অষ্টম শ্রেণি: বাংলা, দ্বিতীয় পাঠ : চিঠি – মাইকেল মধুসূদন দত্ত, MCQ ও অনান্য 1 নম্বরের প্রশ্নত্তোর
অধ্যায় 6: চিঠি
(লেখক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত)
📖 বিষয় সূচনা
অষ্টম শ্রেণির পাঠ্য ‘চিঠি’ প্রবন্ধটি কোনো কাল্পনিক গল্প নয়, এটি বাংলা সাহিত্যের যুগান্তকারী স্রষ্টা মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা দুটি ঐতিহাসিক চিঠির সংকলন। একটি চিঠি তিনি লিখেছিলেন তাঁর পরম মিত্র ও আজীবন সুহৃদ গৌরদাস বসাককে, এবং অপরটি লিখেছিলেন তাঁর চরম বিপদের ত্রাতা, পরম শ্রদ্ধেয় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে। প্রথম বাঙালি ব্যারিস্টার হওয়ার উচ্চাশা নিয়ে তাঁর বিলেত (ইউরোপ) যাত্রা, ভিনদেশে গিয়ে অর্থকষ্টে তাঁর সীমাহীন দুর্দশা এবং সেই ভয়ংকর বিপদের দিনে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের দেবদূতের মতো পাশে দাঁড়ানোর মর্মস্পর্শী কাহিনি এই চিঠি দুটিতে অত্যন্ত আবেগপূর্ণ ভাষায় ফুটে উঠেছে।
🎯 বিষয় সংক্ষেপ
আলোচ্য চিঠি দুটির মূল ঘটনাক্রম ও শিক্ষণীয় বিষয়গুলি হলো:
- বিলেত যাত্রার অভিজ্ঞতা: প্রথম চিঠিতে মধুসূদন তাঁর ‘প্রিয় ও পুরাতন’ বন্ধু গৌরদাস বসাককে বিলেত যাত্রাপথের বিবরণ দিয়েছেন। ভূমধ্যসাগরের ওপর দিয়ে ‘সীলোন’ (Ceylon) নামক জাহাজে করে যাওয়ার সময় তাঁর মনের অবস্থা এবং ব্যারিস্টার হয়ে দেশে ফিরে সম্মানজনক জীবন কাটানোর উচ্চাশা এই চিঠিতে প্রকাশ পেয়েছে।
- উচ্চাশা ও জেদ: কবিখ্যাতি লাভ করলেও শুধুমাত্র সাহিত্যচর্চা করে তাঁর সংসার চলছিল না। তাই প্রচুর অর্থ উপার্জন এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠার তীব্র আকাঙ্ক্ষা নিয়েই তিনি ইংল্যান্ডে গিয়ে আইন পড়ার (ব্যারিস্টারি) কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
- ফ্রান্সে চরম অর্থকষ্ট: দ্বিতীয় চিঠিতে (যা ফ্রান্সের ভার্সাই নগরী থেকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে লেখা) মধুসূদনের চরম দুর্দশার কথা জানা যায়। দেশে তাঁর সম্পত্তির তদারকি করার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা বিশ্বাসঘাতকতা করে তাঁকে টাকা পাঠানো বন্ধ করে দেয়। এর ফলে বিদেশে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে তিনি প্রায় অনাহারে মৃত্যুর মুখে এসে দাঁড়িয়েছিলেন।
- বিদ্যাসাগরের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা: এই চরম বিপদের দিনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর নিজের চেষ্টায় টাকা জোগাড় করে মধুসূদনকে ফ্রান্সে পাঠান এবং তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করেন। চিঠিতে মধুসূদন চোখের জলে বিদ্যাসাগর মহাশয়কে ‘করুণাসাগর’ বলে উল্লেখ করে তাঁর প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞতা ও গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
📊 বিস্তারিত ও সম্ভাব্য নম্বর বিভাজন
এই অধ্যায় থেকে বার্ষিক পরীক্ষায় সম্ভাব্য মোট নম্বর: 5 থেকে 8
| প্রশ্নের ধরন | মান | সম্ভাব্য প্রশ্ন সংখ্যা | সম্ভাব্য মোট নম্বর |
|---|---|---|---|
| বহু বিকল্প ভিত্তিক | 1 | 1 টি | 1 |
| অতি সংক্ষিপ্ত | 1 | 1 থেকে 2 টি | 1 – 2 |
| সংক্ষিপ্ত | 2 | 1 টি | 2 |
| ব্যাখ্যামূলক / বর্ণনামূলক | 3 বা 5 | 1 টি (বিকল্পসহ আসে) | 3 বা 5 |
অধ্যায় 6: চিঠি
(বহু বিকল্প ভিত্তিক প্রশ্ন)
সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো:
1. অষ্টম শ্রেণির পাঠ্য ‘চিঠি’ রচনাটির লেখক কে?
- (ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- (খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- (গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- (ঘ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর দেখো
উত্তর: (গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
2. পাঠ্যাংশে মাইকেল মধুসূদনের লেখা মোট কয়টি চিঠি রয়েছে?
- (ক) 1 টি
- (খ) 2 টি
- (গ) 3 টি
- (ঘ) 4 টি
উত্তর দেখো
উত্তর: (খ) 2 টি
3. প্রথম চিঠিটি মধুসূদন কাকে লিখেছিলেন?
- (ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে
- (খ) রাজনারায়ণ বসুকে
- (গ) গৌরদাস বসাককে
- (ঘ) ভূদেব মুখোপাধ্যায়কে
উত্তর দেখো
উত্তর: (গ) গৌরদাস বসাককে
4. দ্বিতীয় চিঠিটি মধুসূদন কাকে লিখেছিলেন?
- (ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে
- (খ) গৌরদাস বসাককে
- (গ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে
- (ঘ) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরকে
উত্তর দেখো
উত্তর: (ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে
5. মধুসূদন যে জাহাজে করে বিলেত যাচ্ছিলেন, তার নাম কী ছিল?
- (ক) টাইটানিক
- (খ) সীলোন
- (গ) গঙ্গা
- (ঘ) ভিক্টোরিয়া
উত্তর দেখো
উত্তর: (খ) সীলোন
6. প্রথম চিঠিটি লেখার সময় মধুসূদনের জাহাজটি কোথায় অবস্থান করছিল?
- (ক) আরব সাগরে
- (খ) বঙ্গোপসাগরে
- (গ) ভূমধ্যসাগরে
- (ঘ) প্রশান্ত মহাসাগরে
উত্তর দেখো
উত্তর: (গ) ভূমধ্যসাগরে
7. মধুসূদন দত্ত কী উদ্দেশ্যে ইংল্যান্ডে বা বিলেতে যাচ্ছিলেন?
- (ক) ডাক্তারি পড়তে
- (খ) ব্যারিস্টারি পড়তে (আইন পড়তে)
- (গ) সাহিত্য রচনা করতে
- (ঘ) ব্যবসা করতে
উত্তর দেখো
উত্তর: (খ) ব্যারিস্টারি পড়তে (আইন পড়তে)
8. দ্বিতীয় চিঠিটি মধুসূদন কোথা থেকে লিখেছিলেন?
- (ক) ইংল্যান্ডের লন্ডন থেকে
- (খ) ইতালির রোম থেকে
- (গ) ফ্রান্সের ভার্সাই নগরী থেকে
- (ঘ) জার্মানির বার্লিন থেকে
উত্তর দেখো
উত্তর: (গ) ফ্রান্সের ভার্সাই নগরী থেকে
9. ফ্রান্সে থাকার সময় মধুসূদন দত্ত কোন্ চরম সংকটে পড়েছিলেন?
- (ক) দুরারোগ্য ব্যাধিতে
- (খ) চরম অর্থকষ্টে
- (গ) রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে
- (ঘ) প্রাকৃতিক দুর্যোগে
উত্তর দেখো
উত্তর: (খ) চরম অর্থকষ্টে
10. মধুসূদনের চরম অর্থকষ্টের মূল কারণ কী ছিল?
- (ক) তিনি টাকা হারিয়ে ফেলেছিলেন
- (খ) দেশের সম্পত্তির তদারকিকারীরা বিশ্বাসঘাতকতা করে টাকা পাঠানো বন্ধ করেছিল
- (গ) তাঁর চাকরি চলে গিয়েছিল
- (ঘ) তিনি প্রচুর টাকা দান করেছিলেন
উত্তর দেখো
উত্তর: (খ) দেশের সম্পত্তির তদারকিকারীরা বিশ্বাসঘাতকতা করে টাকা পাঠানো বন্ধ করেছিল
11. চরম বিপদের দিনে কে মধুসূদনকে টাকা পাঠিয়ে অনাহারের হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন?
- (ক) গৌরদাস বসাক
- (খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- (গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- (ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর দেখো
উত্তর: (গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
12. চিঠিতে মধুসূদন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে কী উপাধিতে ভূষিত করেছেন?
- (ক) দয়ার সাগর
- (খ) করুণাসাগর
- (গ) বিদ্যাসাগর
- (ঘ) মহামানব
উত্তর দেখো
উত্তর: (খ) করুণাসাগর
13. বিদ্যাসাগরের সাহায্যে মধুসূদন নিজেকে কার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার কথা বলেছেন?
- (ক) পুলিশের হাত থেকে
- (খ) ফরাসি সরকারের হাত থেকে
- (গ) নিশ্চিত মৃত্যু এবং কারাগারের হাত থেকে
- (ঘ) ডাকাতদের হাত থেকে
উত্তর দেখো
উত্তর: (গ) নিশ্চিত মৃত্যু এবং কারাগারের হাত থেকে
14. “এই পৃথিবীতে যা-কিছু আমি সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি…” – মধুসূদন কাদের কথা বলেছেন?
- (ক) তাঁর কবিতা ও সাহিত্যকে
- (খ) তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের
- (গ) তাঁর দেশ ভারতবর্ষকে
- (ঘ) তাঁর ধনসম্পত্তিকে
উত্তর দেখো
উত্তর: (খ) তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের
15. প্রথম চিঠিতে মধুসূদন গৌরদাস বসাককে কী বলে সম্বোধন করেছেন?
- (ক) পরম পূজনীয়
- (খ) প্রিয় ও পুরাতন বন্ধু
- (গ) স্নেহের ভাই
- (ঘ) মান্যবর
উত্তর দেখো
উত্তর: (খ) প্রিয় ও পুরাতন বন্ধু
16. পাঠ্য ‘চিঠি’ রচনাটি সাহিত্যের কোন্ পর্যায়ভুক্ত?
- (ক) ভ্রমণকাহিনি
- (খ) আত্মজীবনী
- (গ) পত্রসাহিত্য
- (ঘ) ছোটোগল্প
উত্তর দেখো
উত্তর: (গ) পত্রসাহিত্য
17. মধুসূদনের মতে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড়ো ভুল কী ছিল?
- (ক) বিলেত যাওয়া
- (খ) সাহিত্য রচনা করা
- (গ) বিশ্বাসঘাতক লোকদের হাতে নিজের সম্পত্তির ভার দেওয়া
- (ঘ) আইন পড়া
উত্তর দেখো
উত্তর: (গ) বিশ্বাসঘাতক লোকদের হাতে নিজের সম্পত্তির ভার দেওয়া
18. বিলেতে গিয়ে মধুসূদনের প্রধান লক্ষ্য কী ছিল?
- (ক) ইংরেজি সাহিত্য রচনা করে বিশ্বজোড়া খ্যাতি লাভ করা
- (খ) ব্যারিস্টার হয়ে দেশে ফেরা এবং সম্মানজনক জীবন কাটানো
- (গ) চিরকালের জন্য বিদেশে থেকে যাওয়া
- (ঘ) ইউরোপ ঘুরে দেখা
উত্তর দেখো
উত্তর: (খ) ব্যারিস্টার হয়ে দেশে ফেরা এবং সম্মানজনক জীবন কাটানো
19. মধুসূদনের চিঠিতে কার প্রতি তাঁর অসীম ও চিরস্থায়ী কৃতজ্ঞতা প্রকাশ পেয়েছে?
- (ক) গৌরদাস বসাকের প্রতি
- (খ) ফরাসি সরকারের প্রতি
- (গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রতি
- (ঘ) নিজের পরিবারের প্রতি
উত্তর দেখো
উত্তর: (গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রতি
20. এই চিঠি দুটির মাধ্যমে মধুসূদন দত্তের কোন্ গুণের পরিচয় পাওয়া যায়?
- (ক) অহংকার
- (খ) বন্ধুদের প্রতি ভালোবাসা এবং উপকারী মানুষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা
- (গ) দেশের প্রতি ঘৃণা
- (ঘ) শুধুমাত্র অর্থের লালসা
উত্তর দেখো
উত্তর: (খ) বন্ধুদের প্রতি ভালোবাসা এবং উপকারী মানুষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা
অধ্যায় 6: চিঠি
(সত্য/মিথ্যা নির্ণয় – সম্পূর্ণ 20 টি প্রশ্ন)
নিচের বাক্যগুলি সত্য না মিথ্যা তা নির্ণয় করো:
1. অষ্টম শ্রেণির পাঠ্য ‘চিঠি’ রচনাটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা।
উত্তর দেখো
উত্তর: সত্য
2. পাঠ্যাংশে মোট তিনটি চিঠির উল্লেখ আছে।
উত্তর দেখো
উত্তর: মিথ্যা
(সঠিক তথ্য: পাঠ্যাংশে মোট 2 টি চিঠির উল্লেখ আছে।)
3. প্রথম চিঠিটি মধুসূদন দত্ত তাঁর বন্ধু ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে লিখেছিলেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: মিথ্যা
(সঠিক তথ্য: প্রথম চিঠিটি তিনি তাঁর প্রিয় বন্ধু গৌরদাস বসাককে লিখেছিলেন।)
4. প্রথম চিঠিটি লেখার সময় মধুসূদন ‘সীলোন’ নামক জাহাজে ছিলেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: সত্য
5. মধুসূদন ডাক্তারি পড়ার উদ্দেশ্যে ইংল্যান্ড বা বিলেত যাচ্ছিলেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: মিথ্যা
(সঠিক তথ্য: তিনি ব্যারিস্টারি বা আইন পড়ার উদ্দেশ্যে বিলেত যাচ্ছিলেন।)
6. প্রথম চিঠিতে মধুসূদন ভূমধ্যসাগরের ওপর দিয়ে তাঁর যাত্রাপথের কথা উল্লেখ করেছেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: সত্য
7. মধুসূদনের বিলেত যাওয়ার প্রধান লক্ষ্য ছিল ব্যারিস্টার হয়ে দেশে ফিরে সম্মানজনক জীবন কাটানো।
উত্তর দেখো
উত্তর: সত্য
8. দ্বিতীয় চিঠিটি ফ্রান্সের প্যারিস নগরী থেকে লেখা হয়েছিল।
উত্তর দেখো
উত্তর: মিথ্যা
(সঠিক তথ্য: দ্বিতীয় চিঠিটি ফ্রান্সের ভার্সাই নগরী থেকে লেখা হয়েছিল।)
9. দ্বিতীয় চিঠিটি মধুসূদন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে লিখেছিলেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: সত্য
10. ফ্রান্সে থাকার সময় মধুসূদন দত্ত চরম অর্থকষ্টে পড়েছিলেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: সত্য
11. মধুসূদনের চরম অর্থকষ্টের কারণ ছিল তাঁর নিজের অমিতব্যয়িতা এবং টাকা হারিয়ে ফেলা।
উত্তর দেখো
উত্তর: মিথ্যা
(সঠিক তথ্য: দেশে তাঁর সম্পত্তির তদারকি করার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা বিশ্বাসঘাতকতা করে তাঁকে টাকা পাঠানো বন্ধ করে দেওয়ায় তিনি অর্থকষ্টে পড়েছিলেন।)
12. বিপদের দিনে মধুসূদনকে টাকা পাঠিয়ে সাহায্য করেছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
উত্তর দেখো
উত্তর: সত্য
13. চিঠিতে মধুসূদন বিদ্যাসাগরকে ‘করুণাসাগর’ বলে সম্বোধন করেছেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: সত্য
14. বিদ্যাসাগরের সাহায্যে মধুসূদন ফরাসি সরকারের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: সত্য
15. মধুসূদনের মতে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড়ো ভুল ছিল সাহিত্য রচনা করা।
উত্তর দেখো
উত্তর: মিথ্যা
(সঠিক তথ্য: তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড়ো ভুল ছিল বিশ্বাসঘাতক লোকদের হাতে নিজের সম্পত্তির ভার দেওয়া।)
16. মধুসূদন তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: সত্য
17. মধুসূদন ইউরোপে গিয়ে চিরকাল থেকে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: মিথ্যা
(সঠিক তথ্য: তিনি ব্যারিস্টারি পাশ করে দেশে ফিরে আসতে চেয়েছিলেন।)
18. চিঠিতে মধুসূদন জানিয়েছেন যে তিনি চরম দারিদ্র্যের মধ্যে স্ত্রী-পুত্র নিয়ে অনাহারে দিন কাটাচ্ছিলেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: সত্য
19. বিদ্যাসাগর মহাশয় মধুসূদনকে যে টাকা পাঠিয়েছিলেন, তা তিনি নিজের চেষ্টায় ধার করে জোগাড় করেছিলেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: সত্য
20. পাঠ্য চিঠি দুটির মাধ্যমে মধুসূদন দত্তের বন্ধুদের প্রতি ভালোবাসা এবং উপকারী মানুষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতার দিকটি ফুটে উঠেছে।
উত্তর দেখো
উত্তর: সত্য
অধ্যায় 6: চিঠি
(শূন্যস্থান পূরণ করো – সম্পূর্ণ 20 টি প্রশ্ন)
উপযুক্ত শব্দ বসিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করো:
1. মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম চিঠিটি লিখেছিলেন তাঁর প্রিয় বন্ধু ________ বসাককে।
উত্তর দেখো
উত্তর: গৌরদাস
2. প্রথম চিঠিটি লেখার সময় কবি ________ নামক জাহাজে ছিলেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: সীলোন (Ceylon)
3. কবি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে দ্বিতীয় চিঠিটি লিখেছিলেন ফ্রান্সের ________ নগরী থেকে।
উত্তর দেখো
উত্তর: ভার্সাই
4. মধুসূদন দত্ত ইংল্যান্ডে বা বিলেতে যাচ্ছিলেন ________ পড়ার উদ্দেশ্যে।
উত্তর দেখো
উত্তর: ব্যারিস্টারি (বা আইন)
5. ফ্রান্সে থাকার সময় কবি পরিবার নিয়ে চরম ________ পড়েছিলেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: অর্থকষ্টে (বা দারিদ্র্যে)
6. চরম বিপদের দিনে কবিকে টাকা পাঠিয়ে সাহায্য করেছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র ________।
উত্তর দেখো
উত্তর: বিদ্যাসাগর
7. মধুসূদনের মতে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড়ো ভুল ছিল বিশ্বাসঘাতক লোকদের হাতে নিজের ________ ভার দেওয়া।
উত্তর দেখো
উত্তর: সম্পত্তির (বা বিষয়-আশয়ের)
8. মধুসূদন বিদ্যাসাগরকে চিঠিতে ‘________’ বলে সম্বোধন করে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: করুণাসাগর
9. বিদ্যাসাগরের পাঠানো টাকা না পেলে ফরাসি সরকারের ________ কবির মৃত্যু হতে পারত।
উত্তর দেখো
উত্তর: কারাগারে
10. কবি চিঠিতে জানিয়েছেন, এই পৃথিবীতে তিনি তাঁর স্ত্রী ও ________ সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: সন্তানদের
11. প্রথম চিঠিতে মধুসূদন ভূমধ্যসাগরের ওপর দিয়ে তাঁর যাত্রাপথের কথা তাঁর প্রিয় ও ________ বন্ধুকে জানিয়েছেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: পুরাতন
12. মধুসূদন দত্ত ব্যারিস্টার হয়ে দেশে ফিরে অত্যন্ত ________ জীবন কাটাতে চেয়েছিলেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: সম্মানজনক
13. বিদ্যাসাগর মহাশয় নিজের চেষ্টায় ধার করে টাকা জোগাড় করে মধুসূদনকে ________ পাঠিয়েছিলেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: ফ্রান্সে (বা ভার্সাইতে)
14. অষ্টম শ্রেণির পাঠ্য ‘চিঠি’ রচনাটি সাহিত্যের ________ পর্যায়ের অন্তর্গত একটি অনবদ্য সৃষ্টি।
উত্তর দেখো
উত্তর: পত্রসাহিত্য
15. মধুসূদনের চরম দুর্দশার মূল কারণ ছিল দেশে তাঁর বিষয়-আশয়ের তদারকিকারীদের চরম ________।
উত্তর দেখো
উত্তর: বিশ্বাসঘাতকতা
16. কবি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বলেছেন যে, তিনি ছাড়া আর কেউ তাঁকে এই নিশ্চিত ________ হাত থেকে বাঁচাতে পারত না।
উত্তর দেখো
উত্তর: মৃত্যুর (বা ধ্বংসের)
17. মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের একজন প্রবাদপ্রতিম কবি এবং আধুনিক ________ ছিলেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: নাট্যকার
18. বিদ্যাসাগরকে লেখা চিঠিটি পাঠ করলে তাঁর প্রতি কবির অসীম ও চিরস্থায়ী ________ প্রকাশ পায়।
উত্তর দেখো
উত্তর: কৃতজ্ঞতা
19. প্রথম চিঠিতে মধুসূদন জানিয়েছেন যে, তাঁর জাহাজটি দ্রুতগতিতে গন্তব্যের দিকে ________ হচ্ছে।
উত্তর দেখো
উত্তর: অগ্রসর
20. চিঠি দুটি পড়লে মধুসূদনের সাহিত্যিক সত্তার আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক রক্তমাংসের ও চরম ________ মানুষের পরিচয় পাওয়া যায়।
উত্তর দেখো
উত্তর: আবেগপ্রবণ (বা সংবেদনশীল)
অধ্যায় 6: চিঠি
(অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর – মান: 1)
নিচের প্রশ্নগুলির একটি বা দুটি বাক্যে উত্তর দাও:
1. অষ্টম শ্রেণির পাঠ্য ‘চিঠি’ গদ্যাংশটির রচয়িতা কে?
উত্তর দেখো
উত্তর: ‘চিঠি’ গদ্যাংশটির রচয়িতা হলেন বাংলা সাহিত্যের প্রবাদপ্রতিম কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
2. পাঠ্যাংশে মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা মোট কয়টি চিঠি রয়েছে?
উত্তর দেখো
উত্তর: পাঠ্যাংশে মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা মোট 2 টি ঐতিহাসিক চিঠি রয়েছে।
3. মধুসূদন দত্ত তাঁর প্রথম চিঠিটি কাকে লিখেছিলেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: মধুসূদন দত্ত তাঁর প্রথম চিঠিটি তাঁর প্রিয় ও পুরাতন বন্ধু গৌরদাস বসাককে লিখেছিলেন।
4. প্রথম চিঠিটি মধুসূদন কোথা থেকে লিখেছিলেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: ভূমধ্যসাগরের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় ‘সীলোন’ নামক জাহাজ থেকে তিনি প্রথম চিঠিটি লিখেছিলেন।
5. মধুসূদন কী উদ্দেশ্যে বিলেত বা ইংল্যান্ডে যাচ্ছিলেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: মধুসূদন দত্ত ব্যারিস্টারি বা আইন পড়ার উদ্দেশ্যে বিলেত বা ইংল্যান্ডে যাচ্ছিলেন।
6. বিলেতে যাওয়ার পেছনে মধুসূদনের প্রধান লক্ষ্য কী ছিল?
উত্তর দেখো
উত্তর: বিলেতে যাওয়ার পেছনে তাঁর প্রধান লক্ষ্য ছিল ব্যারিস্টার হয়ে দেশে ফেরা এবং অত্যন্ত সম্মানজনক জীবন কাটানো।
7. দ্বিতীয় চিঠিটি কবি কাকে লিখেছিলেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: দ্বিতীয় চিঠিটি কবি পরম শ্রদ্ধেয় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে লিখেছিলেন।
8. দ্বিতীয় চিঠিটি কবি কোথা থেকে লিখেছিলেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: দ্বিতীয় চিঠিটি কবি ফ্রান্সের ভার্সাই নগরী থেকে লিখেছিলেন।
9. ফ্রান্সে থাকাকালীন মধুসূদন কোন্ চরম সংকটে পড়েছিলেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: ফ্রান্সে থাকাকালীন মধুসূদন পরিবার নিয়ে চরম অর্থকষ্টে বা দারিদ্র্যে পড়েছিলেন।
10. মধুসূদনের চরম অর্থকষ্টের প্রধান কারণ কী ছিল?
উত্তর দেখো
উত্তর: দেশে তাঁর বিষয়-আশয়ের তদারকি করার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা বিশ্বাসঘাতকতা করে টাকা পাঠানো বন্ধ করে দেওয়ায় তিনি অর্থকষ্টে পড়েছিলেন।
11. চরম বিপদের দিনে কে মধুসূদনকে টাকা পাঠিয়ে সাহায্য করেছিলেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: চরম বিপদের দিনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মধুসূদনকে টাকা পাঠিয়ে সাহায্য করেছিলেন।
12. বিদ্যাসাগর মহাশয় কীভাবে মধুসূদনকে টাকা পাঠিয়েছিলেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: বিদ্যাসাগর মহাশয় নিজে ধার করে টাকা জোগাড় করে সেই টাকা মধুসূদনকে ফ্রান্সে পাঠিয়েছিলেন।
13. চিঠিতে মধুসূদন বিদ্যাসাগরকে কী বলে সম্বোধন করেছেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: তাঁর দয়া ও মহানুভবতার জন্য চিঠিতে মধুসূদন বিদ্যাসাগরকে ‘করুণাসাগর’ বলে সম্বোধন করেছেন।
14. মধুসূদনের মতে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড়ো ভুল কী ছিল?
উত্তর দেখো
উত্তর: মধুসূদনের মতে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড়ো ভুল ছিল বিশ্বাসঘাতক লোকদের হাতে নিজের সম্পত্তির ভার দেওয়া।
15. বিদ্যাসাগরের পাঠানো টাকা না পেলে মধুসূদনের কী পরিণতি হতে পারত?
উত্তর দেখো
উত্তর: বিদ্যাসাগরের পাঠানো টাকা না পেলে ফরাসি সরকারের কারাগারে তাঁর নিশ্চিত মৃত্যু হতে পারত।
16. চিঠিতে কবি এই পৃথিবীতে কাদের সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন বলে জানিয়েছেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: চিঠিতে কবি জানিয়েছেন যে, এই পৃথিবীতে তিনি তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন।
17. ‘চিঠি’ রচনাটি সাহিত্যের কোন্ শ্রেণিভুক্ত?
উত্তর দেখো
উত্তর: ‘চিঠি’ রচনাটি সাহিত্যের ‘পত্রসাহিত্য’ শ্রেণিভুক্ত একটি ঐতিহাসিক সংকলন।
18. বিদ্যাসাগরকে লেখা চিঠিতে কবির কোন্ অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে?
উত্তর দেখো
উত্তর: চরম বিপদে সাহায্য করার জন্য উপকারী মানুষটির প্রতি কবির অসীম ও চিরস্থায়ী কৃতজ্ঞতার প্রকাশ ঘটেছে।
19. মধুসূদনের মতে তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের কে নিশ্চিত ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: মধুসূদনের মতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরই তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের নিশ্চিত ধ্বংস ও মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করেছেন।
20. মধুসূদন প্রথম চিঠিতে তাঁর যাত্রাপথকে কেমন বলে বর্ণনা করেছেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: ভূমধ্যসাগরের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি তাঁর যাত্রাপথকে অত্যন্ত দ্রুতগামী এবং মনোরম বলে বর্ণনা করেছেন।
21. মধুসূদন দত্ত কোন্ ভাষায় খ্যাতি লাভ করার পর আইন পড়তে যান?
উত্তর দেখো
উত্তর: বাংলা ভাষায় প্রভূত খ্যাতি লাভ করার পরও তিনি অর্থ ও প্রতিষ্ঠার আশায় আইন পড়তে যান।
22. দ্বিতীয় চিঠিতে মধুসূদনের চরিত্রটি কেমনভাবে ধরা পড়েছে?
উত্তর দেখো
উত্তর: সাহিত্যিক সত্তার আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক অত্যন্ত আবেগপ্রবণ, পরিবার-দরদী ও সংবেদনশীল মানুষ হিসেবে তাঁর চরিত্রটি ধরা পড়েছে।
23. মধুসূদন গৌরদাস বসাককে কী বলে সম্বোধন করেছেন?
উত্তর দেখো
উত্তর: মধুসূদন গৌরদাস বসাককে ‘প্রিয় ও পুরাতন বন্ধু’ বলে সম্বোধন করেছেন।
24. চিঠি দুটিতে ব্যবহৃত ভাষা কেমন?
উত্তর দেখো
উত্তর: চিঠি দুটিতে ব্যবহৃত ভাষা অত্যন্ত আবেগপূর্ণ, সরল এবং অন্তরঙ্গ।