বতমালা পার হয়ে আয়ন বায়ু যখন পশ্চিম দিকে পৌঁছায়, তখন তাতে আর জলীয় বাষ্প অবশিষ্ট থাকে না। এই বৃষ্টির অভাবেই বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলে অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমভাগে গ্রেট ভিক্টোরিয়ার মতো বিশাল মরুভূমির সৃষ্টি হয়েছে।
18. মারে-ডার্লিং অববাহিকায় কৃষিকাজ উন্নত কেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: এই অঞ্চলের নদী গঠিত পলিমাটি অত্যন্ত উর্বর এবং এখানকার সমভাবাপন্ন জলবায়ু কৃষিকাজের জন্য খুব উপযুক্ত। এছাড়া নদী এবং আর্টেজীয় কূপ থেকে সারা বছর প্রচুর জলসেচের সুবিধা পাওয়ায় এখানে কৃষিকাজ এত উন্নত।
19. মারে-ডার্লিং অববাহিকার প্রধান কৃষিজ ফসলগুলির নাম লেখো।
উত্তর দেখো
উত্তর: মারে-ডার্লিং অববাহিকায় শীতকালে প্রচুর পরিমাণে উন্নত মানের গম চাষ করা হয়। গম ছাড়াও এখানে যব, ওট, ভুট্টা এবং প্রচুর পরিমাণে ফলের (যেমন- আপেল, আঙুর, কমলালেবু) চাষ হয়ে থাকে।
20. শিপ স্টেশন কী?
উত্তর দেখো
উত্তর: অস্ট্রেলিয়ার ডাউনস তৃণভূমি অঞ্চলে পশম ও মাংস উৎপাদনের জন্য বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপক হারে ভেড়া পালন করা হয়। এই উদ্দেশ্যে তৈরি করা হাজার হাজার একর জমি জুড়ে থাকা বিশাল আকারের ভেড়া পালন কেন্দ্র বা খামারগুলিকে শিপ স্টেশন বলা হয়।
21. মেরিনো ভেড়া কেন বিখ্যাত?
উত্তর দেখো
উত্তর: অস্ট্রেলিয়ার ডাউনস অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে মেরিনো জাতের ভেড়া পালন করা হয়। এই নির্দিষ্ট জাতের ভেড়ার লোম বা পশম অত্যন্ত নরম, দীর্ঘ, মসৃণ এবং উন্নত মানের হওয়ায় এটি সারা বিশ্বে বিখ্যাত।
22. জ্যাকরু কাদের বলা হয়?
উত্তর দেখো
উত্তর: অস্ট্রেলিয়ার বিস্তীর্ণ শিপ স্টেশন বা ভেড়া পালন কেন্দ্রগুলিতে যে সমস্ত সুদক্ষ কর্মীরা ঘোড়া বা মোটরবাইক চালিয়ে মাইলের পর মাইল ঘুরে ভেড়াদের দেখাশোনা করে, পাহারা দেয় এবং খামারের কাজ করে, তাদের জ্যাকরু বলা হয়।
23. অস্ট্রেলিয়ার খনিজ সম্পদের একটি সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।
উত্তর দেখো
উত্তর: অস্ট্রেলিয়া খনিজ সম্পদে অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি দেশ। এখানকার পশ্চিমের মালভূমিতে প্রচুর সোনা (কালগুর্লি, কুলগার্ডি), এবং অন্যান্য অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে লোহা, বক্সাইট, কয়লা, ইউরেনিয়াম এবং ব্রোকেন হিল অঞ্চলে প্রচুর রুপো, সিসা ও দস্তা পাওয়া যায়।
24. নিউজিল্যান্ডের জলবায়ু কেমন প্রকৃতির?
উত্তর দেখো
উত্তর: নিউজিল্যান্ড সমুদ্র দিয়ে ঘেরা একটি দ্বীপরাষ্ট্র হওয়ায় এখানকার জলবায়ু অত্যন্ত মনোরম এবং সমভাবাপন্ন। সারা বছর ধরে এখানে পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, তাই কখনোই খুব বেশি গরম বা খুব বেশি ঠান্ডা পড়ে না।
25. ক্যান্টারবেরি তৃণভূমির গুরুত্ব কী?
উত্তর দেখো
উত্তর: নিউজিল্যান্ডের দক্ষিণ দ্বীপে অবস্থিত ক্যান্টারবেরি হলো একটি বিস্তীর্ণ নাতিশীতোষ্ণ তৃণভূমি। এখানকার নরম ও পুষ্টিকর ঘাস খেয়ে প্রচুর পরিমাণে উন্নত জাতের ভেড়া ও গবাদি পশু পালন করা হয়, যা দেশের অর্থনীতিকে অত্যন্ত মজবুত করেছে।
26. নিউজিল্যান্ডের প্রধান কয়েকটি কৃষিজ ও প্রাণিজ সম্পদের নাম লেখো。
উত্তর দেখো
উত্তর: নিউজিল্যান্ডের প্রধান কৃষিজ ফসল হলো গম, যব এবং বিভিন্ন প্রকার ফল। অন্যদিকে প্রাণিজ সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ভেড়া ও গবাদি পশু থেকে পাওয়া প্রচুর পরিমাণে উন্নত মানের পশম, মাংস, দুধ, মাখন ও পনির।
অধ্যায় 11: ওশিয়ানিয়া
(সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর – 100% প্রস্তুতির জন্য অতিরিক্ত)
নিচের প্রশ্নগুলির দু-তিনটি বাক্যে উত্তর দাও:
27. ওশিয়ানিয়া মহাদেশের বেশিরভাগ দ্বীপ কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে?
উত্তর দেখো
উত্তর: ওশিয়ানিয়া মহাদেশের বেশিরভাগ দ্বীপই হলো আগ্নেয় দ্বীপ বা প্রবাল দ্বীপ। প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে থাকা অসংখ্য আগ্নেয়গিরির লাভা জমে জলের ওপরে উঠে আগ্নেয় দ্বীপের সৃষ্টি করেছে। আবার অগভীর সমুদ্রে কোটি কোটি মৃত প্রবাল কীটের দেহাবশেষ জমে প্রবাল দ্বীপগুলি তৈরি হয়েছে।
28. উষ্ণ প্রস্রবণ বলতে কী বোঝো?
উত্তর দেখো
উত্তর: ভূগর্ভের অত্যন্ত উত্তপ্ত জল ও বাষ্প যখন ভূপৃষ্ঠের কোনো ফাটল দিয়ে প্রবল বেগে ফোয়ারার মতো নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর বাইরে বেরিয়ে আসে, তখন তাকে উষ্ণ প্রস্রবণ বলে। নিউজিল্যান্ডের উত্তর দ্বীপে এই ধরনের অনেক প্রস্রবণ দেখা যায়।
29. অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব ও পশ্চিম উপকূলের জলবায়ুর মূল পার্থক্য কী?
উত্তর দেখো
উত্তর: অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলে সারা বছর সমুদ্র থেকে আসা জলীয় বাষ্পপূর্ণ বাতাসের প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় এবং জলবায়ু মনোরম থাকে। অন্যদিকে, পশ্চিম উপকূলে বাতাস পৌঁছাতে পৌঁছাতে জলীয় বাষ্পহীন হয়ে পড়ে, যার ফলে সেখানে বৃষ্টিপাত প্রায় হয় না এবং বিস্তীর্ণ শুষ্ক মরুভূমি জলবায়ু দেখা যায়।
30. নিউজিল্যান্ডে পশুপালন অত্যন্ত উন্নত কেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: নিউজিল্যান্ডের নাতিশীতোষ্ণ সমভাবাপন্ন জলবায়ু এবং দক্ষিণ দ্বীপের বিস্তীর্ণ ক্যান্টারবেরি সমভূমির পুষ্টিকর ঘাস পশুপালনের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত। এখানকার বিস্তীর্ণ তৃণভূমিতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে প্রচুর পরিমাণে উন্নত জাতের ভেড়া এবং গবাদি পশু পালন করা হয়।