অষ্টম শ্রেণী: বাংলা, অধ্যায় – 2 অদ্ভুত আতিথেয়তা -ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর, ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নোত্তর মান 3
অধ্যায় 2: অদ্ভুত আতিথেয়তা
(ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নোত্তর – মান: 3)
নিচের উক্তিগুলির উৎস, প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো:
1. “আতিথেয়তা বিষয়ে পৃথিবীতে কোনো জাতি আরবদিগের তুল্য নহে।” – উক্তিটির সাপেক্ষে আরবদের আতিথেয়তার পরিচয় দাও।
উত্তর দেখো
উৎস: পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের লেখা ‘অদ্ভুত আতিথেয়তা’ গল্প থেকে উদ্ধৃতিটি গৃহীত হয়েছে।
প্রসঙ্গ: আরব ও মূর জাতির যুদ্ধের সময় এক দিকভ্রান্ত মূর সেনাপতির আরব সেনাপতির শিবিরে আশ্রয় নেওয়ার প্রেক্ষাপটে লেখক এই মন্তব্যটি করেছেন।
তাৎপর্য: আরব জাতি আতিথেয়তার ক্ষেত্রে পৃথিবীর বুকে এক শ্রেষ্ঠ ও অদ্বিতীয় জাতি। কেউ অতিথি হিসেবে তাদের বাড়িতে বা তাঁবুতে আশ্রয় নিলে, তিনি যদি পরম শত্রুও হন, তবুও আরবেরা প্রাণান্তেও তাঁর কোনো ক্ষতি বা অনিষ্ট করে না। শত্রুতা ভুলে তারা পরম যত্নে অতিথির আহার, বিশ্রাম এবং নিরাপত্তার সমস্ত ব্যবস্থা করে। এই গল্পেও আরব সেনাপতি তাঁর পিতৃহন্তাকে আশ্রয় দিয়ে এই মহান ধর্মেরই প্রমাণ দিয়েছেন।
2. “এই সময়ে সহসা আরব সেনাপতির মুখ বিবর্ণ হইয়া গেল।” – আরব সেনাপতির মুখ বিবর্ণ হয়ে যাওয়ার কারণ কী?
উত্তর দেখো
উৎস: উদ্ধৃতিটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘আখ্যানমঞ্জরী’ গ্রন্থ থেকে সংকলিত ‘অদ্ভুত আতিথেয়তা’ গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গ: আহারের পর উভয় সেনাপতি যখন বসে নিজেদের পূর্বপুরুষের বীরত্বের গল্প করছিলেন, ঠিক সেই মুহূর্তের বর্ণনা দিতে গিয়ে এই কথা বলা হয়েছে।
তাৎপর্য: দুই সেনাপতি যখন বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে নিজেদের পূর্বপুরুষদের শৌর্যবীর্যের বর্ণনা করছিলেন, তখন মূর সেনাপতির কথায় আরব সেনাপতি হঠাৎ বুঝতে পারেন যে এই আশ্রিত ব্যক্তিই তাঁর পিতার হত্যাকারী। চরম শত্রুকে সামনে দেখে এবং তাঁকে অতিথি হিসেবে আশ্রয় দিয়েছেন বুঝতে পেরে তীব্র মানসিক যন্ত্রণা, ক্ষোভ ও বিস্ময়ে আরব সেনাপতির মুখ হঠাৎ বিবর্ণ বা ফ্যাকাশে হয়ে গিয়েছিল।
3. “আমার অতিশয় অসুখ করিয়াছে…” – আরব সেনাপতি কেন এমন কথা বলে পাঠিয়েছিলেন?
উত্তর দেখো
উৎস: আলোচ্য উক্তিটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ‘অদ্ভুত আতিথেয়তা’ গদ্যাংশ থেকে নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গ: পিতার হত্যাকারীকে চিনতে পেরে সভা থেকে বিদায় নেওয়ার পর আরব সেনাপতি তাঁর ভৃত্যদের মাধ্যমে মূর সেনাপতিকে এই কথা বলে পাঠিয়েছিলেন।
তাৎপর্য: আরব সেনাপতি বুঝতে পেরেছিলেন যে তাঁর তাঁবুতে আশ্রয় নেওয়া অতিথি তাঁর পিতার হত্যাকারী। পিতৃহন্তাকে সামনে দেখে তাঁর রক্ত গরম হয়ে উঠলেও, পবিত্র আতিথ্য ধর্মের কারণে তিনি অতিথির ক্ষতি করতে পারছিলেন না। এই চরম মানসিক অন্তর্দ্বন্দ্ব এবং ক্রোধ সংবরণ করতে না পেরেই তিনি শারীরিক অসুস্থতার অজুহাত দিয়ে সভা থেকে বিদায় নিয়েছিলেন, যাতে রাগের বশে অতিথির কোনো অপমান বা ক্ষতি না হয়ে যায়।
4. “আমি আপনকার নিমিত্ত একটি দ্রুতগামী অশ্ব প্রস্তুত রাখিব।” – কে, কাকে, কেন এ কথা বলেছিলেন?
উত্তর দেখো
উৎস: উক্তিটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘অদ্ভুত আতিথেয়তা’ গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গ: আরব সেনাপতি তাঁর আশ্রিত অতিথি মূর সেনাপতিকে ভৃত্যদের মাধ্যমে এই বার্তা পাঠিয়েছিলেন।
তাৎপর্য: আরব সেনাপতি জানতেন যে মূর সেনাপতি তাঁর পিতার হত্যাকারী। সূর্যোদয় হলেই আতিথ্য ধর্মের মেয়াদ শেষ হবে এবং তখন তিনি পিতার মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে মূর সেনাপতিকে আক্রমণ করবেন। মূর সেনাপতির নিজের ঘোড়াটি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিল, যা নিয়ে পালানো অসম্ভব। তাই চরম শত্রু হলেও, অতিথিকে নিরাপদে পালানোর একটি সমান ও সম্মানজনক সুযোগ করে দেওয়ার জন্যই তিনি একটি দ্রুতগামী ঘোড়া প্রস্তুত রাখার কথা বলেছিলেন।
5. “সূর্যোদয় হইলেই আমি আপনকার প্রাণসংহারে প্রবৃত্ত হইব।” – বক্তা কেন এ কথা বলেছেন? আতিথেয়তার সাথে কি এটি সাংঘর্ষিক নয়?
উত্তর দেখো
উৎস: উদ্ধৃতিটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘অদ্ভুত আতিথেয়তা’ গদ্যাংশ থেকে সংগৃহীত।
প্রসঙ্গ: প্রাতঃকালে মূর সেনাপতিকে বিদায় জানানোর সময় আরব সেনাপতি এই কঠোর সত্যটি জানিয়েছিলেন।
তাৎপর্য: মূর সেনাপতি আরব সেনাপতির পিতার প্রাণহন্তা। পুত্র হিসেবে পিতার হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া তাঁর কর্তব্য। কিন্তু আরবদের নিয়ম অনুযায়ী, সূর্যোদয় পর্যন্ত আশ্রিত ব্যক্তি অতিথির সম্মান পান। সূর্যোদয়ের পর সেই আতিথ্য ধর্মের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে, তিনি আর অতিথি থাকবেন না, বরং একজন সাধারণ শত্রু হয়ে যাবেন। তাই সূর্যোদয়ের পর আক্রমণ করাটা আতিথেয়তার সাথে সাংঘর্ষিক নয়, বরং এটি আরবদের কঠোর ন্যায়নীতি ও ধর্ম পালনেরই নিদর্শন।
6. “আপনকার প্রাণরক্ষার কোনো উপায় দেখি না।” – বক্তা কে? তিনি কেন এমন কথা বলেছেন?
উত্তর দেখো
উৎস: আলোচ্য উক্তিটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের লেখা ‘অদ্ভুত আতিথেয়তা’ গল্প থেকে চয়ন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গ: বিদায়কালে মূর সেনাপতিকে দ্রুত পালাতে নির্দেশ দেওয়ার সময় আরব সেনাপতি (বক্তা) এ কথা বলেছিলেন।
তাৎপর্য: আরব সেনাপতি সূর্যোদয় হলেই পিতৃহন্তার প্রাণনাশের জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলেন। তাঁর নিজের ঘোড়াটি ছিল মূর সেনাপতিকে দেওয়া ঘোড়ার চেয়েও অনেক বেশি দ্রুতগামী ও শক্তিশালী। তাই সূর্যোদয়ের আগে মূর সেনাপতি যদি যথেষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করতে না পারেন, তবে আরব সেনাপতির ক্ষিপ্র আক্রমণের হাত থেকে তাঁর প্রাণরক্ষা কিছুতেই সম্ভব হবে না। এই অনিবার্য পরিণতির কথা ভেবেই বক্তা এমন মন্তব্য করেছেন।
7. “আমাদের উভয় জাতির যে বৈরভাব আছে, আমি তোমা অপেক্ষা তাহার উত্তম প্রমাণ দিতেছি না।” – উক্তিটির মধ্য দিয়ে বক্তার চরিত্রের কোন্ দিকটি প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর দেখো
উৎস: উদ্ধৃতিটি ‘অদ্ভুত আতিথেয়তা’ গল্প থেকে গৃহীত, যেখানে আরব সেনাপতি মূর সেনাপতিকে বিদায় জানানোর সময় এ কথা বলেছেন।
প্রসঙ্গ: দুই জাতির শত্রুতার চরম প্রমাণ প্রসঙ্গে আরব সেনাপতি নিজের মহানুভবতার কথা তুলে ধরেছেন।
তাৎপর্য: মূর সেনাপতি আরব সেনাপতির পিতাকে হত্যা করে দুই জাতির শত্রুতার এক নিষ্ঠুর প্রমাণ দিয়েছিলেন। কিন্তু আরব সেনাপতি পিতৃহন্তাকে হাতের মুঠোয় পেয়েও আতিথ্য ধর্মের কারণে ক্ষমা করেছেন এবং তাঁকে একটি ভালো ঘোড়া দিয়ে পালাতে সাহায্য করেছেন। উক্তিটির মধ্য দিয়ে বক্তার চরিত্রের অসীম ধৈর্য, আদর্শবোধ এবং শত্রুতার বদলে এক বিরল ও মহৎ ক্ষমার আদর্শ ফুটে উঠেছে, যা মূর সেনাপতির নিষ্ঠুরতার চেয়ে অনেক বেশি শ্রেষ্ঠ।
8. “তিনি অগত্যা আপন শিবিরে ফিরিয়া আসিলেন।” – কে, কেন ফিরে এসেছিলেন?
উত্তর দেখো
উৎস: আলোচ্য পঙ্ক্তিটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ‘অদ্ভুত আতিথেয়তা’ গল্পের একেবারে শেষ অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গ: সূর্যোদয়ের পর আরব সেনাপতির প্রতিশোধ নিতে যাওয়ার পরিণতির বর্ণনা এখানে দেওয়া হয়েছে।
তাৎপর্য: সূর্যোদয়ের সাথে সাথে আতিথ্য ধর্মের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আরব সেনাপতি তাঁর অত্যন্ত দ্রুতগামী ঘোড়ায় চড়ে মূর সেনাপতিকে আক্রমণ করতে তাঁর পিছু ধাওয়া করেন। কিন্তু মূর সেনাপতি সূর্যোদয়ের পূর্বেই একটি তেজস্বী ঘোড়া নিয়ে প্রাণভয়ে দ্রুতবেগে পালিয়েছিলেন। আরব সেনাপতি কিছুটা দূর যাওয়ার পর দেখেন যে, মূর সেনাপতি নিরাপদে তাঁর বিপক্ষ শিবিরের সীমানায় পৌঁছে গেছেন। শত্রুকে আক্রমণ করার আর কোনো সুযোগ না থাকায় তিনি অগত্যা ফিরে আসতে বাধ্য হন।
9. “প্রাণান্তেও তাহার অনিষ্ট করে না।” – কার সম্পর্কে এ কথা বলা হয়েছে? গল্পে এর কী প্রমাণ পাওয়া যায়?
উত্তর দেখো
উৎস: উদ্ধৃতিটি ‘অদ্ভুত আতিথেয়তা’ গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গ: আরব জাতির শ্রেষ্ঠ আতিথ্য ধর্মের বর্ণনা দিতে গিয়ে লেখক এ কথা বলেছেন।
তাৎপর্য: কথাটি আরব জাতির পরম পবিত্র আতিথ্য ধর্ম সম্পর্কে বলা হয়েছে। গল্পে এর জ্বলন্ত প্রমাণ হলো— আরব সেনাপতি যখন বুঝতে পারেন যে তাঁর তাঁবুতে আশ্রয় নেওয়া মূর সেনাপতিই তাঁর পিতার হত্যাকারী, তখন তিনি তীব্র মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করলেও রাতেই তাঁকে হত্যা করেননি। নিজের প্রতিশোধ স্পৃহাকে দমন করে তিনি অতিথির প্রাণরক্ষা করেছিলেন এবং তাঁকে একটি ঘোড়া দিয়ে পালানোর সুযোগ করে দিয়েছিলেন।
10. “পরস্পর স্বীয় ও স্বীয় পূর্বপুরুষদিগের শৌর্য বীর্যের বর্ণন করিতে লাগিলেন।” – কোন্ পরিস্থিতিতে এমনটি ঘটেছিল? এর ফল কী হয়েছিল?
উত্তর দেখো
উৎস: উক্তিটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘অদ্ভুত আতিথেয়তা’ গল্প থেকে সংগৃহীত।
প্রসঙ্গ: মূর সেনাপতির আহার ও বিশ্রাম পর্ব শেষ হওয়ার পর দুই সেনাপতির মধ্যে কথোপকথনের দৃশ্য এটি।
তাৎপর্য: আহারের পর ক্লান্তি দূর হলে উভয় সেনাপতি অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে একত্রে বসে গল্প করছিলেন এবং নিজেদের পূর্বপুরুষদের বীরত্বের কাহিনি বর্ণনা করছিলেন। কিন্তু এর ফল হয় অত্যন্ত ভয়াবহ। কথাবার্তার মাঝেই আরব সেনাপতি হঠাৎ বুঝতে পারেন যে এই আশ্রিত মূর সেনাপতিই তাঁর পিতার হত্যাকারী। এর ফলে তাঁর মুখ বিবর্ণ হয়ে যায় এবং তিনি মানসিক যন্ত্রণায় সভা ছেড়ে উঠে যান।
11. মূর সেনাপতিকে বিদায় দেওয়ার সময় আরব সেনাপতির মানসিকতা কেমন ছিল?
উত্তর দেখো
উৎস: পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের লেখা ‘অদ্ভুত আতিথেয়তা’ গল্প অবলম্বনে এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গ: প্রাতঃকালে অতিথির জন্য ঘোড়া প্রস্তুত করে তাঁকে বিদায় জানানোর মুহূর্তের বর্ণনা।
তাৎপর্য: বিদায় দেওয়ার সময় আরব সেনাপতির মনে চরম দ্বন্দ্ব চলছিল। একদিকে ছিল পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার প্রবল বাসনা, অন্যদিকে ছিল অতিথিকে নিরাপদে বিদায় জানানোর পবিত্র ধর্ম। কিন্তু তিনি অদ্ভুত মানসিক দৃঢ়তার সাথে নিজের ক্ষোভকে দমন করেছিলেন। অত্যন্ত সদ্ভাব ও বন্ধুত্বের সাথে তিনি মূর সেনাপতির হাত ধরে তাঁকে ঘোড়াটি উপহার দেন এবং সূর্যোদয়ের আগেই দ্রুত পালিয়ে গিয়ে নিজের প্রাণ বাঁচানোর পরামর্শ দেন।
12. “উভয় সেনাপতিরই অশ্ব বিলক্ষণ তেজস্বী ও দ্রুতগামী।” – এই তথ্যের মধ্য দিয়ে লেখক গল্পের শেষে কী ধরনের উত্তেজনা তৈরি করেছেন?
উত্তর দেখো
উৎস: আলোচ্য উক্তিটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘অদ্ভুত আতিথেয়তা’ গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গ: গল্পের শেষভাগে যখন সূর্যোদয়ের পর আরব সেনাপতি মূর সেনাপতির পিছু ধাওয়া করেন, তখন ঘোড়াগুলির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।
তাৎপর্য: লেখক এই বর্ণনার মধ্য দিয়ে গল্পের শেষ মুহূর্তে একটি চরম সাসপেন্স বা উত্তেজনা তৈরি করেছেন। মূর সেনাপতি প্রাণ বাঁচাতে দ্রুত পালাচ্ছেন, আর আরব সেনাপতি প্রতিশোধ নিতে সমান ক্ষিপ্রতায় পিছু ধাওয়া করছেন। দুজনের ঘোড়াই যেহেতু অত্যন্ত দ্রুতগামী, তাই শেষ পর্যন্ত মূর সেনাপতি পালাতে পারবেন কিনা, নাকি আরব সেনাপতির হাতে তাঁর মৃত্যু হবে— এই চরম উৎকণ্ঠা পাঠকের মনে শিহরণ জাগায়।